মাটির নীচে পোঁতা ছিল কষ্টি পাথরের মূর্তি, এই বাড়ির ইতিহাস আজও অবাক করে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাগবাজার হালদার বাড়ির পুজো শহরের অন্যান্য বনেদি বাড়ির পুজোগুলির থেকে অনেকটাই আলাদা। এখানে কষ্ঠিপাথরের দেবীমূর্তি। মা এই বাড়ির গৃহদেবতা হিসেবে নিত্য পূজিতা হন। দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে একটু আলাদাভাবে বিধি মেনে পুজো করা হয় মহিষাসুরমর্দিনীর মূর্তির। হালদার বাড়ির এই মাতৃমূর্তি বহু প্রাচীন। দুর্গার দু’পাশে একটু নীচের দিকে রয়েছেন তাঁর দুই সখী জয়া আর বিজয়া। মাথার উপরে রয়েছে মহাকাল। সালঙ্কারা দুর্গা পদ্মের উপর আসীন। এই মূর্তি নাকি বহুবছর আগে ওড়িশার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল।

এই পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা যায়, হালদার পরিবারের এক পূর্বপুরুষ একবার বালেশ্বরের কাছে সাহেবপুরে বেড়াতে যান। সেখানে স্বপ্নাদেশে দেবী তাঁকে বলেন, ওই অঞ্চলে এক গরীব জেলে পরিবারের বাড়ির নীচে মাটির ১৪ ফুট গভীরে তাঁকে উল্টো করে শায়িত রাখা আছে। সেখান থেকে তুলে নিয়ে এসে তাঁকে যেন নিত্যপুজো করা হয়। সেই ব্যক্তি তৎক্ষণাৎ ওই অঞ্চলে খনন করে আড়াই ফুটের এই মূর্তি উদ্ধার করেন। সেই থেকে তিনি হালদার পরিবারে পূজিতা।

সময় বদলেছে। বর্তমানে এই বাড়িতে কষ্ঠিপাথরের মূর্তিটিই পূজিত হয়। পুজোর সময় বাড়ির নিয়ম অনুসারে দেবীকে দক্ষিণমুখী করে দেওয়া হয়। মনে করা হয়, উত্তরের কৈলাশ থেকে দক্ষিণে মুখ করে দেবীর মর্ত্যে আগমন ঘটল। পঞ্চমীর দিন দেবীর বোধন হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় আমন্ত্রণ এবং অধিবাস। ষষ্ঠীর দিন ঢাকিরা আসেন। এই বাড়ির মহিলারা দুর্গাষষ্ঠী পালন করেন না। আমিষ এইদিন খেতেই হয় মেয়েদের। মাছ খেয়ে পান মুখে দিয়ে প্রথমে জলের ফোঁটা দিয়ে ঢাক বরণ করেন তাঁরা। পুজোর যাবতীয় কাজ সেদিন আমিষ খেয়েই করতে হয় ওই দিন।

এই বাড়ির নবপত্রিকা স্নান একটু অন্যরকম। হালদারদের দুই জ্ঞাতি পরিবারের নবপত্রিকা এদিন একসঙ্গে স্নানে যায় বিরাট দুই ছাতার তলায়। অষ্টমীর দিন সন্ধিপুজোয় যে ১০৮ প্রদীপ দেওয়া হয় তা বড় সুন্দর করে সাজানো হয়। কখনও ত্রিশূল, কখনও প্রজাপতি, কখনও দেবীর ত্রিনয়ন বা আবার কল্পতরু গাছের মত চেহারা দেওয়া হয় প্রদীপগুলির। হালদার বাড়িতে সন্ধিপুজোর কোনও কাজ মহিলারা করতে পারেন না। এই কাজ করতে হয় পুরুষদেরই। কাটা ফল নয়, সন্ধিপুজোর সময় বড় বড় আস্ত ফলে পুজো করাটা এ বাড়ির নিয়ম। নবমীর দিন কুমারীপুজো হয় ধুমধাম করে। পুজো শেষে বাড়ির ছেলেরা কোলে করে কুমারীকে নিয়ে যান গৌড়ীয় মঠে। সেখানে তাঁকে তিনবার ঘুরিয়ে তবে মটিতে নামানো হয়। দশমীর দিন ঢাক বিসর্জন হয় এই বাড়িতে। সেই সময় বাড়ির সধবা মহিলারা মাছ খেয়ে পান খেয়ে হলুদ জলে ভেজানো কড়ি দিয়ে ঢাক বরণ করেন। সেই সঙ্গে ঢাকিকে ফলমূল, মিষ্টি, কাপড় দেওয়া হয়। ঢাক বিসর্জন হয়ে গেলে ঢাকে ফের কাঠি দেওয়া নিষেধ।

‘তোমার থুতু-ই তো হাতিয়ার’, অস্ত্র লাইসেন্স চাইতে যাওয়া যুববকে মুখের উপরে বলে দিলেন জেলাশাসক

অপারেশন সিঁদুরে ব্যবহৃত ২০টি চিনা যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, খরচ হবে ২১,৯২৩ কোটি টাকা

ফের মালদহ! পৃথক অভিযানে মোট ৫ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করল পুলিশ

বিমান নাকি পিকনিক স্পট? ইন্ডিগোর বিমানে এক পরিবারের কাণ্ডে তুমুল বিতর্ক

আকস্মিক বন্যায় বিধ্বস্ত নেপাল, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয় পর্যটক

ইউনিফর্ম পরে ডিউটিতে গিয়ে রাস্তায় শুয়ে গড়াগড়ি জওয়ানের, তারপরের ঘটনা শুনলে অবাক হবেন…

নবদ্বীপে ভেজাল দুধ তৈরির কারখানার হদিশ, আটক ১

‘ক্ষমতার অপব্যবহার’, রাজস্থান হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে অপসারণের দাবি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির

মালদা মেডিকেল কলেজে একদিনেই ১০ শিশুর মৃত্যু, রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য দফতরের

হাওড়ায় বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার কাজ

‘কাটমানি ভাগাভাগি করে নেব’, হাতে গঙ্গাজল নিয়ে শপথ পুর কাউন্সিলরদের, দেখুন ভিডিও  

আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় অঘটন! প্রথম স্থান হারালেন বুমরাহ, জায়গা নিলেন কে?

এক ঝটকায় নিশ্চিহ্ন গোটা গ্রাম! তিব্বত সীমান্তে নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, মৃত ৮

সোনাল দিনুসার শতরানেও ফলোঅন এড়াতে পারল না শ্রীলঙ্কা