আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শাহজাদির পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আরও দুই ভারতীয়কে ঝোলানো হল ফাঁসিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সংযুক্তি আরব আমিরশাহিতে একের পর এক ভারতীয়র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দার বাসিন্দা শাহজাদি খানের পরে এবার আরও দুই ভারতীয়র ফাঁসি কার্যকর করেছে আমিরশাহি প্রশাসন। ওই দুই হতভাগ্য ভারতীয় হলেন মোহাম্মদ রিনাশ এ ও মুরলীধরন পি ভি। দুজনকেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এক নাগরিককে খুনের অপরাধে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বিদেশ মন্ত্রকের তরফে মোহাম্মদ রিনাশ এ ও মুরলীধরন পি ভি’র মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফাঁসি কার্যকর হওয়া মোহাম্মদ রিনাশ এ ও মুরলীধরন পি ভি’র বাড়ি কেরলের কান্নুরে। খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার আগে আমিরশাহির আল এন শহরে একটি ভ্রমণ সংস্থায় (ট্র্যাভেল এজেন্সি) দুজনে কর্মরত ছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আরব আমিরশাহি প্রশাসনের তরফে ভারতীয় দূতাবাসকে দুজনের ফাঁসি কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছিল। দুজনকে বাঁচাতে সব রকমের চেষ্টা করেছিল ভারতীয় দূতাবাস। আমিরশাহি প্রশাসনের কাছে ক্ষমা ভিক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল। যদিও তাতে সাড়া দেয়নি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সরকার।

প্রসঙ্গত, চার মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার দায়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বান্দার বাসিন্দা শাহজাদি খানের ফাঁসি কার্যকর করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি প্রশাসন। গত সোমবার (৩ মার্চ) দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি শচিন দত্তের এজলাসে ওই মন খারাপ করার খবর জানিয়েছিল বিদেশ মন্ত্রক। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা আদালতকে জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিদেশ মন্ত্রকের তরফে দেশটিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে জানানো হয়, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আইন মেনেই শাহজাদি খানের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ওই তথ্য জানানোর পরেই গোটা এজলাসে পিন পতনের নিস্তব্ধতা নেমে আসে।

উত্তরপ্রদেশের বান্দার বাসিন্দা শাহজাদি খানকে তিন বছর আগে ২০২১ সালে মানবপাচার চক্র সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে পাচার করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ। আবু ধাবিতে গিয়ে এক দম্পতির চার মাসের সন্তানকে দেখভালের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। আচমকাই শিশুটির মৃত্যু হয়। ওই দম্পতি শাহজাদির বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করেন। এর পরে তদন্ত করে আবু ধাবি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। পরে দেশটির আদালত শাহজাদিকে ফাঁসির সাজা শোনায়। মেয়েকে বাঁচানোর আর্জি জানিয়ে মোদি সরকারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শাহজাদির বাবা সাবির খান। বিদেশ মন্ত্রককে চিঠি দিয়ে কাতর আর্জি জানিয়েছিলেন মেয়েকে বাঁচানোর।

কিন্তু সেই আর্জিতে কেন্দ্রের সাড়া না দেওয়ার অভিযোগ তুলে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাবির খান। আর্জিতে মেয়ে কী অবস্থায় রয়েছে, তা জানতে চেয়েছিলেন। এদিন বিচারপতি শচিন দত্তের এজলাসে ওই মামলার শুনানি ছিল। আর সেই শুনানিতেই অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা জানান, শাহজাদি খান আর বেঁচে নেই। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সরকা

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘কান্তারা’ বিতর্কে বড় স্বস্তি, রণবীরের বিরুদ্ধে FIR খারিজ কর্নাটক হাইকোর্টের

‘পঞ্জাব কা গদ্দার’, হরভজনের বাড়ির দেওয়ালে কালিতে লিখে দিলেন আপ কর্মীরা

​’লরেন্স অফ পঞ্জাব’-এর মুক্তি স্থগিত, সিধু মুসেওয়ালার বাবাকে খুনের হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

BJP-তে যোগদানের পরেই ১০ লক্ষ ফলোয়ার হারালেন রাঘব চাড্ডা

বিজেপির হয়ে কলকাতায় প্রচারে আসছেন রাঘব চাড্ডা, হতে পারেন কেজরিওয়ালের মুখোমুখি

দু’মাস পর তেহরান থেকে পুনরায় বিমান পরিষেবা চালু করল ইরান, যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ