এই মুহূর্তে

পণ্য রফতানিতে এগিয়ে বাংলা, পূর্ব ভারতের মধ্যে এক নম্বর স্থানের তকমা দিল কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর তাতে সাফল্য পেতে কোমর বেঁধে নেমেছে সব রাজনৈতিক দলগুলি। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করেই চলেছে। সেখানে কাজ করে সাফল্য তুলে আনল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এমনকী পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলির থেকে পণ্য রফতানিতে এগিয়ে বাংলা। আর এই তকমা দিয়েছে খোদ কেন্দ্রীয় সরকার। তাই বিরোধীরা যতই সমালোচনা করুক রাজ্যের শাসকদলের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এল খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের এই পরিসংখ্যান। যা বিরোধীদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

এদিকে ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষের পণ্য রফতানির নিরিখে পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে এক নম্বর স্থানে উঠে এসেছে বাংলা। আর পূর্ব ভারতের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি যেখানে পণ্য রফতানিতে নীচের দিকে নেমেছে তখন গত এক বছরে বাংলার পণ্য পরিবহণ ও রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে একাধিকবার দাবি করেছেন, উন্নয়নের নিরিখে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলি থেকে অনেক এগিয়ে বাংলা। আজ, বুধবার সেই দাবিই সত্য বলে প্রমাণিত হল। এই বিষয়ে নবান্নের এক অফিসার জানান, এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে রাজ্যের অর্থনীতি সাম্প্রতিক সময়ে আমূল বদলে গিয়েছে।

অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই তকমা মেলায় তা প্রচারের আলো আসবে। তাতে বঙ্গ–বিজেপি বেজায় বেকায়দায় পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এই তকমা মিলেছে কেন্দ্র থেকে। আর কেন্দ্রে আছে এনডিএ সরকার। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষে পূর্ব ভারত থেকে পণ্য রফতানিতে বাংলা অন্যান্য রাজ্যগুলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে আছে বিজেপি শাসিত ওড়িশা এবং তৃতীয় স্থানে বিহার। এই তথ্য এবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল কংগ্রেসকে রাজনৈতিক প্রচারের ময়দানে বাড়তি সুবিধা দেবে। নবান্নের ওই অফিসার দাবি করেছেন, বিরোধীরা রাজ্যে শিল্প না থাকার যে অভিযোগ তোলেন সেটা এই কেন্দ্রীয় তথ্য কার্যত নস্যাৎ করে দিয়ে প্রমাণ করল রাজ্যের অর্থনীতি অনেকটাই মজবুত।

এছাড়া দার্জিলিং চা, সামুদ্রিক খাবার, আম এবং লিচুর মতো ফল রফতানিতেও বাংলা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। হস্তশিল্প রফতানি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা আছে। পাট শিল্প এবং চামড়াজাত পণ্য রফতানিতেও রাজ্যের অবদান অনেক বেশি। হস্তশিল্পের মধ্যে বাঁকুড়ার টেরাকোটা, ডোকরা শিল্প, মাটির পাত্র এবং বেত ও বাঁশের তৈরি নানা ধরনের সামগ্রী বিদেশের বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে। আয়ুর্বেদিক এবং ভেষজ সামগ্রীও এখন বাংলা থেকে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নিজস্ব তথ্যই প্রমাণ করছে, পূর্ব ভারতের অন্যান্য বড় রাজ্যগুলির তুলনায় বাংলার বাণিজ্যিক পরিকাঠামো যথেষ্ট ঊর্ধ্বমুখী।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

গিরিশ পার্কে হামলা, মালদায় বিজেপি নেতাদের বাড়িতে পুলিশের হানা

মমতার ডিএ ঘোষণা আদর্শ নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেছে? কী বলল নির্বাচন কমিশন?

দু’‌দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে বাংলায়, কোন দুটি তারিখে?‌ ফলাফল ঘোষণা ৪ মে

অসম, কেরল, পুদুচেরিতে ৯ এবং তামিলনাডুতে ২৩ এপ্রিল ভোট, গণনা ৪ মে

দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর নয়, শুভেন্দুর পছন্দ নন্দীগ্রাম বিধানসভা

পশ্চিমবঙ্গে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল হবে ভোটগ্রহণ, ফলপ্রকাশ ৪মে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ