মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে গ্রাম, ভয় নিয়েই লালগোলার রাধাকৃষ্ণপুরে চলছে পুজোর প্রস্তুতি

তবে দেবীর আগমনের খবরে আন্দন্দে মেতে ওঠার বদলে নিজেদের অস্বিত্ব রক্ষার লড়াই এখন বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে লালগোলার রাধাকৃষ্ণপুরে গ্রামের বাসিন্দাদের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার আকাশ জুড়ে পুজো পুজো গন্ধ। হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিনই বাকি। দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষার অবসানের আনন্দে মেতেছে বাঙালি। তবে দেবীর আগমনের খবরে আন্দন্দে মেতে ওঠার বদলে নিজেদের অস্বিত্ব রক্ষার লড়াই এখন বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে লালগোলার রাধাকৃষ্ণপুরে গ্রামের বাসিন্দাদের। নেপথ্যে পদ্মার ভয়াল রূপ। যেকোনো মুহূর্তে নদী গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে গোটা গ্রাম। আর এই ভয়কে সঙ্গে নিয়েই উমার বাপের বাড়ি আসার প্রস্তুতি চলছে রাধাকৃষ্ণপুরে গ্রামে। ভয়-আতঙ্ককে সঙ্গেই নিয়েই চলছে প্রতিমা গড়ার কাজ। মন্দির কমিটির সম্পাদক শ্যামল ঘোষ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন নদী ভাঙনের ভয় রয়েছে বলে দেবীর আরাধনা বন্ধ তো থাকবে না তাই উমার বন্দনায় আয়োজনের কোনও ত্রুটি রাখা হচ্ছে না।

টানা বর্ষা আর সেই সঙ্গেই নদীর জলস্তর বৃদ্ধির কারণে লালগোলার তারানগর গ্রামের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়েছে। নদীপাড়ের রাধাকৃষ্ণপুর ও তারানগর গ্রামের কয়েকশো পরিবার নিদ্রাহীন রাত কাটাচ্ছেন। কারণ এই এলাকার চাষের জমি ঘরবাড়ি সহ একাধিক গ্রাম গত কয়েক বছর ধরেই নদীর গ্রাসে চলে গিয়েছে। পদ্মা রাধাকৃষ্ণপুর গ্রাম থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে ফুঁসছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় বিপদ হতে পারে। এই আশঙ্কাকে সঙ্গে নিয়েই চলছে দুর্গা পুজোর প্রস্তুতি। কখন কি হয় জানা না থাকলেও পদ্মাপাড়ের বেশ কয়েকটি গ্রামের মধ্যে রাধাকৃষ্ণপুরে প্রতিবছর পুজোর আয়োজন করা হয়। নদীর পাশে কাশের দোলার মধ্যে দিয়েই চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রাধাকৃষ্ণপুর সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি গত ১৬ বছর আগে তৈরি করেন গ্রামের বাসিন্দারাই। ধীরে ধীরে করা হয় মন্দিরের দালান। রাধাকৃষ্ণপুরের এই দুর্গা দালানে পুজোকে ঘিরে মেতে ওঠেন তারানগর, রামনগর, রাধাকৃষ্ণপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষরা।

প্রণব সিংহ রায়, পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ জানিয়েছেন এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই জনমজুর এবং মৎস্যজীবী। তাঁরা সকলেই নিজেদের মত করে পুজোর চাঁদা দেন। বিগত বছর থেকে সরকারি অনুদান পাওয়ার পর আরও কিছুটা চাকচিক্য বেড়েছে পুজোর। তবে নদী ভাঙনের ভয় পিছু ছাড়ছে না। সব কিছুকে সঙ্গে নিয়েই চলছে দেবী বন্দনার প্রস্তুতি। পুজো কমিটির সভাপতি বাদলচন্দ্র সিংহ বলেন স্থানীয় বিধায়ক মাঝে মধ্যে আসেন খোঁজ নেন। ভয় থাকলেও গ্রামবাসীদের ধারণা গ্রামদেবী বুড়িমা তাদের রক্ষা করবেন। ঠাকুর দেবতা তাঁদের ভরসা এটাই ভরসা তাঁদের।

পুজোর চাঁদার নামে জুলুমবাজি! এক ফোনেই অভিযোগ জানান, চালু টোল ফ্রি নম্বর়

‘মিলন প্রধানকে নির্বাচনে লড়তে দিন,’ অন্তর্বর্তী জামিন দিয়ে পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

’৪৮ ঘন্টার মধ্যে কুর্সি ছাড়ুন’, জ্ঞানেশকে সময়সীমা আরশোলাদের, দেশজুড়ে আন্দোলনের হুমকি

ভিক্ষাং দেহি! খিদে মেটাতে ভারত থেকে ২ লক্ষ টন গম নিচ্ছে তারেক সরকার

সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছেন না, জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের মহুয়ার

৩৬ বছর পর খুলল কাশ্মীরের শীতলনাথ মন্দির

‘মাত্র ১৫ দিনেই সব শেষ’, বাবাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ অভিনেত্রী-সাংসদ শতাব্দী রায়

লক্ষ্মীবারে রক্তাক্ত শেয়ারবাজার, এক ধাক্কায় ১২০০ পয়েন্ট কমল সেনসেক্স

ফের ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তুরস্ক, কম্পনের মাত্রা ৫.৫

রাস্তায় থাকলে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরুন, শহরে ধেয়ে আসছে ‘প্রলয়’

নিউটাউনে গরিবদের জন্য স্বাস্থ্যনগরী তৈরি হবে, আদানিকে পাশে বসিয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

খুঁটিতে ধাক্কা লেগে দাউদাউ করে জ্বলে উঠল গাড়ি, জীবন্ত পুড়ে মৃত ২

২,০০০ টাকার বেশি UPI পেমেন্টে চার্জ! ২ অক্টোবর দেশজুড়ে ‘No UPI Day’-এর ডাক

কম্বোডিয়ান সঙ্গীকে বিয়ে করতে প্যারোলে মুক্তি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হরিয়ানার গ্যাংস্টারের