খোদ বিএলও-র নামই বাদ ভোটার তালিকা থেকে, চাঞ্চল্য মালদায়

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদা: মালদা জেলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর একাধিক ভোটারের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, যিনি গত কয়েক মাস ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনিউমারেশন ফর্ম সংগ্রহ করেছেন, তথ্য অনলাইনে আপলোড করেছেন এবং ভোটারদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনে সেগুলি সমাধানের চেষ্টা করেছেন-সেই বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওর নিজের নামই বাদ পড়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে। গাজোলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইলেকশন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।  

শুধু একজন নয়, চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় শুক্রবার মালদার বহু মানুষ জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভিড় করেন। জীবিত থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে যাওয়ার প্রতিবাদে অনেকেই নিজেদের ‘ভূত’ বলে কটাক্ষ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্নায় বসেন। অনেকে আবার নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ফর্ম-৬ জমা দেন।

আরও পড়ুন: ‘‌গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল হবে’‌, ধর্নামঞ্চ থেকে নির্দেশ মমতার

ইংরেজবাজার শহর থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরের ঝলঝলিয়া এলাকা থেকে ৬৫ বছর বয়সি ভবিয়া মণ্ডল এদিন জেলা প্রশাসনিক ভবনে আসেন। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে ভোট দিয়ে আসলেও এবার চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম নেই। ভবিয়া মণ্ডল বলেন, “এতদিন নিয়মিত ভোট দিয়েছি। স্বামী মারা গেছেন, ছেলেরাও বাইরে থাকে। জীবনের শেষ বয়সে এসে দেখি ভোটার তালিকাতেই আমার নাম নেই। বেঁচে থেকেও যেন ভূত হয়ে গেলাম। তাই আবার নতুন করে কাগজপত্র জমা দিতে হলো।”

তাঁর মতোই নাম বাদ পড়া আরও অনেক মানুষ যেমন কাজল মণ্ডল, মাধবী হাঁসদা এবং মিনতি মণ্ডল এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে হাজির হন। তাঁদের বক্তব্য, জীবিত থাকার প্রমাণপত্রসহ নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানাতেই তাঁরা এসেছেন।

এদিকে গাজোলের সুকান্তপল্লি এলাকার ১৫২ নম্বর বুথের ভোটার এবং পেশায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মানিক কুণ্ডুও একই সমস্যার মুখে পড়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নিজের নামই নেই। মানিক কুণ্ডু বলেন, “আমি একজন সরকারি কর্মী। আমার নাম বাদ পড়েছে, অথচ আমার বাবা-মা এবং ভাইয়ের নাম তালিকায় রয়েছে। বিষয়টি খুবই বিস্ময়কর। ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনও সমাধান পাইনি। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।”

এই প্রসঙ্গে মালদার জেলাশাসক প্রীতি গোয়েলের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে একই জেলার অন্য একটি ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধনের ইতিবাচক দিকও সামনে এসেছে। হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার মশালদহ এলাকার ব্যবসায়ী মোহন মুসদ্দি জানান, তাঁর বাবার নাম এতদিন ভোটার তালিকায় নন্দলাল আগারওয়ালা হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। কিন্তু তাঁদের আসল পদবি ছিল মুসদ্দি। সরকারি রেশন দোকানের লাইসেন্স আগারওয়ালা নামে থাকায় এতদিন তা পরিবর্তন করা হয়নি। পরবর্তীতে সব নথি জমা দিয়ে সংশোধনের আবেদন করার পর সেই আবেদন গৃহীত হয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁর বাবার নাম সঠিক পদবিসহ সংশোধিত হয়েছে। মোহন মুসদ্দি বলেন, “নতুন করে নথি জমা দেওয়ার পর সমস্যার সমাধান হয়েছে। এলাকার বিএলও আমাদের পদবির ভুল সংশোধন করে দিয়েছেন।”

আর জি কর কাণ্ড: ‘তদন্তের অগ্রগতি হয়নি,’ সিবিআই-য়ের উপর ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট

রেজিস্টার খাতা থেকে বেপাত্তা শ্রমিকদের নাম! তারাতলা কাণ্ডের তদন্তে নেমে তাজ্জব সিটের সদস্যরা

ভেনিজুয়েলায় ঘড়ির কাটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

‘কাটমানি’র অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে জুতোর মালা পরিয়ে বিক্ষোভ

বুধে তারাতলার অভিশপ্ত এলাকায় জল দিতে যাননি, বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন নীলা দেবী

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে ইনস্টায় বায়ো পরিবর্তন শ্রেয়সের, দিলেন কোন বার্তা?

নাকাশিপাড়ায় জমি ও গাছ চুরির অভিযোগ খোদ সাংসদের বিরুদ্ধে

সিলিং ফ্যানের সাহায্যে আইসক্রিম তৈরি করে তাক লাগালেন গুজরাতি তরুণী, দেখুন ভিডিও

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

তারাতলা দুর্ঘটনায় মৃত-আহতদের পরিবারের পাশে কেন্দ্র, আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

কলকাতা হাইকোর্টে দৌড়েও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের আপ্তসহায়ক

মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ IAS কৃষ্ণ গুপ্তা