আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌মমতা ক্ষমতায় এলেই বাড়বে চা–শ্রমিকদের দৈনিক বেতন’‌, আলিপুরদুয়ারের সভায় ঘোষণা অভিষেকের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপি এখানে বারবার জিতেছে। কিন্তু মানুষের কথা মনে রাখেনি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এই আলিপুরদুয়ারে হেরেছে। তারপরও উন্নয়ন থেমে থাকেনি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় হেরেছিল। তাই মানুষের হকের টাকা বন্ধ করে দিয়েছিল। এটাই বিজেপির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থক্য। তাই এবার নিজেদের অধিকার বুঝে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনেই তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতাতে হবে। চা–শ্রমিকদের কাছ থেকে আজ অভিযোগ শুনলেন অভিষেক। তাঁদের স্বাস্থ্য পরিষেবার সমস্যা শোনেন। ‘বঞ্চিত’ চা–শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারগুলিকে যথাযথ পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন অভিষেক। সভা থেকে ভাষণ দিয়ে চলে যান নেতা–মন্ত্রীরা। কিন্তু শনিবার সেই চেনা ছক ভেঙে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণের প্রশ্ন শুনে দেন উত্তরও।

এদিকে চা–শ্রমিকদের মজুরি থেকে শুরু করে নানা সমস্যার কথা শোনেন অভিষেক। আর বিধানসভা নির্বাচন জিতে একমাসের মধ্যে সমাধান করবেন কথা দেন তৃণমূল সাংসদ। একজন চা–শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানান। আর জবাবে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ বলেন, ‘‌বিধানসভা নির্বাচনে জেতার এক মাসের মধ্যে চা বাগান মালিক, শ্রমিক এবং সরকারকে নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসা হবে। একইসঙ্গে ৩০০ টাকা করে মজুরিও হবে। কারণ ২৫০ টাকা মজুরি দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। আমি কথা দিচ্ছি আপনারা আগে বিজেপিকে শিক্ষা দিন। আলিপুরদুয়ারই হবে আমার প্রথম লক্ষ্য।’‌

অন্যদিকে চা বাগানের শ্রমিকদের পাট্টা নিয়ে একজন কথা বলতে চান। তাঁকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেন। আর সব শুনে অভিষেকের বক্তব্য, ‘‌চা বাগানের শ্রমিকদের পাট্টা ঠিকই মিলবে। হয়ত একটু দেরি হবে। কিন্তু ঠিকই হবে। একটা কথা মাথায় রাখুন, ২০১১ সালে আমাদের সরকার তৈরি হওয়ার পরে ৬৭ টাকা ছিল চা–শ্রমিকের দৈনিক পারিশ্রমিক। গত ১৪ বছরে বেড়ে ১৫০ টাকা হয়েছে। গত বছর যখন এসেছিলাম, ২৫০ টাকা হয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি, চতুর্থবার দিদির সরকার হলে আমার প্রথম দৃষ্টি থাকবে আলিপুরদুয়ার।’‌

এছাড়া একে একে অনেকের সমস্যার কথা শোনেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চা–শ্রমিকদের সমস্যার কথা, এসআইআর নিয়ে অনুসন্ধান, পাট্টা–সহ সব কিছু শুনে সমাধান জানান অভিষেক। কোনও কোনও সমস্যার কথা শুনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আর একটু সবুর করুন। সরকার বলেছে যখন করবেই। একতরফা বলে চলে যাব না। আপনারা প্রশ্ন করুন। আমি সীমিত সময়ের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করব। আমাদের ট্রেড ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রকৃত সমস্যা সমাধানের জন্য উত্থাপন করা হবে। আমাদের দায়িত্ব হল শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানো এবং যাদের সহায়তার প্রয়োজন তাদের সাহায্য করা।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কালীঘাট থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন

ভবানীপুরে শুভেন্দুর সভার মাইকের আওয়াজে নির্বাচনী জনসভা না করে ফিরে গেলেন ক্ষুব্ধ মমতা

বেলুড় বয়েজ হাই স্কুলের ডিসি সেন্টারে তুমুল উত্তেজনা, বিজেপি – তৃণমূল সংঘর্ষ

‘আইপ্যাকের লোকদের দেখলেই বেঁধে রাখুন’, কংগ্রেস কর্মীদের নিদান অধীরের

টার্গেট অভিষেক! দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই তিন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

রাজ্যে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯৩.১৯ শতাংশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ