চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অশোকনগরে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুললেন মৈথিলী ঠাকুর

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাতে মাত্র একটা দিন, ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফায় বিধানসভা নির্বাচন। সুতরাং শেষ মুহূর্তে প্রচার তুঙ্গে। আর নির্বাচনী প্রচারে নজর কাড়ছেন নতুন-পুরোনো সকল প্রার্থীরা। অভিনব পন্থায় প্রচার সারছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। আর প্রার্থীদের সমর্থনে বাংলায় আসছেন দেশজুড়ে বিজেপি-কংগ্রেস সাংসদরা, তাঁদের হয়ে ভোট প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। ইতি মধ্যেই নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে বাংলায় এসে প্রচার সেরে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এছাড়াও হেমা মালিনী, স্মৃতি ইরানি-সহ একাধিক বিজেপি নেতা-কর্মী বাংলায় এসে প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সেরে গিয়েছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ-রা তো বাংলায় এসে প্রায়শই কর্মীসভা করছেন, রোডশো করছেন। এবার অশোকনগরের বিজেপি প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বাংলায় এসে প্রচারে ঝড় তুললেন বিহারের তরুণ বিজেপি নেত্রী তথা জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অশোকনগর পি.এল. ক্যাম্প সংলগ্ন একটি শীতলা মন্দিরে পুজো দিয়ে জনসংযোগ শুরু করেন মৈথিলী, সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভাইও। তবে তাঁর প্রচারের বিশেষ আকর্ষণ ছিল তাঁর কন্ঠের ভক্তিগীতি এবং বাংলা গান। সুরেলা কন্ঠের মাধ্যমে মুহূর্তেই উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেন মৈথিলী। বাঙালি না হয়েও তাঁর কন্ঠে ভজন থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীত, সবটাই এদিন তাঁর প্রচারে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠে। প্রচারে মৈথিলী ঠাকুর জানান, এখানে এসে খুব ভাল লাগছে। সবাই তাঁর উপর যে ভালবাসা দেখাচ্ছে তাতে তিনি ধন্য। যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই তাঁকে দেখে সবাই চিৎকার করছেন। সেটা ভাল লাগছে তাঁর। এছাড়াও তিনি বিজেপির প্রতিও ভালবাসা দেখছেন। এরপর তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নজরুলগীতি শুনে বড় হয়েছেন। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর বারবারই ভালোবাসা রয়েছে।

তিনি চান, যে সরকারই গঠন হোক না কেন, বাংলার পবিত্রতা ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ থাকুক। এরপর রাজনীতির বিষিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র নেতৃত্বে বিকশিত বাংলা, বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে বিজেপি। পাশাপাশি মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমন সরকার প্রয়োজন, তা নির্ধারণের দায়িত্ব তিনি বাংলার মানুষের ওপরেই ছেড়ে দেন। এরপর বিহারের ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ -এর প্রসঙ্গ তুলে মৈথিলী দাবি করেন, উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষ নিজেই পরিবর্তনের গুরুত্ব বুঝতে পারছে। বাংলার ভোটারদের কাছেও বিজেপির পরিকল্পনা পৌঁছে দিচ্ছে। রাজ্যে শিল্পের অনুকূল পরিবেশের অভাবে বহু সংস্থা অন্যত্র চলে গিয়েছে। ফলে তরুণ প্রজন্ম কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সভা শেষে তিনি বলেন, “একলা চলো রে”, গানের মাধ্যমেই জনতার মধ্যে আলাদা আবেগের সঞ্চার করেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘হলদিয়া বন্দর থেকে টাকা কোথায় পাচার হচ্ছে?, মোদি সরকারকে প্রশ্ন মমতার

রাস্তার পাশে উদ্ধার মহিলার রক্তাক্ত দেহ, খুন নাকি অন্যকিছু?

ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে নন্দীগ্রামের পুলিশ পর্যবেক্ষককে সরিয়ে দিলেন জ্ঞানেশ

নওদা বিধানসভায় নির্বাচনী প্রচার ঘিরে উত্তেজনা চরমে, নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী

মেয়ের হয়ে প্রচারে বেরিয়ে রাস্তার মাঝে যা করলেন মমতা ঠাকুর, প্রশংসা এলাকাবাসীর

বেলডাঙা কাণ্ডে ইউএপিএ ধারা লাগুর সিদ্ধান্ত নেবেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ