মিরিকের পাশেই নতুন অফবিট ডেস্টিনেশন ‘বুংকুলুং’, রইল ভ্রমণের খুঁটিনাটি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায় না, কিন্তু তাতে কী! পাহাড়ের সারি, তার ফাঁকে ফাঁকে খরস্রোতা নদী, চারপাশে চা-বাগান আর ঘন অরণ্য মিলিয়ে এই জায়গার সৌন্দর্য কোনও অংশে কম নয়। কখনও কুয়াশার চাদর, কখনও মেঘের আনাগোনা, আবার কখনও ঝলমলে রোদ্দুর। এই রঙ বদলানো প্রকৃতির মাঝেই ভোরবেলা পাখির গানে ঘুম ভাঙে। উত্তরবঙ্গের এই ছোট্ট জায়গাটিতে বড় কোনও পর্যটন ভিড় নেই, আছে শুধু নিঃশব্দ প্রকৃতি আর মন ভোলানো দৃশ্য।

চা-বাগানের ঢাল বেয়ে নেমে গিয়েছে নদীর দিকে। সেই ঢালের পাশ দিয়েই আপন খেয়ালে বয়ে চলেছে এক সরু নদী মোরামো খোলা। এই খোলাই গিয়ে মিশেছে বালাসন নদীতে। দুই নদীর মিলনস্থল, দূরের নীল পাহাড় আর সবুজ চা-বাগানকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে ছবির মতো সুন্দর গ্রাম-বুংকুলুং। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মাত্র দু’ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই শান্ত ঠিকানায়। মিরিক যাওয়ার পথে ১০ নম্বর ফাটক থেকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা ধরে প্রায় ১০ কিলোমিটার গেলেই চোখে পড়বে এই অনন্য গ্রাম।

আরও পড়ুন: কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সাক্ষী রেখে সাত পাক! ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের জন্য তৈরি সরকারি ২০টি রিসর্ট

গোর্খা ও নিম্ন উপজাতিদের বসবাস বংকুলংয়ে। গ্রামে ঢোকার পথেই হঠাৎ দেখা মিলতে পারে ময়রের ঝাঁক কিংবা কালেজ ফ্লেজান্টের। চারপাশে ঘন জঙ্গল, দূরে বালাসন নদীর কলকল শব্দ আর পাহাড়ের ধাপে ধাপে সবুজ ধানের ক্ষেত-সব মিলিয়ে গ্রামটা পায়ে হেঁটেই অনায়াসে ঘুরে নেওয়া যায়।

ভোরবেলা বেরোলে অভিজ্ঞতাটা আরও আলাদা। অচেনা এই গ্রামের প্রতিটি বাঁকে অপেক্ষা করে চমক। গাছে গাছে ময়ূর, গ্রে ট্রিপাই, ব্লু হুইসলিং থ্রাশ, স্কারলেট মিনিভেট, গ্রিন ব্যাক টিট, স্কিমিটার ওয়ার্বলার, কালেজ ফ্লেজান্ট-পাখিপ্রেমীদের জন্য যেন স্বর্গ। লোহার ব্রিজের পাশ দিয়ে নেমে আসা বুংকুলুং ঝোরার জলধারা দেখেও মন ভরে না। ব্রিজ পেরিয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় গয়াবাড়িতে। উঁচু গাছের ছায়ায় গড়ে ওঠা গয়াবাড়ি চা-বাগানে সবুজের মখমলে কাজ করেন গ্রামের মেয়েরা, গুনগুন সুরে।

চা-বাগান পেরিয়ে বিশাল এক ব্রিজ-দু’পাশে গভীর অরণ্য, নীচে নামলেই চোখে পড়বে কুল কুল করে বয়ে চলা বালাসন নদী। নদীর দিকে তাকিয়ে থাকলে সময় যে কখন উধাও হয়ে যায়, তা বোঝাই যায় না। বুংকুলুং থেকে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় মিরিক ও সুমেন্দ্র লেকে। মুরমা খোলা চা-বাগান পেরিয়ে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হালকা ট্রেকও করা যায়। মহানন্দা অভয়ারণ্যের অন্দরমহলে হওয়ায় হরিণ, ময়র এমনকি ভালুকের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তবে অবশ্যই গাইড ছাড়া জঙ্গলে ঢোকা ঠিক নয়।

কীভাবে যাবেন ও কোথায় থাকবেন

নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে প্রথমে পৌঁছন মিরিক। সেখান থেকে ১০ নম্বর ফাটক হয়ে বুংকুলুং। এনজেপি থেকে দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার, গাড়ি ভাড়া আনুমানিক ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকার মধ্যে। থাকার জন্য রয়েছে আরামদায়ক বংকুলুং হোমস্টে। প্রকৃতির কোলে নিঃশব্দ এক রাত কাটানোর আদর্শ ঠিকানা।

সুপ্রিম ধাক্কা জ্যাকলিনের, ২০০ কোটির জালিয়াত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

‘তিলে তিলে মরবি, সুখী হবি না’, মেয়ের মৃত্যুর পর লাইভে এসে কাকে অভিশাপ দিলেন সায়নীর মা?

রাস্তার মাঝখানে হামাগুড়ি, মৃত্যুর মুখ থেকে শিশুকে ফিরিয়ে আনলেন বাসচালক

হরিদ্বারে ইমরান হাশমির শুটিং সেটে ঢুকে চরম হট্টগোল স্থানীয়দের, কারণ কী?

প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির পার্টি অফিসে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী!

একদিনের ক্রিকেটে ফের বিশ্বসেরা টিম ইন্ডিয়া

নাটক শেষ, রাজ্যসভার সাংসদ পদে এবার ইস্তফা কোয়েল মল্লিকের

ত্রিপুরায় মেডিকেল কলেজে তরুণীর রহস্যমৃত্যু, প্রেমে আঘাত নাকি মানসিক চাপ?

তৃণমূলে আরও এক উইকেটের পতন, মমতাকে ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে প্রসূন

‘অভিষেকের জন্যই দল শেষ হয়েছে,’ এবার বেসুরো কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপিতে যাওয়ার রাস্তা খুলতেই এবার রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা প্রকাশ চিক বরাইকের

রাতের খাবারে সুস্বাদু কিছু বানাতে চান? রেঁধে ফেলুন ‘ইফা চিকেন’

চায়ের সঙ্গে জমে যাবে আড্ডা, ঘরেই বানান স্প্রিং ওনিয়ন ভেজিটেবল কাটলেট

ডাবের শাঁস দিয়েই বানান জমজমাট মালাই কুলফি, রইল ৩ দুর্দান্ত রেসিপি