৪৫০ বছর ধরে দশভূজার পরিবর্তে ১৮ হাত মায়ের পুজো কেশপুরের দেব পরিবারে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, কেশপুর : আকাশে বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ, শিউলির সুবাস, কাশফুলের দোলা সবটাই জানান দেয় মা আসছেন। কৈলাস থেকে চার ছেলে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে মর্ত্যে আসেন মা। চারদিন কাটিয়ে ফিরে যান কৈলাসে। মহা সমারোহের সঙ্গে এই চারদিন দেবীর পুজো করা হয়। আনন্দে গা ভাসিয়ে দেয় বাঙালিরা। মায়ের দশভূজা রূপটি বেশি পরিচিত। তবে কেশপুরের গড়সনাপোতা গ্রামের দেব পরিবারে মা পূজিত হন অষ্টাদশভূজা রূপে। পশ্চিমবঙ্গের এটি একমাত্র অষ্টাদশভূজা দুর্গা প্রতিমা বলে জানা যায়। সারা বছরই কংক্রিটের মূর্তি মন্দিরে পূজিত হন। শারদীয়ার সময় নতুন প্রতিমা গড়ে  তোলা হয়। তবে মা দুর্গার সঙ্গে এখানে কার্তিক গণেশ বা লক্ষী-সরস্বতীর মূর্তি থাকে না, পট-চিত্রে তাঁদেরকে অঙ্কন করা হয়।

প্রায় ৪৫০ বছর ধরে অষ্টদশভূজা পূজাআর্চনা করে আসছেন দেব পরিবার। দেব পরিবারের আদি বসবাস ছিল আনন্দপুর থানার আড়রাগড় গ্রামে। এই পুজোর পিছনেও রয়েছে ইতিহাস। বর্গী আক্রমনের তৎকালীন রাজা ত্রিলোচন দেব যুদ্ধে পরাজিত হন। তারপর বিষ্ণু মন্দিরে গিয়ে দেব-দেবীদের আরাধনা শুরু করেন। সেই পুজো চন্দ্রকোনা এবং ত্রিলোচনপুর হয়ে বর্তমানে গড়সনাপোতা গ্রামে অধিষ্ঠিত। সেই সময় বাঁকুড়া রায় এসে অষ্টাদশভূজা দুর্গামাতার পূজা শুরু করেন। সেই থেকেই মা পূজিত হয়ে আসছেন ১৮ বাহুতে রণ শয্যায় সজ্জিত হয়ে।

ষষ্ঠীতে বেলবরণ এবং সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নানের মধ্য দিয়েই মূল পূজোর শুরু। তবে সপ্তমী থেকে যে হোমযজ্ঞ শুরু হয় তা একটানে দশমীর দিন পর্যন্ত চলে। সন্ধিক্ষণের পর বিশেষ পুজো হয়। দেবনগরী হরফে লেখা বিশেষ পুঁথির মন্ত্র উচ্চারণে গোপন পূজো হয় “অষ্টাদশভূজা” মায়ের। জানা গিয়েছে, সন্ধিক্ষণে ছাগবলি এবং নবমীতে দণ্ডীকেটে মায়ের আরাধনায় মেতে উঠেন পরিবারের ৮ থেকে ৮০ সকলেই। বিশেষ রীতি হিসেবে পুজোর সময় পরিবারের কোনও সদস্যই বাড়ির বাইরে যেতে পারেন না। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে দেব পরিবারের পুজো। এই সময় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু ভক্তরা ভিড় জমান এই দেব বাড়িতে।

‘দয়া করে সবাই বন্যায় বিপর্যস্ত অসমের পাশে দাঁড়ান’, দেশবাসীর কাছে কাতর আর্জি পাপনের

ভিনধর্মী প্রাপ্তবয়স্ক যুগলের বিয়েতে বাধা নয়! পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের

যোগ্যরা সবাই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন, ধোঁয়াশা কাটালেন শুভেন্দু

‘সবাইকে কাঁদিয়ে পৃথিবীতে আমি এসেছি’, ডি. লিট সম্মান পেয়ে জানালেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়

উদ্বোধনের ১২ দিনেই ফাটল ৪,২০০ কোটি টাকার এক্সপ্রেসওয়েতে

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে প্রথম দিনের শুনানিতে অনুপস্থিত সিবিআইয়ের আইনজীবী

মহেশতলায় জিন্স কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, বয়লার ফেটে প্রাণ গেল শ্রমিকের

ভেঙেছিল পা, হার্ট সার্জারি করলেন চিকিৎসকরা! করুণ পরিণতি মহিলার

‘আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে আরও ১০-১২টি চা বাগান খুলবে,’ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

সিকিমের দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য ও সরকারি চাকরি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

ধর্মতলায় সাংবাদিক নিগ্রহে ধৃতদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণ, গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬

কলকাতা পুরভোটের তোড়জোর, শুক্রবারই প্রকাশ হতে পারে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের খসড়া তালিকা

E-20 নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমানজনক মন্তব্য, বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ নীতিন গড়করি

কলেজ চত্বর থেকে উদ্ধার আইআইটি পড়ুয়ার দেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত শুরু