চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কোচবিহারের তৃণমূল নেতার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধের হুমকি অনুমোদন করল না দল

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: লোকসভা ভোটের প্রচার চলাকালীন সময় উত্তরবঙ্গের(North Bengal) কোচবিহার জেলার(Coachbehar District) মাটি থেকে বিজেপির এক নেত্রী হুমকি দিয়েছিলেন, বিজেপি(BJP) বাংলার ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভান্ডার(Lakhir Bhandar) বন্ধ করে দেবে। আগামী দিনে বিজেপি বাংলার ক্ষমতায় আসবে কী আসবে না তা সময়ই বলে দেবে। তবে, কোচবিহার থেকে আর দিল্লি যাত্রার জন্য জনতার ছাড়পত্র পাননি নিশীথ প্রামাণিক। তিনি লোকসভা নির্বাচনে হেরেছেন তৃণমূলের প্রার্থী জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার কাছে। সেই কোচবিহারের মাটিতে দাঁড়িয়েই কিনা এক তৃণমূল নেতা হুমকি দিয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাওয়ার পরেও যারা লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে ভোট না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, তাদের মধ্যে কিছু নাম কেটে দেওয়া দরকার। সেই বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন জেলার দিনহাটা-২ ব্লকের তৃণমূল(TMC) সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য। শনিবার তিনি ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে সেই মন্তব্য করেন যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ও সংবাদমাধ্যমে ভাইরাল হতে বেশি সময় নেয়নি। কিন্তু এদিন জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দল এই মন্তব্য সমর্থন করে না।

গতকাল দীপকবাবুর বক্তব্যের যে সব ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ রাজ্য সরকারের সমস্ত সুবিধা পাওয়ার পরেও যে সমস্ত জায়গায় লোকে তৃণমূলকে ভোট দেয়নি সেখানে কিছু লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অন্তত আমাদের কেটে দেওয়া দরকার। এটা বোঝানোর দরকার আছে, এই টাকাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছে, রাজ্য সরকার দিচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার দিচ্ছে। এটা নরেন্দ্র মোদীর বাবার টাকা নয়। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের টাকা। সেই টাকাটা আপনাদের দিচ্ছি এটা বুঝিয়ে দিতে হবে। ’ যদিও এদিন দীপকবাবু জানিয়েছেন, তার বক্তব্যকে বিকৃতভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, ‘দীপকবাবু যা দাবি করেছেন তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপদজনক। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হোক বা যেকোন প্রকল্পই হোক বা অন্য কোনও প্রকল্প, সবই চলে করদাতার টাকায়। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও পৈত্রিক টাকা নয়। করের টাকায় প্রকল্প চালিয়ে ভোট চাইতে পারে একমাত্র তৃণমূলই। উলটে তারা আবার বৈষম্য করার হুমকি দিচ্ছে।’ এই বক্তব্য, কোচবিহার জেলা বিজেপির সম্পাদক বিরাজ বোসের।

প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম দিকে সাধারণ শ্রেণীর মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মহিলাদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হতো। বর্তমানে টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করে করা হয়েছে যথাক্রমে ১০০০ টাকা ও ১২০০ টাকা। আর এই ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ই বাংলার রাজনীতির একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। ভোট বিশ্লেষকদের পাশাপাশি সমীক্ষকদের দাবি, লোকসভা নির্বাচনে বাংলার বুকে তৃণমূলের জয়ের নেপথ্যে বড় ভূমিকা নিয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার। মহিলা ভোট গিয়েছে তৃণমূলের দিকেই। বিজেপির সেই ভোট ব্যাঙ্কের সিকি ভাগও পায়নি। এদিন দীপকবাবুর বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানিয়েছেন দল যে এধরনের মন্তব্যকে কখনই সমর্থন করে না। কারোর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হবে না।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ক্ষমতায় এলে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের লাথি মেরে তাড়ানোর হুমকি হেমন্তের

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌মথুরাপুরকে আলাদা মহকুমা করা হবে’‌, রায়দিঘি থেকে বড় আশ্বাস অভিষেকের

ডুয়ার্সের মাল বিধানসভা কেন্দ্রে জোরকদমে নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী

ডিলিট নাম ভোটার লিস্টে তুলে দেওয়ার অছিলায়, সোনার বালা নিয়ে চম্পট শান্তিপুরে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ