একের পর এক মন্ত্রী পিছিয়ে নিজ নিজ এলাকাতেই, ভাবাচ্ছে তৃণমূলকে

রাজ্যের শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী নিজ নিজ এলাকায় পিছিয়ে পড়েছেন। দলকে তাঁরা লিড দিতে পারেননি এই নির্বাচনে। পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোট মিটতেই রাজ্যের প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্র ধরে ধরে ফলাফলের ময়নাতদন্ত করতে বসেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। আর তাতেই দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের একের পর এক মন্ত্রী নিজ নিজ বিধানসভা কেন্দ্রে হোক কী শহরে বা ওয়ার্ডে পিছিয়ে পড়েছেন বিরোধীদের থেকে। অর্থাৎ ওই সব এলাকায় তৃণমূল কম ভোট পেয়েছে বিরোধীদের থেকে। কেন এই ঘটনা ঘটল সেটাই এখন ভাবাচ্ছে জোড়াফুল শিবিরকে। তবে বিষয়টি নিয়ে সেভাবে উদ্বিগ্ন নয় তৃণমূল। কেননা ২০১৯ সালের ভোটেও দেখা গিয়েছিল, রাজ্যের শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়কেরা নিজ নিজ এলাকায় পিছিয়ে পড়েছেন। পরে একুশের ভোটেই কিন্তু তাঁরা ফের সেই সব এলাকায় লিড তুলেছেন বা জিতে এসেছেন। তবে একদম হাত গুটিয়ে থাকার পথেও হাঁটা দিচ্ছে না তৃণমূল। বরঞ্চ ২৬’র ভোটের কথা মাথায় রেখেই এখন থেকেই খামতি পূরণের পথে হাঁটছে জোড়াফুল।

কোন কোন মন্ত্রীর এলাকায় পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল? জানা গিয়েছে, মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী বিধায়ক তাজমুল হোসেন রাজ্যের ক্ষুদ্র, মাঝারি উদ্যোগ ও বস্ত্র এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর এলাকায় পিছিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। এই জেলারই মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন(Sabina Yasmin) সেচ এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর এলাকাতেও পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের সত্যজিৎ বর্মন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। তাঁর এলাকাতেও পিছিয়ে পড়েছে জোড়াফুল। পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরির(Akhil Giri) এলাকাতেই পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। এই জেলারই রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরীর বিধানসভা এলাকা পূর্ব পাঁশকুড়ায় পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল।

নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং জৈব-প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের কেন্দ্রেও পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। আবার রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা ঝাড়গ্রাম শহরে তাঁর নিজের ওয়ার্ডে দলকে লিড দিতে পারেননি। রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু(Sujit Basu) তাঁর নিজ বিধানসভা কেন্দ্র বিধাননগরে দলকে লিড দিতে পারেননি। কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্রে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী শশী পাঁজাও(Sashi Panja) দলকে লিড দিতে পারেননি। আর এই সব দেখে কোনও মন্ত্রী বলছেন, বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে ভোটাররা আলাদা আলাদা ইস্যুতে প্রভাবিত হন। ভোটবাক্সে তা প্রতিফলিত হয়। আবার কেউ বলছেন তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে কংগ্রেস থাবা বসানোর কারণেই এই ফল। কেউ আবার বলছেন, দেখতে হবে কেন এটা হলো।

গর্ভাবস্থায় মাছ খেলেই কমতে পারে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশনের ঝুঁকি

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপে বাড়ির জানলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা বিজ্ঞানীর

স্ট্রোকের হাত থেকে প্রিয়জনকে বাঁচাতে চান? এই লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন

তিন বন্ধুকে দিয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করাল পাষণ্ড স্বামী, হাড়হিম ঘটনা হায়দরাবাদে

হাতে সময় কম? সকালে চটজলদি বানিয়ে ফেলুন প্রোটিন সমৃদ্ধ ছোলার স্যান্ডউইচ

সৌদি আরবে রক্ষা মন্ত্রকের কার্যালয়ে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের

ভারত-সহ ২৯ দেশের নাগরিকদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছে রাশিয়া, বিস্ফোরক তথ্য রাষ্ট্রপুঞ্জের তদন্ত কমিশনের

‘এমন বন্ধু আর কে আছে’.. বিধানসভায় দেখা হতেই কোলাকুলি কুণাল-সন্দীপনের

‘ইন্দিরাজির মৃত্যুর পরে রাজীবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার তীব্র বিরোধী ছিলাম’, স্মৃতিচারণ সোনিয়ার

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে চমক, আসছেন রজনীকান্ত-প্রভাস

১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে বিক্ষোভ সমাবেশের জন্য কংগ্রেসকে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, কৈখালির Haldiram’s বন্ধের নির্দেশ খাদ্য সুরক্ষা দফতরের

উত্তাল সমুদ্র, মন্দারমণিতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত পর্যটক

প্রি-ওয়েডিং শুটে যাওয়ার পথেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ৩