চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বালুচিস্তানে লালফৌজ মোতায়নের আশঙ্কা, সাহায্য চেয়ে চিঠি পৌঁছল জয়শঙ্করের কাছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: অনেকদিন ধরেই পাকিস্তানের বালুচিস্তান অঞ্চলকে ঘিরে নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক উত্তেজনার দেখা দিয়েছে। চিন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরকে কেন্দ্র করে বালুচিন্তানে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব বেড়েছে। সেখানে সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চর্চা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই বালুচিস্তান নেতৃত্বের পক্ষ থেকে নতুন করে সতর্কবার্তা এল। কেন সতর্কবার্তা?‌ আসলে পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে চিন নানা কার্যকলাপ করতে পারে।

এদিকে সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, বালুচিস্তানের নেতা মীর ইয়ার বালুচ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পাকিস্তানের বালুচিস্তানে চিন তার সামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে পারে। আর তা যদি হয় তাহলে চিন–পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত জোট এখানের গোটা নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। এই আবহে নতুন বছরের প্রথম দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে উদ্দেশ্য করে লেখা এক খোলা চিঠিতে মীর ইয়ার বালুচ বলেন, ‘‌বালুচিস্তানের জনগণের প্রতিনিধিরা ইসলামাবাদ ও বেজিংয়ের মধ্যে বাড়তে থাকা কৌশলগত অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখছেন। গত কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে বালুচিস্তান নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। যা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন।

অন্যদিকে এই চিঠি নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ এই চিঠিতে মীর ইয়ার লিখেছেন, ‘‌গত ৭৯ বছর ধরে বালুচিস্তানের জনগণ পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় দখলদারি, রাষ্ট্রের নেতৃত্বে সন্ত্রাসবাদ এবং ভয়াবহ মানবাধিকার নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। এখন সময় এসেছে এই দীর্ঘদিনের জটিল সমস্যার মূলে আঘাত হেনে আমাদের জাতির জন্য স্থায়ী শান্তি ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, যা বালুচিস্তান দিয়েই গিয়েছে। বালুচিস্তান প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান ও চিনের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত জোটকে গভীরভাবে বিপজ্জনক হিসেবে দেখছে।’‌

এছাড়া এখন বিষয়টি নিয়ে বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের মাটি। তাই এই বিষয়ে বালুচিস্তানের নেতা মীর ইয়ার বালুচ দাবি করেন, যদি বালুচিস্তানে প্রতিরোধ ও আত্মরক্ষাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা না হয় এবং আগের মতোই উপেক্ষা করা হতে থাকে, তাহলে দ্রুতই বালুচিস্তানে সরাসরি চিনা সেনার উপস্থিতি দেখা যেতে পারে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‌যদি বালুচিস্তানের প্রতিরক্ষা ও স্বাধীনতাকামী বাহিনীর সক্ষমতা আরও শক্তিশালী না করা হয় তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই বালুচিস্তানে চিনা সেনা মোতায়েন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।’‌ এই বিষয়ে মীর ইয়ারের বক্তব্য, স্থানীয় জনগণের সম্মতি ছাড়া বালুচিস্তানে চিনা সেনা মোতায়েন হলে তার প্রভাব ভয়াবহ হবে। আর ভারত ও বালুচিস্তান উভয়ের ভবিষ্যতের জন্যই এক ভয়াবহ ও অকল্পনীয় হুমকি হয়ে উঠবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

উপেক্ষার বদলা! প্রেমিককে চেয়ারে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে মারল প্রেমিকা

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চান না প্রাক্তন মার্কিন সেনারা! ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভে আটক ৬০

কেরলের বাজি কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু আটজনের

মহারাষ্ট্রের পালঘরে আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত ২ শ্রমিক

সহ্যসীমার বাইরে তাপমাত্রা, বাড়ির কাছে এসি হোটেল বুক করলেন তরুণী! ভাইরাল নেটদুনিয়ায়

অফিসের ক্রেডিট কার্ড থেকে খরচ ২৭ লক্ষ, হিসেব চাইতেই বসকে অশ্লীল ছবি পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ