আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ট্যাংরায় দে পরিবারের বাড়ির দরজায় ঋণের নোটিস, বিদ্যুৎবিল! কোথায় রয়েছে জীবিত কিশোর?

নিজস্ব প্রতিনিধি: ট্যাংরার চিত্তনিবাস। চারতলার বাড়িটি একসময় মানুষের শব্দে গমগম করত। দশ মাস আগেও সেখানে মানুষের হইহুল্লোড়, যাওয়া আসা, পুজো আর্চা সবই হত। কিন্তু সবটাই যেন থেমে গিয়েছে। কয়েক মাস আগের চিত্তনিবাস এখন খাঁ খাঁ করে। এই চিত্তনিবাসই হল ট্যাংরার দে পরিবারের বাড়ি। এই বাড়ি এখন পড়ে রয়েছে ফাঁকা। বাড়ির জানালার কালো কাচে ধুলোর আস্তরণ পড়েছে। দরজার ফাঁকে জমেছে বিদ্যুতের বিল আর ঋণের নোটিস। কিন্তু কেউ নেওয়ার নেই।

চলতি বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ট্যাংরাতে পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনা গোটা কলকাতাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ওই একই দিনে বাইপাসের ওপরে পথ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন পরিবারের আরও তিন সদস্য। তার মধ্যে ছিলেন বড় ছেলে প্রসূণ দে, ছোট ছেলে প্রণয় দে এবং বাড়ির নাবালক। তার পর থেকে বাইপাসের ধারে একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এই পুরো ঘটনার জন্য বাড়ির দুই ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নাবালক ছিল এক হোমে। পরে রোমির বাবা-মা তাকে হোম থেকে নিয়ে যান। আপাতত তাঁদের কাছেই থাকছে কিশোর। নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছে সে। শুরু হয়েছে নতুন জীবন। বাড়ির বড়ছেলে প্রণয় দে-র স্ত্রী সুদেষ্ণা দে, ছোটছেলে প্রসূন দে-র স্ত্রী রোমি দে ও তাঁদের মেয়েকে খুন করা হয়েছিল। দুই বউয়ের গলা ও হাতের শিরা কাটা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। নাবালিকাকে খুন করা হয়েছিল খাবারে বিষ মিশিয়ে। নাবালিকার শরীরে আরও আঘাত ছিল।

এখন ওই বাড়ির অবস্থা দেখলে চেনাই যাচ্ছে না। বাইরে লাগানো তালায় জং ধরেছে। পালিশ করা কাঠের দরজায় সাঁটা রয়েছে দু’টি কাগজ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ইলেক্ট্রিকের লাইনও কেটে গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সাংবাদিকদের ভিড় জমে থাকত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়েছে সবটাই। এখন আর ওই বাড়ির দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

স্বামী রাজের হয়ে রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন শুভশ্রী

ঠনঠনিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তর কলকাতার রোড শোয়ে ঝড় তুললেন মোদি

পুলিশ আবাসনে বিনাঅনুমতিতে ভোটপ্রচার শুভেন্দুর, কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

বাংলায় নির্বাচনে বিজেপি হারলে নরেন্দ্র মোদিজি কি ইস্তফা দেবেন, প্রশ্ন কেজরিওয়ালের

‘বিজেপির মতো ভেদাভেদের রাজনীতি করি না’, সুর চড়ালেন মমতা

কাঁটাতারের যন্ত্রণায় জর্জরিত ‘চর মেঘনা’, ভোট আসতেই জবাব চাইছে গ্রামবাসীরা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ