দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌মন থেকে জাতপাত মুছে ফেলতে হবে বৈষম্য শেষ করতে’‌, নাম না করে বিজেপিকে কড়া বার্তা ভাগবতের

নিজস্ব প্রতিনিধি: এবার নাম না করে বিজেপিকে কড়া বার্তা দিলেন আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত। আর তা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপি জাতপাতের রাজনীতি করে থাকে। এই অভিযোগ বিরোধী দলগুলি বারবার করে এসেছে। সেখানে মোহন ভাগবত একেবারে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে বার্তা দিলেন। জাতপাতের বৈষম্য দূর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। অথচ এখনও দেশে জাতপাতের রাজনীতি চলছে। সেটাকে দমন করতেই এমন বার্তা দিয়েছেন স্বরসংঘচালক বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে বিজেপি নেতা–মন্ত্রীদের গলায় বারবার শোনা যায়, হিন্দু–মুসলিম বিভাজনের কথা। আর তা নিয়ে বাংলা থেকে শুরু করে তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু–সহ নানা রাজ্য বিরোধিতা করে চলেছে। সেখানে মোহন ভাগবত বলেন যে, ‘‌যদি সামাজিক রীতিনীতি থেকে জাতপাতের বৈষম্য দূর করতে হয়, তাহলে প্রথমে মন থেকে জাতপাত মুছে ফেলতে হবে। অতীতে জাতপাত পেশা এবং কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু পরে এটি সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় এবং বৈষম্যের দিকে এগিয়ে চলে।’‌ সেখানে বিজেপি নেতা–মন্ত্রীদের মুখে শোনা যায়, হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা। মুসলিমদের বাংলাদেশ–পাকিস্তানে পাঠানোর কথা এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলিমের কথা।

অন্যদিকে এসআইআর নিয়ে এখন জোর সমালোচনা চলছে দেশজুড়ে। সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। এই আবহে শনিবার জন সংগোষ্ঠী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মোহন ভাগবত জাতপাতের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন। জাতিভেদ প্রথার বিষয়টিকে তুলে ধরে ভাগবত জনগণের কাছে তাঁদের মন থেকে এটি দূর করার আবেদন করেন। এই নিয়ে মোহন ভাগবতের বক্তব্য, ‘‌এই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে হলে মন থেকে জাতিভেদ নির্মূল করতে হবে। যদি এটি সততার সঙ্গে করা হয়, তাহলে ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে জাতিভেদ নির্মূল হয়ে যাবে।’‌

এছাড়া কদিন আগে বাংলায় এসে ভাগবত বলেছিলেন, বিজেপির চোখ দিয়ে আরএসএস’‌কে দেখা ঠিক নয়। আর এবার যে মন্তব্য করলেন তাতে নাম না করলেও বার্তা দিলেন সেই বিজেপিকেই বলে মনে করা হচ্ছে। আর তাই মোহন ভাগবতের কথায়, ‘‌সংঘের লক্ষ্য সমাজ–সহ ভারতকে তার চূড়ান্ত গৌরবের দিকে নিয়ে যাওয়া। সংঘ ব্যক্তি চরিত্র গঠনের মাধ্যমে জাতি গঠনের জন্য কাজ করে। এটি প্রতিক্রিয়া দেওয়ার কোনও সংগঠন নয়। এটি কারও সঙ্গে প্রতিযোগিতাও নয়। সংঘ নিজে বড় হতে চায় না। এটি সমাজকে বড় করতে চায়। যদি মানুষ সংঘকে বুঝতে চায়, তাহলে তাঁদের অবশ্যই এর শাখায় আসতে হবে।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের পরেই বাড়বে জ্বালানির দাম? পরিকল্পনা স্পষ্ট করল কেন্দ্র

প্রথমবার বাবা-মাকে ফ্লাইটে চড়িয়ে সারপ্রাইজ মুম্বইয়ের এক তরুণের ভাইরাল ভিডিও

রজনীকান্ত থেকে কমল হাসান, সকাল সকাল তামিলনাড়ুর গণতান্ত্রিক উৎসবে সামিল তারকারা

গর্ভপাতের পর অশালীন মন্তব্য ও ধর্মীয় পরামর্শের অভিযোগে চাঞ্চল্য TCS নাসিক কাণ্ডে

ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর আর্জি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি TVK প্রধান বিজয়ের

লক্ষ্মীবারে ধাক্কা শেয়ার বাজারে, একধাক্কায় ৬২৫ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ