বাড়ি লিখে দিতেই মায়ের মাথার ছাদ কেড়ে নিল স্বার্থপর মেয়ে, সাহায্য করল না ছেলেরাও

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবিবাহিত মেয়ের মুখে হাসি ফোটাতে ও তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নিজের কথা ভাবেননি মা। কোনও কিছু না ভেবেই নিজের মাথার ছাদটুকুও লিখে দিয়েছিলেন বৃদ্ধা। ভেবেছিলেন, যে মেয়েকে এত যত্নে বড় করেছেন, জীবনের শেষ বয়সে সেই মেয়েই আগলে রাখবে তাঁকে। কিন্তু সেই বিশ্বাসের এমন পরিণতি হবে, তা কখনও কল্পনাও করেননি। অভিযোগ, বাড়ির মালিকানা হাতে পেয়েই মাকে ঘরছাড়া করেন মেয়ে। অসহায় মা এরপর ছেলেদের কাছে আশ্রয় চেয়েও পাননি সাহায্য। যে সন্তানদের জন্য সারাজীবন উজাড় করে দিলেন নিজের সবটুকু, শেষ বয়সে তাঁদের কাছেই কি তবে বোঝা হয়ে গেলেন তিনি? এই খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। 

জানা গিয়েছে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির। অনেকেই বলছেন এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, সম্পত্তির কাছে কখনও কখনও হার মানতে পারে রক্তের সম্পর্কও। শারজাহের ওই মহিলার একাধিক সন্তান রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকেরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে এবং তাঁরা নিজেদের পরিবার নিয়ে আলাদা থাকেন। অন্যদিকে, তাঁর ছোট মেয়ে ছিল অবিবাহিত। মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন মা। যাতে আগামী দিনে মেয়েকে থাকার জায়গা নিয়ে সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই ভাবনা থেকেই নিজের বাড়ির সম্পূর্ণ আইনি মালিকানা মেয়ের নামে করে দেন তিনি। মায়ের উদ্দেশ্য ছিল, মেয়ের মাথার উপর যেন সবসময় একটি নিরাপদ ছাদ থাকে। কিন্তু যে সিদ্ধান্ত তিনি মেয়ের সুরক্ষার কথা ভেবে নিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেটাই তাঁর নিজের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনে। 

আরও পড়ুন: অন্ধ্রপ্রদেশে তাণ্ডব শুরু অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, পাঁচ জেলায় লাল সতর্কতা জারি

 অভিযোগ উঠেছে, বাড়ির মালিকানা হাতে আসার পর মেয়েই মাকে সেই বাড়ি থেকে বের করে দেন।   নিজের সম্পত্তি মেয়ের হাতে তুলে দিয়ে কার্যত আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন ওই মহিলা। এরপর বাধ্য হয়ে ছেলেদের কাছে সাহায্য চান তিনি। তাঁর আশা ছিল, ছেলেরা বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করবেন এবং বোনের সঙ্গে কথা বলে মায়ের থাকার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু সেখানেও হতাশ হতে হয় তাঁকে। ছেলেরা মাকে জানান, বাড়ি মেয়ের নামে করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিয়েছিলেন। তাই সেই সিদ্ধান্তের পরিণতিও তাঁকেই ভোগ করতে হবে। ছেলেদের কাছ থেকেও সাহায্য না পেয়ে আরও অসহায় হয়ে পড়েন ওই মহিলা। এই ঘটনা সামনে আসার পর সম্পত্তি, পারিবারিক দায়িত্ব এবং বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দিওয়ালি উপহার মোদি সরকারের, কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ডিএ বাড়ল ৩ শতাংশ

ভাবা’র লোভনীয় চাকরি ছেড়ে সন্যাস জীবনকেই বেছে নিলেন M.Tech পাস যুবক

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৪৬, বন্ধ করা হল রেল পরিষেবা

মদ্যপ অবস্থায় উল্টোদিক ধরে গাড়ি নিয়ে ছুটছেন মহিলা কনস্টেবল, ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই শোরগোল

গাইঘাটায় ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর গলাকাটা দেহ, ধৃত ১

কলকাতা-হাওড়ার পুরভোটে নজর, ফের বাংলায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি

দিনদুপুরে শিক্ষিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা অভিযুক্তের

ঈশানকে পিছনে ফেলে ICC-এর ক্রমতালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করলেন অভিষেক

মন্ত্রিত্ব বেঁচে গেল হরদীপ পুরীর, মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে লড়ছেন

‘আর ভোটে না দাঁড়ানোই ভাল’ বয়স মনে করিয়ে মমতাকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ শুভেন্দুর

আত্মঘাতী তিনবারের প্যারা এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী নীরজ, কী এমন ঘটেছিল?

দিঘায় ঢোকার মুখে দাঁড়িয়ে পড়ল তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, কী কারণে বিপত্তি?

তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে অপসারিত হলেন কোচির পুলিশ কমিশনার

কোচিং ক্লাসে ১৩ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, গ্রেফতার ২১ বছরের শিক্ষক