চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বেআইনি নির্মাণ রুখতে KMC’র কড়া আইনের খসড়া গেল পুর-নগরোন্নয়ন দফতরে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: গার্ডেনরিচে বেআইনি বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনার(Gardenreach Building Collapse Incident) পর থেকেই কলকাতা পুরনিগম(KMC) কর্তৃপক্ষ শহরে বেআইনি নির্মাণ(Illegal Construction) রুখতে উঠেপড়ে লেগেছে। সেই সূত্রেই বেআইনি নির্মাণ রুখতে কড়া আইন আনার বিষয়ে মনস্থির করেছিলেন পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। নিয়মানুসারে রাজ্যে কোনও নতুন আইন আনতে হলে বা পুরনো আইন সংশোধন করতে গেলে রাজ্য বিধানসভায় বিল পাশ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে তাই কলকাতা পুরনিগমকে রাজ্যের পুর দফতর(Municipal Affairs and Urban Development Department) মারফত রাজ্য সরকারের কাছে বিল্ডিং বিভাগের আইন বদলের আবেদন জানাতে হবে। সেই নিয়ম মেনেই বেআইনি নির্মাণ রুখতে, কড়া আইন আনার ক্ষেত্রে, নতুন আইনের খসড়া কলকাতা পুরনিগম থেকে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে। গার্ডেনরিচ কাণ্ডের পরে খোদ রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim) পুরনিগমের আধিকারিকদের একটি কড়া আইন তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই প্রস্তাব মেনেই এই নতুন আইন তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন, নবান্ন অভিযানের দিন গণপরিবহণ সচল রাখতে বাড়তি উদ্যোগী পরিবহণ দফতর

গত মার্চ মাসে গার্ডেনরিচে বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনায় ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল কলকাতা পুরনিগমকে। কেননা, নির্মীয়মাণ বহুতল ভেঙে পড়ার সেই ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়। সেই সঙ্গে যেহেতু গার্ডেনরিচের ঘটনাটি ঘটেছিল মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিধানসভা কেন্দ্র কলকাতা বন্দর এলাকায়, তাই ঘটনার জেরে বেশ চাপে পড়েছিলেন ফিরহাদ নিজেও। তার পরেই শহরে বেআইনি নির্মাণ রুখতে কলকাতা পুরনিগমের বিল্ডিং বিভাগকে মেয়র কড়া আইন প্রণয়ন করতে বলেন। তারই খসড়া গিয়েছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে। গার্ডেনরিচের ঘটনার জেরে কলকাতা পুরনিগমের ৩জন পুর ইঞ্জিনিয়ারকে শোকজ করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় প্রোমোটার মহম্মদ ওয়াসিমকেও। কিন্তু ঘটনার পরে কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকদের দাবি, বর্তমান ব্যবস্থায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকলেও, তা যথেষ্ট ‘কড়া’ নয়। সেই সুযোগটাই কালে লাগান প্রোমোটাররা।

আরও পড়ুন, একদিকে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী, অন্যদিকে আবাসের দুর্নীতি, জোড়া অভিযোগে তপ্ত নন্দীগ্রাম

এখন কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকদের অভিমত, বেআইনি নির্মাণ প্রমাণিত হলে জমির মালিক ও প্রোমোটারের ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ডের বিধান থাকা উচিত। এমন আইন প্রয়োজন, যাতে অভিযুক্তেরা জামিন না পান। এমন সব কড়া বিষয় অন্তর্ভুক্ত হলেই এই ধরনের বেআইনি নির্মাণ করার সাহস পাবেন না কোনও প্রোমোটার। এমনকি, জমির মালিকেরাও প্রোমোটারদের বেআইনি নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে বলবেন। এখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জমির মালিক এবং প্রোমোটার পৃথক ব্যক্তি। তাই এমন আইন কার্যকর হলে উভয়েই যে কোনও নির্মাণের ক্ষেত্রে সাবধানি হবেন। প্রসঙ্গত, আইন দফতর মারফত বিধানসভায় বিল পাশ হলেই সেই আইন কার্যকর হবে। এ ক্ষেত্রে তাই কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নতুন আইনের খসড়া প্রথমে অনুমোদন দেবে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। সেই অনুমোদনের পর খসড়াটি যাবে আইন দফতরে। সেখানে বিল তৈরি হয়ে তা পেশ করা হবে বিধানসভায়। সেখানে পাশ হওয়ার পর তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য যাবে রাজভবনে। সেই বিলে রাজ্যপাল স্বাক্ষর করলেই তা আইনে পরিণত হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অফিস টাইমে ফের মেট্রো বিভ্রাট, চূড়ান্ত ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ