আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘জিনা মুশকিল কর দিয়া’, আত্মঘাতী হওয়ার আগে ফোনে বাবাকে বলেছিলেন বিচারক

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  রাজধানীর অভিজাত এলাকা সফদরজং এনক্লেভের বাড়ির বন্ধ শৌচালয়ের ভিতর থেকেই শনিবার (২ মে) দুপুরে উদ্ধার হয়েছিল আমন কুমার শর্মা নামে এক বিচারকের ঝুলন্ত দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই বিচারক। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আত্মঘাতী হওয়ার আগের রাতেই অর্থা‍ৎ শুক্রবার (১ মে) বাবাকে ফোন করে আমন জানিয়েছিলেন, ‘তাঁর বেঁচে থাকা মুশকিল করে দিয়েছে স্ত্রী।’ তখনই ছেলেকে মাথা ঠান্ডা করে সব প্রতিকুলতার সঙ্গে লড়াই করার পরামর্শ দিয়েছিলেন আমনের বাবা। শুধু তাই নয়, ছেলের মুখে ওই কথা শুনে রাতেই রাজস্থানের আলোয়ার থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। রাত বারোটা নাগাদ পৌঁছেছিলেন ছেলের কাছে।

পুণের সিম্বোসিস ল কলেজ থেকে ২০১৮ সালে আইনে স্নাতক হওয়ার পরে ২০২১ সালে দিল্লি সরকারের জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন বিচারক আমন কুমার শর্মা। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে প্রচুর ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা শুনেছেন। গত বছরের ২৫ অক্টোবর জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব পদে যোগ দেন।

দিল্লি পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘এদিন দুপুর পৌনে দুটো নাগাদ সফদরজং এনক্লেভের বাসিন্দাহবিচারক আমন কুমার শর্মার ভাই ফোন করে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে জানান, বাড়ির শৌচালয়ের মধ্যেই তাঁর ভাই আত্মঘাতী হয়েছেন। ওই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। শৌচালয়ের বাইরে থাকা কাচ ভেঙে ভিতরে ঢুকে বিচারকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকি‍ৎসকরা জানিয়ে দেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই বিচারক আমন কুমার শর্মা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।’ প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ আধিকারিকদের অনুমান, আত্মহত্যাই করেছেন তিনি। তবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে বিচারক আমন কুমারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃতের পরিবার-পরিজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মাস দুয়েক ধরে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছিল আত্মঘাতী বিচারক আমন কুমার শর্মার। তাঁর স্ত্রীও বিচারবিভাগের সঙ্গে জড়িত। শ্যালিকা একজন আমলা এবং জম্মু-কাশ্মীরে কর্মরত। পুরো বাড়ির নিয়ন্ত্রণই নিজের হাতে নিয়েছিলেন আমনের স্ত্রী। শুক্রবার রাতেও বৌমার সঙ্গে ছেলের ঝগড়া মেটানোর চেষ্টা চালিয়েছিলেন আমনের বাবা। কিন্তু লাভ হয়নি। উল্টে শ্বশুরকে হুমকি দিয়ে আমনের স্ত্রী বলেছিলেন, ‘অবিলম্বে ঘর না ছাড়লে পুলিশ ডেকে তাঁকে হাজতবাস করাবেন।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বাড়ির শৌচালয় থেকে বিচারকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, ভয়ঙ্কর ঘটনা দিল্লিতে

ছত্তিশগড়ের কাঙ্কেরে মাইন নিস্ক্রিয় করতে গিয়ে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন চার নিরাপত্তারক্ষী

পর্যটকদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত লক্ষদ্বীপ প্রশাসনের, ঢুকতে প্রয়োজন হবে না পুলিশি ছাড়পত্রের

দামি গাড়ি, মুম্বইতে 3BHK-5BHK ফ্ল্যাট, মডেলদের এই বিলাসিতার আসল রহস্য জানেন?

ই–ফার্মেসির প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক, ১২ লক্ষাধিক ওষুধের দোকান বন্ধের সম্ভাবনা

ডিগবাজি খেয়ে গিয়েছিলেন বিজেপিতে, এবার গ্রেফতারির মুখে রাজ্যসভার সাংসদ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ