দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

নিম্ন জন্মহারের জেরে চিনে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একাধিক কিন্ডারগার্ডেন স্কুল

courtesy google

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চিনে নিম্ন জন্মহার হু হু করে বাড়ছে। তার জেরেই একের পর এক কিন্ডারগার্ডেন স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মাত্র এক বছরে দেশটিতে ১৪ হাজার ৮০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। জনসংখ্যা বাড়াতে উদ্বেগে রয়েছে চিন প্রশাসন। তবে শিশুদের সংখ্যা যেমন কমছে, তেমনি অন্যদিকে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বয়স্কদের সংখ্যা। যেসব কিন্ডারগার্ডেন বন্ধ হয়ে গেছে, সেসবের মধ্যে অনেকগুলোকে ইতিমধ্যেই বৃদ্ধ নিবাসে রূপান্তর করা হয়েছে।

এই নিয়ে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২২ সালে চিন জুড়ে যেখানে ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ২০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল ছিল, পরের বছর ২০২৩ সালে তা কমে গিয়ে নেমে এসেছে ২ লক্ষ ৭৪ হাজার ৪০০টিতে। অর্থাৎ মাত্র এক বছরে দেশটিতে ১৪ হাজার ৮০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, শতকরা হিসেবে এক বছরে চীনে ১ দশমিক ২ শতাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। আর এই সময়সীমায় চিনে কিন্ডারগার্টেন গামী শিশু শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

নিম্ন জন্মহার নিয়ে দেশটির জনসংখ্যাবিদ হে ইয়াফু জানান, ‘শিশুদের সংখ্যা কমতে থাকলে কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমবে, এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনো ইতিবাচক ব্যাপার নয়। আমার মতে, শিশুদের কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ভর্তির বয়সসীমা কমিয়ে ৩ বছর করে দেওয়া উচিত।’

আরও পড়ুন : হু হু করে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ, বাধ্য হয়ে পেশা বদলাচ্ছে বহু শিল্পী

সম্প্রতি বছর গুলোতে কয়েক বছর ধরেই চিনে জন্মহার কমে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে চিনে জন্ম নিয়েছে মাত্র ৯০ লক্ষ শিশু। ১৯৪৯ সালের পর এই প্রথম এক বছরে এত কম সংখ্যক শিশুর জন্ম দেখেছে দেশটি। দেশটির জনসংখ্যা গবেষকদের মতে, এই মুহূর্তে চিনের জন্মহার হওয়া উচিত ২ দশমিক ১, কিন্তু গত বছর জন্মহার ছিল ১-এর চেয়েও কম।

শুধু তাই নয়, দেশটিতে বিয়ে করার সংখ্যাও কমতে শুরু করেছে। দেশটির পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য মতে, চলতি ২০২৪ সালের প্রথম ৬ মাসে চিনে বিয়ে করেছেন ৩০ লক্ষ ৪৩ হাজার যুগল। আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসের থেকে এই সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৮ হাজারের কম।

উল্লেখ্য, চিন ছিল বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ। এমনকি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে দেশটিতে ক্ষমতাসীন সরকার এক সন্তান নীতিও গ্রহণ করেছিল।কিন্তু কঠোরভাবে এই নীতি মেনে চলতে থাকায় ২০১০ সাল থেকে দেশটির জন্মাহার হ্রাস পেতে শুরু করে। এই সংকট কাটাতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিলও করেছিল চিন সরকার। তবে তাতেও বিশেষ কিছু লাভ হয় নি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

অন্ত্রাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত নেতানিয়াহু, মারণ ব্যাধিতে আক্রান্তের কথা প্রকাশ্যে আনলেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

শুধু ইরান নয়, ভারতেও একটি অভিযান চালানো শুরু করেছে ইজরায়েল

হরমুজ থেকে মাইন অপসারণ অভিযানে গিয়ে বানরের আক্রমণের শিকার মার্কিন সেনা

আমেরিকার বিমানঘাঁটিতে ভয়াবহ টর্নেডো, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

হরমুজ পেরাতে ‘বন্ধু দেশ’দের দিতে হবে না কর! বড় ঘোষণা ইরানের, তালিকায় রয়েছে ভারত?

চা-কফি বাদ, মেকআপে শুধুই সানস্ক্রিন, সুতির শাড়ি-চুড়িদার পরেই প্রচারে ঝড় তুলছেন লাভলি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ