চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হায় জন্মাষ্টমী, রামের পর এবার ‘হাইজ্যাক’ কৃষ্ণ, সত্যিই সঙ্কটে বাঙালি হিন্দু

নিজস্ব প্রতিনিধি: হিন্দু তো সভ্যতা। ধর্ম মানে ধারণ। এক আলোচনা প্রসঙ্গে কেউ একজন বলেছিল, ‘ধর্মকে নিয়ে কেন বিভাজনের রাজনীতি হয় জানি না। ধর্ম তো জীবনযাপনের একটা রাস্তা।। ধরা যাক, তার নাম মাধবীলতা। সে কথা অন্য। তবে সত্যি ধর্ম আর সভ্যতা নেই। সেই জীবনের রাস্তা ক্রমশ হয়ে উঠছে শুধুমাত্র রাজনীতির রাস্তা। রাম ইস্যুতে ‘মন্দির ওহি বনেগা’ হয়ে গিয়েছে। কালী ইস্যুতেও ‘ঠিক জমল না’র পর এবারে ধর্মের ধ্বজাধারীদের নজর কৃষ্ণের ওপর। আপাতত হাইজ্যাক নীতিতেই ‘রাজ্য দখল’ চলছে। একদিকে হাইজ্যাক হচ্ছে বিরোধী নেতা- বিধায়ক- সাংসদ- মন্ত্রী। অন্যদিকে নজর দেব-দেবীতেও। এভাবেই চলছে ‘গো- বলয়’ আদর্শে দেশ ‘দখল’- এর চেষ্টা। এখানে ভারত মাতা হয়ে যান ‘গেরুয়া ধ্বজাধারী’।

বাঙালির কাছে ধর্ম আজও অনেক বেশি ‘সাহিত্য’। বিশ্বাসে দেব-দেবী হয়ে ওঠেন ঘরের একজন। তাঁর আরাধনা হয় ঘরের সন্তানের মতো। আর কৃষ্ণকে ‘গোপাল’ রূপে আগলে রাখা বা ‘প্রেমিক- দেবতা’ জ্ঞানে যাপন যেন ‘অধিকার’। তাঁর ‘বংশীধারী’ (KRISHNA) রূপকে যুগযুগ ধরে পুজো করে মুগ্ধ-ভক্ত-আকুল বঙ্গবাসী। কিন্তু ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ টাইপ কৃষ্ণ না পসন্দ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। অমন ‘প্রেমিক’ হওয়া চলবে না। তাঁকে হতে হবে ‘অস্ত্রধারী’। কৃষ্ণ যে প্রেমিক, রাজনীতিবিদ, বীর যোদ্ধা, সু- শাসক তা অজানা নেই কারও। ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী দেবতা বলুন বা সাহিত্যের চরিত্র, সকলেই জানেন ‘কৃষ্ণ কেমন’। তবু বাংলার মানুষ ঘরের সন্তানের মত- আপনজনের মত ‘নরমকৃষ্ণ’ কেই আগলে রেখেছে। আর সেইদিনেরই বদল চায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

বাঙালির বুড়ো শিব/ আদি শিব,  গ্রাম বাংলার ভঁড়িওয়ালা আমুদে শিব উত্তরপ্রদেশের পেশীবহুল রুদ্র। শিব বলতে মনে পড়ল। হিন্দি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে গ্রাম বাংলার আর উত্তরপ্রদেশের শিবের বর্ণনা দিয়ে ও তা এঁকে ধর্মের পঙ্গপালদের রক্তচক্ষুর শিকার হতে হয়েছিল শিল্পী তৌসিফ হককে। আমি আবার শিবেও দেখি ‘প্রেমিক’। সে যাক গে, আগামী শিবরাত্রি, নীলপুজো, শ্রাবণীর আগে সাবধান! এভাবেই গোবলয়ের আগ্রাসনে আসবে এক এক দেবদেবী? ভুলিয়ে দিতে চাওয়ার চেষ্টা করা হবে বাঙালির ‘আপনভাব’?    

আসলে হিন্দু ধর্মে আরাধনার পথ একাধিক। দেবী কালিকা বিতর্কে ‘হিন্দু’দের মন জয় করতে চেয়েছিল ধর্মের স্বঘোষিত ধ্বজাধারীরা।তবে ‘শাক্ত’তে তেমন প্রভাব পড়ল না। এবার নজরে ‘শান্তির বৈষ্ণব’।

ও ভুলে গিয়েছিলাম, ২০২৩ সালের মাঘমেলায় আত্মপ্রকাশ করছে ‘হিন্দু রাষ্ট্র সংবিধান’। ধন্য ধর্মের রাজনীতি। ভজন-বিশ্বাস-ভক্তি-সাহিত্য যাক রসাতলে! বাকি আছে কিছু?

Published by:

Share Link:

More Releted News:

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট ১৪ মে

নির্বাচন কমিশনের মোটরবাইক নিষেধাজ্ঞা, চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের

ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলাকা ছাড়তে পারবেন না প্রার্থীরা, নির্দেশ কমিশনের

নন্দীগ্রামে গুন্ডামি আধা সেনার জওয়ানদের, বেছে বেছে বিজেপি বিরোধীদের উপরে হামলা

রেখা পাত্রের সমর্থনে বিজেপি নেতার বিতর্কিত মন্তব্য, টাকা বিলির অভিযোগে আটক ২

তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে ‘সিপিএম’ বুদ্ধদেব, ভোটারদের কী বলছেন?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ