আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাম-বিজেপিকে ধাক্কা দিয়েই অধীর বিদায় সম্পন্ন প্রদেশ কংগ্রেসে, জোটবার্তার ইঙ্গিত তৃণমূলকে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: যা হওয়ার ছিল সেটাই হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির(West Bengal Pradesh Congress Committee Chairman) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বাম-বিজেপি ঘনিষ্ঠ উগ্র তৃণমূল বিরোধী অধীররঞ্জন চৌধুরীকে(Adhir Ranjan Chowdhury)। পরিবর্তে আনা হয়েছে তুলনায় ‘নরমপন্থী’ এবং রাহুল গান্ধি ঘনিষ্ঠ শুভঙ্কর সরকারকে(Suvankar Sarkar)। শনিবার রাতেই দিল্লি থেকে কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল ফোন করে অধীরকে বিষয়টি জানিয়ে দেন। এখন অনেকেই মনে করছেন, অধীরের জায়গায় শুভঙ্করকে আনার ঘটনা আদতে তৃণমূলকে(TMC) জোট বার্তা প্রদান কংগ্রেসের(INC) তরফে। যদিও সেই ইঙ্গিত বার্তায় তৃণমূল কতখানি সাড়া দেবে তা নিয়ে ঢের প্রশ্ন আছে। তবে অধীর বিদায়ের জেরে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস আর তৃণমূলের মধ্যেকার দূরত্ব কমবে বলেই আশাবাদী কংগ্রেসের নেতারা।

আরও পড়ুন, ১১৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হুগলি নদীর পাড়ে ভাঙনের কারণ জানতে হবে সমীক্ষা

অধীরকে যে তাঁর পদ থেকে সরানো হবে সেটা লোকসভা নির্বাচনের পরে পরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এমনকি কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসাবে মল্লিকার্জুন খাড়গে দলের বৈঠক চলাকালীন সময়েই অধীরকে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে আপাতত তাঁকে ‘অস্থায়ী সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারপর কয়েক মাস কিছু না হওয়ায় প্রায় সবাই ভেবে নিয়েছিলেন অধীরই প্রদেশ কংগ্রেস পদে থেকে যাবেন। কিন্তু দিল্লিতে নিঃশব্দে ঘুঁটি সাজিয়েছেন সেই সব কংগ্রেস নেতারা যারা তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলার পক্ষপাতী। লোকসভা ভোটে চরম তৃণমূল বিরোধিতার কারণে আসন সমঝোতা না হওয়ার জন্য প্রদেশ কংগ্রেসের যে শিবির ক্ষুব্ধ ছিল, তার অন্যতম মুখ ছিলেন শুভঙ্কর সরকার। এআইসিসি সদর দফতরে যে বৈঠকে গোলাম আহমেদ মীর অধীরকে প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি বলেছিলেন, সেই বৈঠকেই শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে শোনেন কেসি বেণুগোপাল এবং মীর। ফলে শুভঙ্করকে প্রদেশ সভাপতি করে তৃণমূলকে বার্তা পাঠানো হল বলেই মনে করছেন অনেকে।

আরও পড়ুন, রাজ্য প্রশাসনে আস্থা রাখার ফল, জমি ফেরত পাচ্ছেন সন্দেশখালীর বাসিন্দারা

সেভাবে প্রচারের আলোয় না এলেও, দীর্ঘ বছর ধরে নানা রাজ্যে কংগ্রেসের দায়িত্ব সামলেছেন শুভঙ্কর। ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট সর্বভারতীয় কংগ্রেস সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। এর আগে মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি ও মিজোরাম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির স্টেট ইনচার্জের দায়িত্ব সামলান। বরাবরই রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শুভঙ্কর। ওড়িশা-সহ একাধিক রাজ্যে এআইসিসি-র দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন দিল্লিতেও সংগঠনের কাজ করেছেন তিনি। এখন তাঁকে প্রদেশ সভাপতি করার পর এআইসিসি-র সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে মুক্ত করা হয়েছে। তবে এই রদবদলের মাঝে সব থেকে বড় প্রশ্ন হল, কংগ্রেস অধীরকে সরিয়ে শুভঙ্করকে আনলেও তৃণমূল কী রাজ্যে জমি ছাড়বে কংগ্রেসকে? দিল্লির কংগ্রেস নেতারা এটা অন্তত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছেন যে, বামেদের সঙ্গে চললে ২০২৬’র বিধানসভায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন সহজ হবে না। হয়তো প্রত্যাবর্তনই ঘটবে না। কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে কিছু আসনে অন্তত জয় নিশ্চিত হবে। শুভঙ্করের কাঁধে এখন সেই গুরু দায়িত্ব। যথাযথ ভাবে আসন সমঝোতা করে রাজ্য বিধানসভায় কংগ্রেসকে ফিরিয়ে আনা। সেই সঙ্গে রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে,’ স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে বললেন মমতা, ক্ষোভ পুলিশের ভূমিকায়

কালবৈশাখীর মধ্যেই ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের পাহারায় মমতা

এক্সিট পোল নয়, প্র‍্যাক্টিক্যাল পোলে বিশ্বাস করেন শুভেন্দু অধিকারী

তৃণমূলের EVM-বিকৃতির অভিযোগ খারিজ কমিশনের, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

মদের পেটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা, বাধা পেয়ে বেধড়ক মারধর, চাঞ্চল্য চুঁচুড়ায়

কার দখলে থাকবে বাংলা? সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যেই পূর্বাভাস দেবে ইভিএম

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ