চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হাওড়ার পাঁচলা বসুবাড়ীর কালীমাতা ঠাকুরানী

নিজস্ব প্রতিনিধি: আড়াইশো বছরেরও পুরোনো, অথচ মহাজাগ্রত কালীপুজো হল বসুবাটীর পুজো। আজ থেকে ২৬০ বছরেরও আগে স্বনামধন্য জমিদার কালীচরণ বসুর হাত ধরে হাওড়ার পাঁচলায় কালীপুজোর সূচনা। তিনি হরিপাল থেকে এসে এখানে বসতবাটী তৈরি করেন। যা কালক্রমে বসুবাটী নামেই প্রসিদ্ধ হয়। আর এই বাড়ির কালীপুজো আজও যেন সর্বজনীন হয়ে সমাদৃত। হাওড়া জেলায় এই পুজো পাঁচলা বসুবাটী কালীমাতা ঠাকুরানীর পুজো হিসেবে বিখ্য়াত। দূরদূরান্ত থেকে পূণ্য়ার্থীরা আসেন পাঁচলায় বসুবাড়ির পুজো দেখতে। আজও বলিপ্রথা রয়েছে। জানা যায়, কালীপুজোর রাতে একশোর ওপর ছাগবলি হয় এখানে। তবে সংখ্যাটা কমেছে। আগে একসময় আরও বেশি ছাগবলি হতো, যা ছিল গুণতির বাইরে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্বপ্নে মায়ের আদেশ পেয়েছিলেন জমিদার কালীচরণ বসু। সেই স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী মায়ের মূর্তি তৈরি করান তিনি। জমিদার কালীচরণ বসু তাঁর বসুবাটীতে কালীমন্দিরের পাশাপাশি শিব মন্দির ও নারায়ণ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অনেক ঘাত অভিঘাত পেরিয়েও পাঁচলার বসু পরিবারের কালীপুজো আজও উজ্জ্বল। সেই রাজকীয় জৌলুস হয়তো আর নেই, তবে নিয়ম নিষ্ঠা এবং আড়ম্বর যথাসম্ভব বজায় রেখে চলেছেন পাঁচলা বসুবাটী দেবোত্তর এস্টেট। এই পুজো আসলে বসু পরিবারের সমস্ত ব্যক্তিদের মিলন উৎসব। শুধু পরিবারের সদস্যরাই নয়, অঞ্চলের বহু মানুষ ভিড় জমান শতাব্দী প্রাচীন এই পুজো দেখতে। কালীপুজোয় প্রায় ২০০ গ্রাম ওজনের নারকেল নাড়ু দিয়ে পুজোর ভোগ হয়। পাশাপাশি রসমালাই জাতীয় এক মিস্টিও দেওয়া হয় পাঁচলার কালীমাতা ঠাকুরানীকে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

চৈত্রের অন্তিমে ঐশ্বরিক মিলন,গাজনে শিব-পার্বতীর বর্ণময় বিবাহ

সন্তানের মঙ্গলে নীলষষ্ঠীর ব্রত করে কী খাবেন মায়েরা? কোনটি নিষেধ?

মেয়ের ‘বিশেষ বন্ধু’ বাড়ি ঢুকে প্রতিমার ১০ ভরি গহনা নিয়ে পালাল যুবক, তারপর…

লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়ে গিয়েছে এই সতীপীঠ, এখানে ভ্রামরী রূপে পুজো পান দেবী কালিকা

মায়ের আশীষে রক্ষা পুত্রের, মান্না বাড়িতে বিরাজমান করুণাময়ী কালী

অমাবস্যার পরে কালী মায়ের মূর্তি নিয়ে দেওয়া হয় দৌড়, দেখতে হলে যেতে হবে মালদার এই জায়গায়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ