চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে বিজেপি!‌ উত্তরবঙ্গে নয়া গেরুয়া ছক

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি। যদিও বিজেপি সাংসদ ওই বিষয়ে মুখ খোলেননি। আবার নতুন করে গোর্খাল্যান্ড ইস্যু উসকে দিয়ে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জনসমর্থন পেতে চাইছে বিজেপি। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গেও যোগাযোগ বৃদ্ধি করে নয়া ছক কষছে বিজেপি। তাই দলের উত্তরবঙ্গের সাংসদরা পেতে চলেছেন বিশেষ নির্দেশ বলে সূত্রের খবর। এভাবেই ভোট বৈতরণী পার করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

এদিকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সঙ্গে বিজেপির সমঝোতা প্রায় পাকা হয়েছে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে। পাহাড়ের তিন আসনের মধ্যে কালিম্পংয়ের আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছেন খোদ বিমল গুরুং। অমিত শাহের সঙ্গে ওই বৈঠকে নির্দিষ্ট করে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কথা হয়। পাহাড় সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের আর্জি অমিত শাহকে জানান গোর্খা নেতারা। তারপর ওই বৈঠকের পর গোর্খা নেতারা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানেও নানা বিষয়ে কথা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলি নিয়ে বিজেপি সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির সঙ্গে বিজেপির যোগাযোগ রক্ষা করে চলার চেষ্টাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সংগঠনগুলির মধ্যে অন্যতম গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন এবং কামতাপুর পিপলস পার্টি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলা ভাগের মতো ইস্যুকে কি তাহলে হাতিয়ার করছে পদ্ম শিবির? মনে রাখা দরকার, বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পর একাধিকবার পৃথক কোচবিহার রাজ্যের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন অনন্ত মহারাজ। সেখানে এদিনের বৈঠকে বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থন নিয়ে আলোচনা হয়েছে অমিত শাহের সঙ্গে বলে সূত্রের খবর।

এছাড়া বিমল গুরুং এই বৈঠকে ১১টি জনজাতিকে ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করার কথা তুলে ধরেন। আরও মনে রাখতে হবে, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সংগঠন শক্তিশালী করার পিছনে রাজবংশী বা কামতাপুরী সম্প্রদায়ের স্থানীয় মানুষের অবদান রয়েছে। এইসব করে আসলে বিজেপি বাংলা ভাগ করতে চাইছে। এই বিষয় নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় পার্টিতেই আলোচনা হয়েছে। তাই এমন পদক্ষেপের পথে হাঁটতে পারে দল বলে সূত্রের খবর। এই গোটা বিষয়টি জানতে পেরে অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার মুখপাত্র শক্তিপ্রসাদ শর্মা বলেন, ‘‌পৃথক রাজ্য গোর্খাল্যান্ডের নামে সশস্ত্র আন্দোলনের পর পাহাড়ে বিমল গুরুং এবং তাঁর দল অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। গত পঞ্চায়েত এবং পুরসভা নির্বাচনে মোর্চা খাপ খুলতে পারেনি। এবারও পারবে না।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘বিভাজনের রাজনীতি করে মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করে বিজেপি’, তোপ অভিষেকের

বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী ও ৩ বছরের কন্যার দেহ, নেপথ্যে কোন কারণ?

২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে ব্যবসায়ী জয় কামদারকে রাখার নির্দেশ আদালতের

অভিষেকের রানিবাঁধের সভার আগেই ভাঙন বিজেপিতে, তৃণমূলে যোগ রাজ্য কমিটির সদস্য

ছত্তিশগড়ে ভেঙে পড়ল ব্যক্তিগত বিমান, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

গলায় ঝাল মুড়ির ডালা ঝুলিয়ে লোকাল ট্রেনে ভোট প্রচারে মদন মিত্র

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ