আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘সোনম ওয়াংচুককে মুক্তি দেওয়া যাবে না’, সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়ে দিল কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিনিধি: লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুককে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়, সুপ্রিম কোর্টকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্টের সোমবারের প্রশ্নের জবাবে বুধবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানালেন, গত বছর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের রাজধানী লেহতে হিংসাত্মক বিক্ষোভে জড়িত থাকার অপরাধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয় সোনম ওয়াংচুককে। যে বিক্ষোভে চার জন নিহত হয়েছিলেন এবং ১৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তার কারণে সোনম ওয়াংচুককে মুক্তি দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিল সোনম ওয়াংচুক।

গত ২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে সোনম ওয়াংচুকের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের (NSA) অধীনে আটকের বিরুদ্ধে ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমোর দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানি হয়েছিল। সেখানে ওয়াংচুককে কেন এখনও আটকে রাখা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সোনমের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্রকে ভাবনা-চিন্তা করতেও বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে কেন্দ্রের তরফে আইনজীবী তুষার মেহতা আজ জানিয়ে দিলেন, ‘কারাগারের ম্যানুয়াল অনুসারে সোনম ওয়াংচুককে পর্যায়ক্রমে প্রায় ২৪ বার পরীক্ষা করা হয়েছে। তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ। তাঁর হজমের সমস্যা ছিল, এখন তা নেই। অসুস্থ সোনমকে জয়পুরের এমসে চিকিৎসা করানো হয়েছে। এখন এই ধরনের ব্যতিক্রম করলে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবেনা।’ গত সপ্তাহেও আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রের কাছে জানতে চেয়েছিল, পরিবেশবিদকে এখনও কেন আটক করে রাখা হয়েছে। সোনমের আইনজীবীর দাবি ছিল, সোনম যথেষ্ট অসুস্থ। তখন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী তথা অতিরিক্ত সলিসিটর কেএম নটরাজ আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রের তরফে আর এক আইনজীবী জানিয়েছিলেন, নটরাজ এখন অন্য মামলায় ব্যস্ত, তাই ওয়াচুক-মামলার শুনানি আরও এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হোক। তখন বেঞ্চ জানিয়েছিল, এ ভাবে বারবার মামলার শুনানি পিছনো যাবে না। এই পরিস্থিতিতে বুধবার মামলায় শুনানিতে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার। আর সেখানেই কেন্দ্র আবারও সোনমের মুক্তির বিরোধিতা করল। স্পষ্ট জানিয়ে দিল সোনমকে মুক্তি দেওয়া যাবে না।

গত শুনানিতে মামলার সওয়াল-জবাবে সোনমের মুক্তির বিরোধীতা করে কেন্দ্র জানিয়েছিল, ‘সোনম ওয়াংচুক চান লাদাখ নেপাল কিংবা বাংলাদেশ হোক। তিনি তাঁর বক্তৃতায় নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশে যেভাবে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে, সেই উদাহরণ টেনে লাদাখের মানুষকে প্ররোচিত করছিলেন। তিনি এমন এক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যেখানে লাদাখ ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন বা নেপালের মতো একটি স্বতন্ত্র কাঠামোর দিকে ঝুঁকতে পারে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। শুধু তাই নয়, নেপালিরা তাদের দেশে যা করেছে, তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মকে তা করতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন সশস্ত্র কর্মীদের উপস্থিতি তরুণদের ক্ষুব্ধ করছে। এর পরিণতি নেপালের মতোই হবে। আমাকে জেলে পাঠালেও কোনও লাভ হবেনা। লাদাখেও নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার মতো ঘটনা ঘটবে। এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্ত। এগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্যে হুমকি।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘জিনা মুশকিল কর দিয়া’, আত্মঘাতী হওয়ার আগে ফোনে বাবাকে বলেছিলেন বিচারক

বাড়ির শৌচালয় থেকে বিচারকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, ভয়ঙ্কর ঘটনা দিল্লিতে

ছত্তিশগড়ের কাঙ্কেরে মাইন নিস্ক্রিয় করতে গিয়ে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন চার নিরাপত্তারক্ষী

পর্যটকদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত লক্ষদ্বীপ প্রশাসনের, ঢুকতে প্রয়োজন হবে না পুলিশি ছাড়পত্রের

দামি গাড়ি, মুম্বইতে 3BHK-5BHK ফ্ল্যাট, মডেলদের এই বিলাসিতার আসল রহস্য জানেন?

ই–ফার্মেসির প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক, ১২ লক্ষাধিক ওষুধের দোকান বন্ধের সম্ভাবনা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ