আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আটকে রেখে লাগাতার গণধর্ষণ, বর্বরদের পাশবিকতায় মানসিক ভারসাম্য হারাল দশম শ্রেণির ছাত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: মহিলাদের সম্মান হারানোর বধ্যভূমি হয়ে উঠেছে মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের জমানার বাংলাদেশ। দিদির শ্বশুরের পাশবিক ধর্ষণে মাগুরার আট বছরের ছোট শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ক্ষত মুছতে না মুছতে আরও এক ভয়াবহ ঘটনার কথা সামনে এসেছে। এবার ঢাকার কাছে মানিকগঞ্জের শিবালয়ে আটকে রেখে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে  লাগাতার গণধর্ষণ করেছে দুষ্কৃতীরা। আর বর্বরদের ওই পাশবিকতায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে ১৮ বছর বয়সী ছাত্রীটি। আপাতত জেলা সদর হাসপাতালে চিকি‍ৎসাধীন রয়েছে ধর্ষিতা ছাত্রী। কিন্তু শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় চিকি‍ৎসকরা নির্যাতিতাকে ঢাকার জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, ‘আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ ও ভয় দেখানোর কারণেই নির্যাতিতা কিসোরী মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেছে।’ স্বাধীনতা দিবসের মুখে ওই নারকীয় ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ফের ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় একটি মাধ্যমিকে বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত নির্যাতিতা। স্কুলেএ যাতায়াতের পথে মেয়েটিকে উত্যক্ত করত স্থানীয় যুবক হৃদয় হোসেন। বিষয়টি বাড়িতে নিজের দাদাকে জানায় নির্যাতিতা। বোনের কাছ থেকে ওই কথা জানতে পেরে হৃদয়ের বড় দুই ভাইকে জানান নির্যাতিতার দাদা। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। উল্টে গত ১৩ মার্চ রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নির্যাতিতা ঘরের বাইরে গেলে হৃদয় অজ্ঞান করার ওষুধ দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অজ্ঞাত স্থানের একটি কক্ষে আটকে রাখে। তার পর মেয়েটির গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণ করা হয় এবং মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই কক্ষ থেকে পালানোর চেষ্টা করলে হত্যা করে লাশ গুম এবং ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় হৃদয়। এভাবে প্রায় এক সপ্তাহ আটকে রেখে মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় হৃদয় ও তার দুই দাদা।

নির্যাতিতার আচমকা নিখোঁজের বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানানো হয়। যদিও পুলিশ কোনও গুরুত্ব দেয়নি। গত ১৯ মার্চ দুপুরে হৃদয়ের বড় ভাই জসিম নির্যাতিতার দাদাকে মোবাইল ফোনে কল করে বোনকে নিয়ে যেতে বলে। এর পর হৃদয়দের বাড়ি থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে মেয়েটিকে জেলা সদরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নির্যাতিতার পরিবার গণধর্ষণে জড়িত হৃদয় ও তার দুই দাদার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের সত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। শেষ পর্যন্ত গত রবিবার (২৩ মার্চ) জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবার।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

১০০ বছরের পুরনো মহাকাল মন্দিরে,চারিদিকে সবুজের সমাহার,নেই শহরের কর্মব্যস্ততা

৭১ বছর বয়সে নেট দুনিয়ার হিরো বনগাঁর আবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, নেটিজেনদের মন জয় ‘গান দাদু’র

সমুদ্রে ডাইভ করার সময় খেলেন কচ্ছপের ‘থাপ্পড়’! ভাইরাল ভিডিও দেখে হেসে লুটোপুটি নেটনাগরিকরা

একসময় ছিলেন NDA-র শিক্ষক, এখন মন্দিরে দিনযাপন! সময় বদলের নির্মম গল্প ভাইরাল

প্ল্যাটফর্মে ঘুমন্ত যাত্রীর পকেট থেকে চুপিসারে মোবাইল নিয়ে চম্পট, ক্যামেরায় ধরা পড়ল চোর!

‘কিং কোবরা’র সঙ্গে খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড় নেটদুনিয়া

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ