আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাঁকুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সভায় ব্রাত্য বিজেপির দুই প্রার্থী, গোষ্ঠীকোন্দল উঠল চরমে

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বঙ্গ–বিজেপির অঙ্গ শোভায় যে গোষ্ঠীকোন্দল এখনও রয়েছে তা বারবার সামনে এসেছে। এখন বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের মরশুম চলছে। হাতে আর তিনদিন বাকি। তারপরই প্রথম দফার নির্বাচন হবে। কিন্তু এখনও বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল থামল না। বরং তা পৌঁছে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাতেও। মঞ্চে ওঠার সুযোগ পাননি এক প্রার্থী, আবার অন্য প্রার্থী সভার ত্রিসীমানায় আসেননি। এই ঘটনার পর থেকেই বিরোধীরা বলছে যে, বাঁকুড়ার বিজেপি শিবিরের অন্দরে থাকা গোষ্ঠীকোন্দল এখন জলের মতো পরিষ্কার। মোদির মঞ্চে জায়গা পাননি ওন্দার বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী অমরনাথ শাখা। নিচে থাকতে হল তাঁকে। আর মোদির জনসভায় ছিলেনই না শালতোড়ার বিজেপির প্রার্থী চন্দনা বাউরি।

এদিকে রবিবার বাঁকুড়ার বড়জোড়ার সভায় প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে দলীয় প্রার্থীদের তুলে ধরার কথা ছিল। কিন্তু সেই মঞ্চে দেখা যায়নি ওন্দার বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী অমরনাথ শাখাকে। সভা শেষে নীচে দাঁড়িয়ে থাকা অমরনাথের অভিযোগ, ‘‌সাংসদ সৌমিত্র খাঁ আমাকে ‘মিসগাইড’ করেছেন। বারবার সৌমিত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনও সাহায্য করেননি। আমাকে মঞ্চের গেট দিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, নিরাপত্তারক্ষীরা অন্য পথ দেখিয়ে দেন। শেষে প্রধানমন্ত্রীর সভার মূল মঞ্চের নীচে দাঁড়িয়েই কাটাতে হয়।’‌ আর চন্দনা বাউরি জানান, সভায় উপস্থিত থাকার কোনও চিঠি পাননি। তবে আগে আসানসোলের সভায় তিনি ছিলেন। এখন বুথ প্রচার ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সভা নিয়ে ব্যস্ত আছেন।

অন্যদিকে এমন গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে কতটা সাফল্য আসবে তা নিয়ে সন্দিহান সবপক্ষই। তবে বিজেপি নেতারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। অমরনাথ শাখাকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‌সাংসদ সৌমিত্র খাঁ আমাকে ‘মিসগাইড’ করেছে। মঞ্চে ওঠার জন্য বারবার সৌমিত্র খাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনও সাহায্য মেলেনি। নিরাপত্তারক্ষীরা অন্য গেট দিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিল। শেষ পর্যন্ত আমাকে নিচেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।’‌ আর চন্দনা বাউরি বলেছেন, ‘‌এই সভায় থাকার জন্য আমাকে কোনও আমন্ত্রণপত্রই দেওয়া হয়নি। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সভা এবং এলাকায় বুথ প্রচার নিয়ে আমি অত্যন্ত ব্যস্ত ছিলাম।’‌

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো নেতার সভায় প্রার্থীরাই যদি অনুপস্থিত থাকেন বা মঞ্চে উঠতে গিয়ে হোঁচট খান তাহলে তার প্রভাব ভোটারদের ওপর যে ভাল পড়বে না সেটা মনে করছেন বিজেপির নীচুতলার কর্মীরা। এত বড় সভায় প্রার্থী মঞ্চে উঠতে না পারা স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়াবে দলের। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করলেন সেখানে মঞ্চের দুই প্রার্থীর অনুপস্থিতি বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল সামনে নিয়ে এসেছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কালীঘাট থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন

ভবানীপুরে শুভেন্দুর সভার মাইকের আওয়াজে নির্বাচনী জনসভা না করে ফিরে গেলেন ক্ষুব্ধ মমতা

বেলুড় বয়েজ হাই স্কুলের ডিসি সেন্টারে তুমুল উত্তেজনা, বিজেপি – তৃণমূল সংঘর্ষ

‘আইপ্যাকের লোকদের দেখলেই বেঁধে রাখুন’, কংগ্রেস কর্মীদের নিদান অধীরের

টার্গেট অভিষেক! দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই তিন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

রাজ্যে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯৩.১৯ শতাংশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ