আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ডিন্ডাও কী এবার তৃণমূলের পথে, ছড়ালো জল্পনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গ রাজনীতিতে কী আবারও জার্সি বদলের ঘটনা ঘটতে দেখা যাবে খুব দ্রুত? এই প্রশ্নটা উঠে গেলে এক ক্রিকেটার বিধায়কের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে। তিনি নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারের শেষ পথে বাংলা(Bengal) ছেড়ে গোয়া চলে গিয়েছিলেন। এখন তাঁকেই বড় দায়িত্ব দিতে চাইছে বাংলার ক্রিকেট সংস্থা CAB। রাজ্যের জেলা থেকে ক্রিকেটার তুলে আনার জন্য ‘Vission 2020’ নামে যে প্রকল্প শুরু হয়েছে বাংলাতে, তার বোলিং কোচ হওয়ার অফার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আর সেই সূত্রেই মনে করা হচ্ছে CAB’র অফার উপলক্ষ্য মাত্র। আদতে তাঁকে তৃণমূলে(TMC) টেনে আনা হচ্ছে। তিনি অশোক ডিন্ডা(Ashoke Dinda)। দীর্ঘ দিন বাংলার বোলিং আক্রমণকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। মহম্মদ শামি এবং ডিন্ডার জুটি ত্রাস হয়ে উঠেছিল ঘরোয়া ক্রিকেটে। ভারতের জার্সিও পরেছেন ডিন্ডা। আবার রাজনীতির জগতে পা রেখে তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর(Shuvendu Adhikari) আস্থাভাজন হয়ে উঠতে বেশি দিন সময় নেননি। আবার একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থেকে জয়ী হয়ে বিজেপির বিধায়কও(BJP MLA) হয়ে গিয়েছেন। এবার তাঁকে ঘিরেই জল্পনা ছড়ালো বাংলার ক্রীড়ামহলের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও।

আরও পড়ুন Dental College-এ ভর্তির নাম করে ১৬ লক্ষ টাকার প্রতারণা

লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তিওয়ারি আর অশোক ডিন্ডা একসময় বাংলার জন্য খেলেছেন একসঙ্গে। সেই হিসাবে তাঁরা একসময়ের তিন সতীর্থ। রাজনীতির ময়দানে তাঁরা অবশ্য আলাদা আলাদা। লক্ষ্মীরতন শুক্লা(Laxhmi Ratan Shukla) তৃণমূলের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু রাজনীতি থেকে সরে এসে তিনি আবার বাইশ গজেই মন দিয়েছেন। হয়েছেন বাংলার কোচ। মনোজ(Manoj Tiwari) তৃণমূলের বিধায়ক ও বাংলার ক্রিকেট দলের অধিনায়ক। শোনা যাচ্ছে এই দুইজনই ডিন্ডাকে বাংলার মাঠে ফেরাচ্ছেন। সূত্রের দাবি, শুধু মাঠে ফেরানোই নয়, ডিন্ডার নৌকাকে তৃণমূলে ভেড়ানোর দায়িত্বও নিয়েছেন লক্ষ্মীরতন ও মনোজ। এবারের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে উঠেছিল বাংলা যে দলের অধিনায়ক মনোজ। সেই ম্যাস দেখতে গোয়া থেকে কলকাতায় এসেছিলেন ডিন্ডা। সেখানেই মনোজের সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক কথাবার্তা হয় বলে সূত্রে জানা গিয়েছে। কথা হয় লক্ষ্মীরতনের সঙ্গেও। ক্রিকেট মাঠে ফেরার সুযোগ পেলে তিনি পুরো সময় দেওয়ার জন্য তৈরি বলেই ডিন্ডা তাঁদের জানান। সেই সূত্রেই মনোজ ও লক্ষ্মীরতন কথা বলেন CAB’র সঙ্গেও।

আরও পড়ুন বাংলা থেকে বেমালুম গায়েব ১,২৬৬টি রাস্তা, অবাক নবান্ন

CAB’র সঙ্গে রাজ্য সরকারের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। রাজ্য সরকার এই ক্রীড়া সংস্থার নিয়ন্ত্রকও নয়। তাঁদের নীতি নির্ধারণও করে না। কিন্তু ক্রিকেট প্রশাসন ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিমাত্রই জানেন রাজ্য সরকারকে উপেক্ষে করে চলা CAB’র পক্ষে কার্যত অসম্ভব। CAB’র নানা নির্বাচনে রাজ্যের শাসক দলের ভূমিকা অন্বসীকার্য হয়ে ওঠে। বাম জমানাতেও এই ছবি ছিল, তৃণমূল জমানাতেও আছে। আগামী দিনেও থাকবে। আর তাই ডিন্ডার বাংলার মাঠে ফেরার সম্ভাবনাকে এখন অনেকেই মনে করছেন কার্যত তাঁকে বিজেপি আগল থেকে বের করে এনে তৃণমূলের ঘেরাটোপে পোড়ার খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের দাবি, CAB’র অফারের পাশাপাশি বেসরকারি ভাবে ডিন্ডাকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার অফারও দেওয়া হয়েছে।অযদিও ডিন্ডা এখনও সেই নিয়ে কোনও জবাব দেননি। আবার নাকচও করে দেননি। তৃণমূলের অঘোষিত মূল লক্ষ্য বিজেপির বিধায়কদের নিজেদের দিকে টেনে এনে তাঁদের কাছ থেকে বিরোধী দলের তকমাটা কেড়ে নেওয়া। একই সঙ্গে শুভেন্দুর কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার তকমাটাও কেড়ে নেওয়া। সেই লক্ষ্যে বিজেপি বিধায়কদের নিজের দিকে টেনে আনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল, আর সেটাও বেশ সফলতার সঙ্গে। এখনই বিজেপির বিধায়ক সংখায় ৭০’র নীচে নেমে গিয়েছে। এবার সেই তালিকায় শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ডিন্ডাকে টেনে শিশিরপুত্রকে জোর ধাক্কা দিতে চাইছে তৃণমূল। দেখার বিষয় ডিন্ডা নিজে কী করেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

রবিবার স্ট্রং রুমে ইভিএম পাহারায় বিজেপির মহিলা বাহিনী অবস্থানে বসছে

মুখপাত্র থেকে একেবারে গণনা পর্যবেক্ষক, বাড়তি দায়িত্ব পেলেন প্রতীক উর রহমান

কালীঘাট থানার সাসপেন্ড হওয়া ওসি–সহ পুলিশ পর্যবেক্ষকদেরও হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

রাজীব কুমার থাকছেন বিশেষ দায়িত্বে, গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করলেন মমতা–অভিষেক

‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর অত্যাচার সহ্য করা দলীয় কর্মীদের পুরস্কৃত করা হবে,’ ঘোষণা মমতার

‘লোডশেডিং হতে পারে, গণনার সময়ে সতর্ক থাকবেন,’ কাউন্টিং এজেন্টদের বার্তা অভিষেকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ