🎉 Happy Birthday Ei Muhurte 🎉

এই মুহূর্তে

আফগানিস্তানে পালিয়ে যাওয়া দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

নিজস্ব প্রতিনিধি: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার রাজ্য তদন্ত সংস্থা (State Investigation Agency) এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ কুলগামে ডাঃ মুজাফফর আহমেদ রাঠের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। কাজীগুণ্ডের বাসিন্দা ডাঃ মুজাফফর এই মামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। অগস্ট মাসে সে ভারত ছাড়ে বলে গোয়েন্দাদের ধারণা।

সূত্রের খবর, এই ডাঃ মুজাফফর আহমেদ রাঠের বর্তমানে আফগানিস্তানে রয়েছে। গোয়েন্দারা একরকম নিশ্চিত, এই ব্যক্তিই সম্ভবত জৈশ-ই-মহম্মদের হ্যান্ডলার যে জম্মু কাশ্মীর জুড়ে “হোয়াইট-কলার” সন্ত্রাসী মডিউলের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ মুজাফফরের প্রত্যার্পণ নিশ্চিত করার জন্য এর আগে ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিশ চেয়েছিল।

ডাঃ মুজাফফর আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যুক্ত। এই বিশ্ববিদ্যালয় দিল্লি বিস্ফোরণ এবং হোয়াইট-কলার সন্ত্রাসী মডিউলের তদন্ত শুরু হওয়ার পরেই নজরে এসেছে। দিল্লি বিস্ফোরণের দিন কয়েক আগেই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ গ্রেফতার করেছিল চিকিৎসক ডাঃ আদিল আহমেদ রাঠেরকে। তার লকার থেকে মিলেছিল AK 47 রাইফেল। এই আদিল আহমেদ রাঠেরের ভাই হল ডাঃ মুজাফফর আহমেদ রাঠেরকে দিল্লিতে লাল কেল্লা বিস্ফোরণের পরিকল্পনাকারী ডাক্তারদের সন্ত্রাসী মডিউলের প্রধান সমন্বয়কারী এবং বিদেশী যোগসূত্র হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সূত্র এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, মুজাফফর মূলত অনন্তনাগ জেলার কাজিগুণ্ডের বাসিন্দা। সে গত অগস্টে দুবাইতে গিয়েছিল। এই মুজাফফরই ভারতের মূল ডাক্তার মডিউল এবং আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত পাক-ভিত্তিক হ্যান্ডলারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিল।

জম্মু থেকে এমবিবিএসে স্নাতক হওয়ার পর কাশ্মীর থেকে শিশু বিশেষজ্ঞ বিভাগে এমডি করেছিল মুজাফফর আহমেদ রাঠের। তারপর যোগাযোগ করে উকাশার সঙ্গে। জৈশের একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে কাশ্মীরী উকাশা। উকাশার দাবি বর্তমানে এই মুজাফফর আহমেদ রাঠের আফগানিস্তানে রয়েছে।

২০২২ সালে, মুজাফফর এবং অভিযুক্ত ডাঃ মুজাম্মিল শাকিল উকাশার সঙ্গে দেখা করার জন্য ইস্তাম্বুলে গিয়েছিল। সেখানে তহবিল এবং সন্ত্রাস পরিচালনার রুট চূড়ান্ত করা হয়েছিল। লাল কেল্লায় বোমা হামলা সহ বৃহৎ আকারের হামলার উপর মডিউলের চূড়ান্ত দৃষ্টিভঙ্গি সেই বৈঠকগুলি থেকেই উদ্ভূত হয়েছিল বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

আধিকারিকদের দাবি, মুজাফফর দুবাই থেকে মডিউলের কার্যক্রম সমন্বয় করত। তাদের কথোপকথন হত এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে। ফান্ড ট্রান্সফার এবং টেলিগ্রামের মতো নিরাপদ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে করা হত অত্যন্ত সাবধানে। ভারতে ভাই আদিল গ্রেফতার হওয়ার আগেই মুজাফফর আফগানিস্তানে চলে যায় বলে জানা গিয়েছে। দূর থেকেই নির্দেশ জারি ছিল তাঁর।

পুলিশ সূত্র আরও জানা গিয়েছে, মুজাফফর ভাই আদিলকে মৌলবাদী করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তাকে ডঃ উমর নবী (লাল কেল্লায় বোমা হামলাকারী), ডঃ মুজাম্মিল শাকিল এবং ধর্মগুরু মৌলভী ইরফানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। এরা সকলে মিলেতথাকথিত “হোয়াইট-কলার সন্ত্রাসী মডিউল” এর মূল অংশ গঠন করেছিলেন।

সূত্র জানিয়েছে যে সন্দেহ করা হচ্ছে মুজাফফর ব্যক্তিগতভাবে উমরকে দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। কারণ একাধিক গ্রেফতারের কারণে কাশ্মীরে পুলওয়ামা-ধাঁচের গাড়ি বোমা হামলার মূল পরিকল্পনা ব্যাহত করেছিল। আফগান এবং পাকিস্তানি নেটওয়ার্কগুলির সঙ্গে তার যোগাযোগ, বিস্ফোরণের আগের দিনগুলিতে বৃদ্ধি পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। গত অগস্টে সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে আফগানিস্তানে যায় ডাঃ মুজাফফর আহমেদ রাঠের।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘পক্ষপাতমূলক আচরণ’, লোকসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার তোড়জোড় বিরোধীদের

আইন কলেজে রক্তারক্তি, ক্লাসে ঢুকে সহপাঠীকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী যুবক

অপরাধ রুখতে বড় পদক্ষেপ রেলের, সব স্টেশনে বসছে ফেস রেকগনিশন ক্যামেরা

সাইবার প্রতারণার খপ্পরে পড়ে ১.১০ কোটি টাকা খোয়ালেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক ম্যানেজার

হিটারের সামনে সদ্যজাতকে রেখে চলে গেলেন নার্স, মর্মান্তিক মৃত্যু শিশুর, পালল চিকিৎসকরা

দিল্লির ৯ টি স্কুলে বোমার হুমকি, তড়িঘড়ি খালি করা হলো ভবন, চরম আতঙ্কে পড়ুয়ারা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ