চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলায় শিক্ষক নিয়োগে এবার Super TET’র ভাবনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিয়োগ দুর্নীতি ঘিরে রাজ্য রাজনীতি গত ৪-৫ মাসে বেশ ভালই উথালপাথাল দেখছে। তার জেরে যেমন রাজ্যের মন্ত্রী সহ শাসক দলের নেতারা গ্রেফতার হ্যেছেন তেমনি বহু মিডলম্যান, পর্ষদ কর্তা ও বিধায়কও গ্রেফতার হয়েছেন। এই অবস্থায় নতুন এক কথা শোনা যাচ্ছে। তা হল, এবার থেকে নাকি রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে নিয়োগের জন্য Super TET’র ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। কার্যত রাজ্যের শিক্ষাদফতরের আধিকারিকেরা মনে করছেন এই Super TET’র ভাবনা বাস্তবায়িত হতে বেশি দিন সময় লাগবে না আর এটা হওয়া কার্যত অবশ্যম্ভাবী।  

আরও পড়ুন আমার ওপর ভরসা রাখুন, ক্ষতিপূরণ পাবেন, শিবপুরবাসীকে বার্তা মমতার

কী এই Super TET? এখন টেট উত্তীর্ণ হলেই মেলে ইন্টারভিউয়ের(Interview) সুযোগ। কিন্তু লক্ষাধিক প্রার্থীর ইন্টারভিউ নিতে প্রচুর সময় লাগে। ফলে শিক্ষক নিয়োগেও দেরি হয়ে যায়। তাই এবার টেট-এর পর অন্য একটি পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থী তালিকা আরও সংক্ষিপ্ত করার ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের অন্দরে। সেটাই Super TET। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালের TET-এ প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল। প্রথাগত নিয়মে তাঁদের প্রত্যেকের ইন্টারভিউ হওয়ার কথা। এখন ২০১৪ এবং ২০১৭ টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ইন্টারভিউ চলছে। সেই সংখ্যাটা ৪০ হাজারের আশপাশে। ফলে ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করতেই ৬ মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১১ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হবে। অর্থাৎ বাকি থাকবেন ৩০ হাজার প্রার্থী। তার সঙ্গে যোগ হবে টেট ২০২২ উত্তীর্ণ আরও ১ লক্ষ ৫০ হাজার প্রার্থী। অর্থাৎ, পরবর্তী নিয়োগে ২০১৪, ২০১৭ এবং ২০২২ টেট মিলিয়ে ১ লক্ষ ৮০ হাজার প্রার্থীর ইন্টারভিউ নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন হাওড়ার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় গেরুয়া ব্রিগেড

নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে এখন এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ড করে রাখা হচ্ছে। সেভাবে ইন্টারভিউ সারতে অন্তত বছর দেড়েক সময় লাগার কথা। ফলে শিক্ষক নিয়োগ হতে হতে সব মিলিয়ে দু’বছর পেরিয়ে যেতে পারে। এই দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতেই প্রয়োজন হচ্ছে Super TET’র। এই পরীক্ষার মাধ্যমেই প্রার্থী তালিকা সংক্ষিপ্ত করে ইন্টারভিউ এবং নিয়োগ দেওয়া হবে। তাতে বাঁচবে সময়। শুধু তাই নয়, SSC বা School Service Commission’র মতো প্রাথমিকের নিয়োগ বিধিতে আরও কিছু পরিবর্তন আনার ভাবনাচিন্তা চলছে। এখানেও শিক্ষাগত যোগ্যতায় Academic Score’র গুরুত্ব কমবে। কারণ, এখন মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিকে ছাত্রছাত্রীরা যে হারে নম্বর পায়, তার সঙ্গে কয়েক বছর আগের রেজাল্টের মিল নেই। প্রশ্নের ধরন বদলানোয় নম্বর বেড়েছে। আবার কোভিডকালে প্রথাগত পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। কার্যত গড়ে নম্বর দিতে বাধ্য হয় বিভিন্ন বোর্ড এবং কাউন্সিল। এই মূল্যায়ন কতটা যথাযথ, তা নিয়েও বিভিন্ন সময় প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষামহল। এই ছাত্রছাত্রীরা প্রাথমিক শিক্ষকতায় আসতে চাইলে যাতে বিশেষ সুবিধা না পান কিংবা অন্যরা বঞ্চিত না হন, সেটাও দেখতে হবে সরকারকে। মূলত সেই কারণে Academic Score’র গুরুত্ব কমিয়ে জোর দেওয়া হবে TET’র নম্বরে। একই সঙ্গে TET’রভ মতো এতবড় একটি পরীক্ষায়, ৫০-এর মধ্যে মাত্র ৫ নম্বর বরাদ্দ থাকা সঙ্গত নয়। তা বেড়ে ১৫ হতে পারে। সেক্ষেত্রে Academic Score’র বরাদ্দ হবে ৫ নম্বর। তবে এই সব বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, মোবাইল অ্যাপে জানা যাবে

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ