দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মুর্শিদাবাদের অশান্তিতে তিন মাস ধরে পরিকল্পনা, বিদেশ থেকে এসেছে টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি : রেললাইনের পাথর মজুত, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে লুটপাট, বাছাই করে নির্দিষ্ট বাড়িতে হামলা, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস, অগ্নিসংযোগ, সড়ক ও রেল যোগাযোগ থমকে দেওয়া। একের পর এক ছবি সাজালে মনে পড়ে যায় বাংলেদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া অশান্তির কথা। মুর্শিদাবাদের অশান্তির ঘটনার সঙ্গে বিস্তর মিল রয়েছে তার। ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে বাংলা। মুর্শিদাবাদের সূতি, ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জের  অশান্তি পূর্ব পরিকল্পিত। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে আগুন ছড়িয়েছে, সেটা আচমকা কোনও জনরোষের জন্য নয়। এই এলাকাগুলোকে অশান্ত করতে ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হয়েছে তিন মাস ধরে। হামলার পিছনের কারণ বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে।

ওয়াকফ আইন শুধু মাত্র একটা ঘুঁটি। এই অশান্তি ছড়ানোর মূলে রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা দু’টি সংগঠন। তারসঙ্গে যুক্ত হয়েছে এপারের কিছু সুযোগসন্ধানী মানুষ। উস্কানি, ইন্ধন, সাহায্য এমনকী গেরিলা কায়দায় হামলা চালানোর জন্য বেশ কিছু লোকজনও চোরাপথে এসেছে বাংলাদেশ থেকে। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের কয়েকটি খারিজি মাদ্রাসায় প্রায় একমাসের বেশি সময় ধরে থাকছিল ওই অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিরা।

বিএসএফ-র পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, ওপার থেকে অশান্তি ছড়ানোর কাজে মদত দেওয়া হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, হামলার দিক ঠিক করতে শুক্রবার সীমান্তের ওপার থেকে ৩০টির বেশি ফোন এসেছে জঙ্গিপুর মহকুমায়। আন্দোলনকে সামনে রেখে অশান্তি ছড়ানোই ছিল মূল। ইতিমধ্যে, ৭০টি মোবাইল কলকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এমন ৫০ জনের হদিশ গোয়েন্দারা পেয়েছেন, যারা এই হাঙ্গামার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল।

গোয়েন্দারা জেনেছেন, ফেব্রুয়ারি মাসে লালগোলা সীমান্তের এক প্রত্যন্ত গ্রামে বিশেষ সভা বসেছিল দুই বাংলাদেশি সংগঠনের। জানা যাচ্ছে, অশান্তির জন্য লজিস্টিক সাপোর্ট এবং অর্থ সরবরাহ করেছে এমন দু’টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নামও সামনে এসেছে। অস্থিরতা তৈরি করার জন্য অর্থ এসেছে তুরস্ক থেকে। কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে একসময় যেভাবে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হতো, ঠিক একই কায়দায় মুর্শিদাবাদের ওই তিন অংশে হামলা হয়েছে। গোয়েন্দারা বলছেন, জঙ্গিপুর মহকুমার যে সমস্ত অংশে রেলপথ রয়েছে, সেখান থেকে পাথর জোগাড় করার কাজটা গত দু’মাস ধরে চালানো হয়েছে। একাধিক বাড়ির ছাদেও মজুত করা হয়েছে পাথর।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উৎসবকে সেনার শাসনে পরিণত করেছে বিজেপি,’ কড়া প্রতিক্রিয়া অভিষেকের

‘বিজেপি বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস জানে না,’ সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ রাহুলের

নিশাচর কমিশন! ভোটের আগে গভীর রাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে CEO মনোজ

বৃহস্পতি-শুক্রতে শহরে আসতে গেলে হাতে রাখুন অতিরিক্ত সময়, জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ

বুধবার সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গিপুরে নামল সাঁজোয়া গাড়ি, রাতভর টহল শুরু

বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দিল পুলিশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ