স্কুল শিক্ষকেরা হতে পারবেন না প্রার্থীর Counting Agent

স্কুল শিক্ষক বা শিক্ষিকাদের এবারের নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর Counting Agent করা যাবে না, জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বড় ঘোষনা নির্বাচন কমিশনের(ECI)। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুল শিক্ষক বা শিক্ষিকাদের(School Teachers) এবারের নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর Counting Agent করা যাবে না। রাজ্যের সব জেলার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। কমিশনের এই নির্দেশে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে(TMC) তেমন কোনও সমস্যায় পড়তে না হলেও চরম বেকায়দায় পড়েছে রাম থেকে বাম মায় কংগ্রেসও। বেকায়দায় পড়েছে নির্দল প্রার্থীরাও। আগামী ৪ জুন দেশের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা করা হবে এবং সেই দিনই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তার আগে প্রত্যেক প্রার্থীকে(Election Candidates) কমিশনের কাছে তাঁর Counting Agent’র নামধাম জমা দিতে হবে। সেই হিসাবে হাতে আর মাত্র ২ সপ্তাহ। এর মধ্যে নতুন Counting Agent খুঁজে বের করা অনেকের কাছেই বেশ চাপের।

জানা গিয়েছে, প্রার্থীদের তরফে কে কে বা কারা কারা Counting Agent হতে পারবেন তা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। সেই নির্দেশিকায় বলা আছে যদি কোনও ব্যক্তি সরকারের কাছ থেকে কোনও সাম্মানিক নিয়ে থাকেন তাহলে ওই ব্যক্তি কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর হয়ে ভোট গণনার সময় Counting Agent থাকতে পারবেন না। এমনকী যদি কোনও ব্যক্তি আংশিক সময়ের জন্য কোনও সরকারি বা সরকার পোষিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকেন তাহলেও তিনি Counting Agent হতে পারবেন না। এর আগে রাজ্যের বিরোধীদের তরফে আওয়াজ তোলা হয়েছিল যে তৃণমূল সমর্থিত শিক্ষক সংগঠনের সদস্যদের যেন নির্বাচনের কোনও কাজের লাগানো না হয়। অথচ এখন যখন কমিশন জানিয়ে দিচ্ছে যে রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুল শিক্ষক বা শিক্ষিকারা Counting Agent হতে পারবেন না তখন সব থেকের বেশি অসুবিধায় পড়ছে এই বিরোধী দলগুলির প্রার্থীরাই।

ভোটের সময় গণনার দিন প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হিসাবে বা ভোটের দিন রাজনৈতিক দলের হয়ে বুথে পোলিং এজেন্ট হিসাবে বাংলার বুকে স্কুল শিক্ষকদের ভালো সংখ্যক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ভোটের ডিউটি করার সময় সাধারণ স্কুল শিক্ষকদেরকেই ভোটকর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তাই ভোটের আগে যখন জেলা প্রশাসন ভোটকর্মীদের নামের তালিকা প্রকাশ করে, তখন সেই তালিকা থেকে মূলত স্কুল শিক্ষকদের নাম কাটানোর জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দলের তরফেই প্রশাসনের কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়। এখন দেখা যাচ্ছে, কমিশনের সিদ্ধান্তে সব থেকে বেশি বেকায়দায় পড়েছে রাম আর বাম। মানে বিজেপি(BJP) আর সিপিআই(এম)(CPIM)। কেননাস ভোটের সময় একাংশ স্কুল শিক্ষকই সাধারণত তাদের হয়ে পোলিং এজেন্ট বা কাউন্টিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। এখন তাঁরাই গেলেন বাদ হয়ে। যদিও কমিশনের এই নির্দেশিকা নিয়ে অবশ্য রাজ্যের শাসক দলের কোনও আপত্তি নেই।

আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় অশান্তি পাকানোর অভিযোগে আটক ৫

গুঞ্জন সত্যি করে তৃতীয়বার বাবা হলেন কাঞ্চন, পুত্র নাকি কন্যা কে এল শ্রীময়ীর কোলে?

ঈশান ও তিলকের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ২১৯ রান তুলল টিম ইন্ডিয়া

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া অ্যাকশন, আইপিএস-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক সাসপেন্ড

বিয়ের অনুষ্ঠান ছেড়ে সরাসরি যন্তরমন্তরে হাজির লেহঙ্গা-চোলি পরিহিত কনে, ভাইরাল ভিডিও

প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে সিগারেট জ্বালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার বারাসাতের যুবক

অন্নপূর্ণা যোজনায় কাদের নাম থাকবে আর কারা বাদ? বিধায়কদের বড় নির্দেশ শুভেন্দুর

‘তোমরা প্রমাণ করে দিয়েছো…’, ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতেই ‘আরশোলা’দের কুর্নিশ প্রকাশ রাজের

ধর্মেন্দ্র প্রধান-ই প্রথম নন, আন্দোলনের মুখে ইস্তফা দিয়েছিলেন এম জে আকবর-ও

পড়ুয়াদের দাবি মেনে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

‘এমন ব্যবস্থা করব, ৩ পুরুষ মনে রাখবে’, ধর্মতলায় সাংবাদিক নিগ্রহে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

‘তোমাদের পাশে আছি’ সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েও ছাত্রদের পাশে থাকার বার্তা শাবানা আজমির

মন্দিরে চুরির পর বিবেকের তাড়নায় থানায় হাজির তিন চোর, ফেরত দিল দেবালয়ের সামগ্রী

রিসর্ট আটকে সেবাশ্রয়! তোলাবাজির অভিযোগে FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে