কোটি টাকার সম্পত্তি থাকতেও গৃহহীন ৬০ বছরের বৃদ্ধ, পরিবারের কাণ্ড শুনলে থ হয়ে হবেন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সময় মানুষকে মাঝে মাঝে এমন  এক কঠিন জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেয় যা সত্যি চোখে জল এনে দেয় । সম্প্রতি বিহারে এমন এক ঘটনা ঘটে যা একেবারেই অমানবিক। এই ঘটনা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কাছে কোটি  কোটি কোটি  থাকলেও কপালে যদি সুখ শান্তি না থাকে তাহলে সেটা ভোগ করা যায় না। বিহারের ছাপড়া জেলার ঘটনা পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে   প্রশ্ন তুলেছে। কারণ ওই শহরের  কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়ি থেকে। কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েও তিনি বাস করছেন একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। অভিযোগ উঠেছে  বৃদ্ধের  নিজের পরিবারের সদস্যরা তাকে জোর করে তাড়িয়ে দিয়েছে।   

যে ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তিনি হলেন ৬০ বছর বয়সী উমেশ চন্দ্র ভার্মা। তিনি ছাপড়ার প্রভুনাথ নগরের বাসিন্দা। কোটি কোটি টাকার বাড়ি এবং জমি থাকা সত্ত্বেও, তিনি বর্তমানে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন। যে বয়সে তাঁর নিজের বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়া উচিত ছিল, সেই বয়সে উমেশ গৃহহীন হয়ে ঘুরছেন। উমেশ  জানিয়েছেন, ছোটবেলায় তিনি আসামের চা বাগানে কাজ করতেন। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, তাঁর পরিবার তার বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা নিত। তবে তিনি এটাও জানান যৌবনে তিনি কাজের দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন এবং কখনও বিয়ে করেননি।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ভবানীপুরে বিএলএ-দের কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

বৃদ্ধ আরও অভিযোগ করেন, তাঁর জমি আছে এবং তার আত্মীয়স্বজন আছে কিন্তু কাজ বন্ধ করে বাড়ি ফিরে আসার পর থেকেই কাছের মানুষরা বদলে যায়। জতদিন তিনি টাকা দিতেন ততদিন পরিবারের সদস্যদের কাছে ভালো ছিলেন। কাজ করা বন্ধ করতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। চেনা মানুষের আসল রূপ বেড়িয়ে আসে। উমেশ অভিযোগ করেন যে, যখন তিনি আর উপার্জন করতে পারছিলেন না, তখন তার পরিবারের সদস্যরা তার জমির অংশ এবং সঞ্চয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং  তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তিনি বলেন,  তাঁর ভাইয়েরা এমনকি প্রতিবেশীরাও তাকে বাড়ি ছেরে চলে যেতে চাপ দেয়।  তাঁর আরও দাবি করেন যে তার পরিবার তাকে কখনও বিয়ে করতে দেয়নি।  তিনি বলেছেন, ছাপড়ায় ফিরে আসার পর, উমেশ ছাপড়া সদর হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। তবে, অসুস্থতা এবং স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে, তিনি   চাকরি হারান।  ৬০ বছর বয়সে হাঁটাচলা করতেও কষ্ট হয় তাঁর। নিজের আয় করা করা টাকা ও সম্পত্তির উপর নিজের কোনও প্রতিপত্তি না থাকায় তিনি দাতব্য সহায়তার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ক্রান্তি রোটি সংস্থা তাকে প্রতিদিন রাতের খাবার সরবরাহ করে আর তাঁর ভাগ্নে সকালের জলখাবার নিয়ে আসে। উমেশের চার ভাই ছিল, যাদের মধ্যে দুজন মারা  গিয়েছেন। একজন বেঁচে রয়েছেন তিনি পটনায় থাকেন। 

ফের বন্ধ থাকবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, দিনক্ষণ জানিয়ে দিল কলকাতা পুলিশ

‘এই সব লোককে যত তাড়াতাড়ি খতম করা যায়, তত ভাল’, মুখ খুললেন শুভেন্দুর বাবা

বাংলায় ফের নাশকতার ছক! আগ্নেয়াস্ত্র-তাজা কার্তুজ-সহ সিঙ্গুরে গ্রেফতার ১

অর্জুন সিংয়ের নামে জাল নথি তৈরির অভিযোগ, ইছাপুরে গ্রেফতার ২

কাবেরি নদীর জলবণ্টন ইস্যুতে কর্নাটকে বাতিল বিজয়ের জন নয়গান’-এর শো

‘শুধু আমি নই, আরও এক মন্ত্রী জইশের নিশানায়’, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

টুলুর ‘যকের ধনের’ সন্ধান, পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

মোবাইল নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, তোলা যাবে না ছবি, বড় নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

গলছে বরফ, চলতি বছরেই ভারত সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

মুখ্যমন্ত্রীর উপরে হামলার ছক! বর্ধমান থেকে গ্রেফতার জইশ জঙ্গি

শুক্রবারেও ভিজবে বাংলা! কলকাতাসহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

মন্তেশ্বরে বাড়ি, হাওড়ায় গেঞ্জি কারখানার শ্রমিক ছিল বর্ধমানে ধৃত জঙ্গি হামিদ

দীর্ঘ টানাপোড়েনে ইতি! মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহের বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর সুপ্রিম কোর্টের

২১ জুলাই সমাবেশে আদালতের নির্দেশ কেন মানা হয়নি? কালীঘাট তৃণমূলকে সতর্ক করল হাইকোর্ট