আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে পাচার চক্রের খপ্পরে বহু বাংলাদেশি কিডনি হারিয়েছেন

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতিদিন বাংলাদেশ(Bangladesh) থেকে এদেশে(India) চিকিৎসা করাতে আসেন বহু বাংলাদেশী। চিকিৎসা করিয়ে তাঁরা আবার নিজ দেশে ফেরতও চলে যান। তাঁরা মূলত আসেন কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, ভেলোর, বেঙ্গালুরুর মতো জায়গায় চিকিৎসা করানোর জন্য। কিন্তু এবার এক ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে চলে এসেছে। জানা গিয়েছে, ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন বাংলাদেশী কিডনি পাচার চক্রের(Kidney Trafficking Cycle) খপ্পরে পড়ে নিজেদের কিডনি খুইয়ে বসে আছেন। সম্প্রতি দিল্লিতে পুলিশ(Delhi Police) এক মহিলা চিকিৎসককে গ্রেফতার(Woman Doctor Arrested) করার পরে সেই ঘটনা সামনে চলে এসেছে। ওই মহিলা চিকিৎসক সহ এই ঘটনায় আরও ৩জন বাংলাদেশী গ্রেফতার হয়েছে এই চক্র সামনে আসার পরে।

জানা গিয়েছে, দিল্লিতে গ্রেফতার হওয়া মহিলা চিকিৎসকের নাম ডা. বিজয়া কুমারী। তিনি ১৫ বছর আগে দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ এলাকায় থাকা অ্যাপোলো হসপিটালে একজন জুনিয়র চিকিৎসক হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি কোনওদিনই ওই হাসপাতালের বেতনভুক চিকিৎসক ছিলেন না। তাঁকে টাকা দেওয়া হতো Fee-for-Service বেসিকে। দিল্লি পুলিশ জানতে পেরেছে এই বিজয়া কুমারী একটি কিডনি পাচার চক্রের হয়ে কাজ করে গিয়েছেন বিগত কয়েক বছর ধরে। শুধুমাত্র নয়ডার বুকে এই মহিলা ২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১৫-১৬টি কিডনি অপারেশন করেছিলেন। আর সেই সব অপারেশন হয়েছিল দিল্লিরই নয়ডা এলাকায় থাকা একটি বেসরকারি নার্সিংহোম যথার্থ হাসপাতালে। যদিও সেই হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, বিজয়া সেখানে Visiting Consultant হিসাবে কাজ করতেন। তবে তিনি গ্রেফতারির আগের ৩ মাসে সেখানে মাত্র একটি অপারেশনই করেছিলেন। আর সেই রোগী ছিল তাঁর পরিচিত। তিনিই তাঁকে নিয়ে এসেছিলেন। যথার্থ হাসপাতালের কোনও রোগীকে তাঁর হাতে দেওয়া হয়নি চিকিৎসার জন্য।

দিল্লি পুলিশ এই ঘটনায় জানতে পেরেছে যে গোটা চক্রটি বাংলাদেশ থেকে কিডনি ডোনারদের জোগাড় করত ও মেডিকেল ট্যুরিজিমের ভিসাতে তাঁদের এদেশে নিয়ে আসতো। রাখা হত দিল্লির পাশে থাকা একটি গ্রামের মধ্যেকার ফ্ল্যাটে। যারা এদের থেকে কিডনি পেয়েছিল তারা এক একটি কিডনির জন্য ৩০ লক্ষ টাকা করে দাম দিয়েছিল। এর মধ্যে বিজয়া পেতেন এক একটি অপারেশনের জন্য ৩ লক্ষ টাকা। এর বাইরে ডোনারা পেতেন ৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু মজার কথা এই ডোনারদের একবারও বলা হতো না যে তাঁদের কিডনি কেটে নেওয়া হবে। বলা হতো কিডনির টেস্ট করতে নেফ্রন নেওয়া হবে। সেই ফাঁদেই তাঁরা কিডনি হারিয়ে বসে থাকতেন। বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে তাঁরা বুঝতে পারতেন তাঁদের শরীর থেকে কিডনি কেটে নেওয়া হয়েছে। সেই সূত্রেই বাংলাদেশে অভিযোগ দায়ের হওয়ায় সেখানে ২জন গ্রেফতার হয়। বাংলাদেশ পুলিশ থেকেই দিল্লি পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানানোর পরে তাঁদের হাতে বিজয়া গ্রেফতার হন। এই চক্রটি রীতিমত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভুয়ো নথি তৈরি করে গোতা চক্রটি চালাতো।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

উঠেছিল চরবৃত্তির অভিযোগও, ২৪ বছরে ১৯৭ দেশ ঘুরে স্বপ্নপূরণ বিহারের যুবকের

বোরকা পরিহিত মহিলাকে প্রকাশ্যে যৌন হেনস্থার চেষ্টা মৌলভীর, ভয়ঙ্কর ঘটনার ভিডিও ভাইরাল

ভোট মিটতেই জামিন পেলেন আই-প্যাক কর্তা বিনেশ চান্দেল

অনলাইন গেমিংয়ে বিপুল লোকসান, নিজেকে বাঁচাতে যা করলেন যুবক…

গরমকে হার মানিয়ে বিয়ের শোভাযাত্রায় চলল ‘মোবাইল কুলার’, শোরগোল নেটদুনিয়ায়

অপেক্ষার অবসান! আজই প্রকাশিত ICSE এবং ISC পরীক্ষার ফল, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ