সমুদ্রে নিমজ্জিত এই রহস্যময় শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পঞ্চপান্ডব, জানুন অজানা কাহিনী

এখানেই রয়েছে গঙ্গেশ্বর (Gangeshwar) মহাদেবের মন্দির। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, এই মন্দির আনুমানিক পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বের অন্যতম ধর্মীয় ঐতিহ্যবাহী উপমহাদেশ ভারতের নানান স্থানে রয়েছে রহস্যে ঘেরা নানা মন্দির। যা এখনও অধিকাংশ মানুষের কাছে অজ্ঞাত। তেমনই ভারতের পশ্চিম উপকূলে আরব সাগরের তীরে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিউতে আছে দেবাদিদেব মহাদেবের রহস্যময় এক বহু প্রাচীন মন্দির। জানা যায়, একসময় দিউ ছিল পর্তুগিজ শাসনের অধীনে, যা ১৯৬১ সালে তা ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়। মুম্বই বা আহমেদাবাদ থেকে গাড়ি বা ট্রেনে দিউ যাওয়া যায়। দিউ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে ফাদুম গ্রাম। এখানেই রয়েছে গঙ্গেশ্বর (Gangeshwar) মহাদেবের মন্দির। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, এই মন্দির আনুমানিক পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো।

এই মন্দিরটি হল আসলে আরব সাগরের ধারে পাহাড়ের একটি গুহা। মন্দিরে প্রবেশ করতে হলে, সিঁড়ি ভেঙে বেশ কিছুটা নেমে যেতে হয় সমুদ্রের কাছে। সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে প্রথমেই চোখে পড়বে নন্দীর মূর্তি। আর, দেবী পার্বতীর ফোটো। রয়েছেন গণেশ ও দেবী লক্ষ্মীও। এখানেই নিচে আছে বিভিন্ন আকারের পাঁচটি শিবলিঙ্গ। এছাড়া এই মন্দিরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এখানে, পাথরের উপরে শিবলিঙ্গ শেষনাগ খোদাই করা আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, পঞ্চপাণ্ডব তাঁদের অজ্ঞাতবাসের সময় এই শিবলিঙ্গগুলো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শুধু এখানেই নয়, কথিত আছে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় পঞ্চপাণ্ডবরা তাঁদের অজ্ঞাতবাসের সময় বহু শিবলিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই পঞ্চপাণ্ডবরাই এখানে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করে নিত্য পুজো করতেন বলেই স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান।

পৌরাণিক কাহিনী থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে জানা যায়, গঙ্গেশ্বর শিব মন্দিরের সিঁড়ির একেবারে সামনে অবস্থিত প্রথম শিবলিঙ্গটি যুধিষ্ঠির, এরপর দ্বিতীয় ও সবচেয়ে বড় শিবলিঙ্গটি ভীম, তৃতীয় শিবলিঙ্গটি অর্জুন এবং চতুর্থ ও পঞ্চম শিবলিঙ্গটি যথাক্রমে নকুল ও সহদেব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই মন্দিরে ক্ষণে ক্ষণেই একের পর এক সমুদ্রের ঢেউ এসে গুহায় আছড়ে পড়ে ও শিবলিঙ্গগুলিকে ধুইয়ে দিয়ে ফিরে চলে যায়। জোয়ারের সময় শিবলিঙ্গগুলো জলের তলায় থাকে। তাই, সেসময় লিঙ্গগুলোকে পুজো করা যায় না। পুজো করতে হয় ভাটার সময়। এই মন্দির কোনও পুরোহিত নেই। ভক্তরা নিজেরাই পুজো দেন। পুজোর নৈবেদ্য অনেকসময়ই স্রোতের টানে দূর সমুদ্রে চলে যায়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই মন্দির অত্যন্ত জাগ্রত। এখানে এলে মনে নানা অশান্তি থাকলেও তা শান্ত হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, এই শিবের কাছে নিজের মনোস্কামনা জানালে তাও নাকি পূরণ হয়। আর, সেই জন্য এই মন্দিরে সারা বছরই ভক্তদের আনাগোনা লেগেই থাকে।

ঢাকার সাভারে চলন্ত বাসেই মহিলা যাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেফতার চালক-সহ তিন

পার্লারে যাওয়ার দিন শেষ! রান্নাঘরের চেনা জিনিসেই মিলবে উজ্জ্বল ও মোলায়েম ত্বক

খালি পেটে ভুলেও চা-কফি নয়! সুস্থ থাকতে সকালের খাবারে বেছে নিন ৮ সুপারফুড

পায়ে অসাড়তা সাধারণ ক্লান্তি নয়, হতে পারে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথির প্রাথমিক লক্ষণ

কমনওয়েলথ গেমসে রুপো জিতলেন ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী যাদব

তীব্র গরমে মেয়েরা কেন ছটফট করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে এই ৫ কারণ

নিশানায় ভারত! লাদাখ-অরুণাচল সীমান্তে ১১টি ‘জে-২০ মাইটি ড্রাগন’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের

জনপ্রিয় গান নিয়ে রিল বানিয়ে তারেক সরকারের রোষানলে হিন্দু শিক্ষিকা

কারুরে পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সরকারি চাকরির নির্দেশিকা বাতিল মাদ্রাজ হাইকোর্টের

মাঝ আকাশে ধোঁয়া, ১৯৪ যাত্রী নিয়ে রাজকোটে জরুরি অবতরণ মুম্বই-দুবাইগামী ইন্ডিগোর বিমানের

যোগ্যরা সবাই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন, ধোঁয়াশা কাটালেন শুভেন্দু

প্রতিবেশীর বাড়িতে খাওয়ার অপরাধে পাষণ্ড মায়ের বেদম মারে মৃত্যু মেয়ের

অনিশ্চয়তায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভবিষ্যৎ , চরম আর্থিক সঙ্কটে আল নাসার ক্লাব

অভিমুখ বদলে কলকাতার আরও কাছে অতি গভীর নিম্নচাপ, রাতেই প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা