দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হনুমানজি’র কৃপা পড়বে আপনার ওপর! জেনে রাখুন হনুমানজি’র অবাক করা জন্ম-বৃত্তান্ত

courtesy google

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২৩ এপ্রিল পালিত হতে চলেছে হনুমান জয়ন্তী।বজরংবলীর উপাসনা যত সহজ, ততই কিন্তু কঠিন। হবে।তবে ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে,বজরংবলীর এই পুজো করলে জীবন থেকে দূর হয় অশান্তি।বজরংবলীর সাধনা করলে বল, বুদ্ধি ও বিদ্যা লাভ হয়,পাশাপাশি বাড়িতে অশুভ শক্তির বাস থাকে না।তার আগে জেনে রাখুন হনুমানজি’র অবাক করা বৃত্তান্ত।এতে হনুমানজি’র কৃপা পড়বে আপনার ওপর।

হনুমানের জন্ম নিয়ে পুরাণে অনেকগুলি কাহিনি পাওয়া যায়।বিভিন্ন মতও আছে। এদের মধ্যে কয়েকটি এখানে তুলে ধরা হল।

একটি কাহিনি অনুসারে বানর হিসেবে জন্ম নেন হনুমান। তাঁর মা অঞ্জনা বা অঞ্জনি ছিলেন এক কিন্নরী, যিনি অভিশাপ পেয়ে বানর জন্ম পান। তবে অঞ্জনি এই আশীর্বাদ পেয়েছিলেন যে তাঁর গর্ভে কোনও পুত্র সন্তানের জন্ম হলে তিনি এই বানর জন্ম থেকে মুক্তি পাবেন। বায়ু বা পবন অঞ্জনির কানের মধ্যে দিয়ে তাঁর শরীরে প্রবেশ করেন এবং তার ফলে পবনপুত্র হনুমানের জন্ম হয়।

অন্যদিকে আরও একটি কাহিনিতে মনে করা হয়। ত্রেতাযুগে মহারাজ দশরথ সন্তান কামনায় পুত্রেষ্টি যজ্ঞ করেছিলেন। যজ্ঞের পরে বিশেষ ক্ষীর দশরথের তিন রানি কৌশল্যা, কৈকেয়ী ও সুভদ্রার মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দেন পুরোহিত। সেই সময় অল্প একটু ক্ষীর নিয়ে পালায় এক পাখি। উড়তে উড়তে পাখি পৌঁছয় দেবী অঞ্জনার আশ্রমে। তখন মহাদেবের আরাধনা করছিলেন তিনি। পাখির মুখের থেকে একটু ক্ষীর চলকে গিয়ে পড়ে অঞ্জনার হাতে। একে মহাদেবের প্রসাদ মনে করে খেয়ে নেন অঞ্জনা। এরপর ঈশ্বরের কৃপায় জন্ম হয় মহাদেবের অন্যতম অবতার বজরংবলীর। সেদিন ছিল চৈত্র পূর্ণিমা।

আবার বাল্মিকী রামায়ণ অনুসারে বলা হয়, হনুমানের বাবা ছিলেন কেশরি।যিনি বৃহস্পতি পুত্র ছিলেন।এই কেশরিই নাকি রামের সেনা হয়ে রাবণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। অঞ্জনা এবং কেশরী পুত্র সন্তান প্রার্থনা করে মহাদেবের শরনাপন্ন হয়েছিলেন।তাঁদের প্রার্থনায় সন্তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁদের পুত্র সন্তানের বর দেন।

আবার অন্য একটি কাহিনি অনুসারে হনুমান নিজেই ছিলেন শিবের অবতার।ভগবান রামের প্রতি ভগবান শিবের ভক্তি তাই সম্পূর্ণ এবং অনন্য। ভগবান বিষ্ণু যখন গ্রহে রাম রূপে অবতীর্ণ হন, তখন ভগবান শিব তার প্রভুর সেবা করার জন্য ভগবান হনুমানের রূপ ধারণ করেন। হনুমান তার সাহস, শক্তি এবং বিশ্বস্ত, নিঃস্বার্থ সেবার জন্য বিখ্যাত বানরের দেবতা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গরমে শরীর রাখুন সুরক্ষিত! বদলান শুধু এই কয়েকটি অভ্যাস

গরমে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে নাজেহাল? হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে বাড়ি ফিরে করুন এই কাজগুলি

বাংলার এই সীমান্ত শহর থেকেই ভিসা ছাড়াই চলে যান ভুটানে

কীভাবে চক্র ধ্যান আপনার জীবনকে আরও শান্ত, স্থির ও নিয়ন্ত্রিত করতে পারে

দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা? ভোটের লাইনে শরীর চাঙ্গা রাখতে চুমুক দিন বেলের শরবতে

লস্যি না ঘোল গরমে কোনটি শরীরকে দ্রুত শীতল করে?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ