দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

Rath Yatra 2024: বোনের আবদার মানতেই কী রথযাত্রা করেন জগন্নাথ? জেনে নিন রথযাত্রার নেপথ্যে কাহিনী

courtesy google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রথযাত্রার ইতিহাস নিয়ে একাধিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত আছে। প্রতিবছর ধুমধাম করে পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। এদিন উচ্চ নীচ নির্বিশেষে সকল ভক্তদের দর্শন দিতে বের হন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। কৃষ্ণের আর এক নাম জগন্নাথ। পুরির রথযাত্রা উৎসব মূলত জগন্নাথকে কেন্দ্র করে। কিন্তু কেন এই রথযাত্রা, কেনই বা প্রতিবছর জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরাম রথে চেপে ভ্রমণে বের হন, এই নিয়ে থাকে নানান প্রশ্ন। যদিও পুরাণে রথযাত্রার কারণ সম্পর্কে একাধিক কাহিনির কথা উল্লেখ রয়েছে।

পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী বলা হয়েছে, কৃষ্ণের বোন সুভদ্রা বাপের বাড়ি এলে তিনি দুই দাদার কাছে নগর ভ্রমণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তখন কৃষ্ণ ও বলরাম সুভদ্রার সঙ্গে রথে করে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। তখন থেকেই রথযাত্রা পালিত হয় ধুমধাম করে। হাজার হাজার ভক্তরা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে রথের দড়িটুকু ছোঁয়ার আশায়।

মাসির বাড়ির উদ্দেশেই নাকি রথযাত্রা : পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ঠিক পাশেই গুন্ডিচা মন্দিরে কৃষ্ণের মাসিবাড়ি। বলা হয় তাঁদের মাসি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিন ভাই বোনকে তাই ১০ দিনের জন্য মাসির বাড়ি ঘুরতে বের হয়েছিলেন কৃষ্ণ, বলরাম ও সুভদ্রা।

রথ পাঠিয়ে ছিলেন মামা কংস : প্রচলিত কাহিনী অনুযায়ী মথুরায় আমন্ত্রণ জানিয়ে রথ পাঠিয়েছিলেন কৃষ্ণের মামা কংস। দাদা ও বোনের সঙ্গে তাই যাত্রাপথে সঙ্গী হয়েছিলেন কৃষ্ণ। মামার আমন্ত্রণ রক্ষা করতে নাকি রথে চেপে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনভাইবোন।

অন্য একটি কাহিনী অনুসারে, এদিনই কংসবধ করেন কৃষ্ণ। তারপর বলরামের সঙ্গে প্রজাদের দর্শন দেওয়ার জন্য মথুরায় রথযাত্রা করেন।

কৃষ্ণের রাসলীলার গল্প : এক প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণের রানিগণ মা রোহিণীর কাছে কৃষ্ণের রাসলীলা শুনতে চান।রোহিণী ভাবেন যে গোপীদের সঙ্গে কৃষ্ণের রাসলীলার কাহিনি সুভদ্রা শোনা উচিত নয়। তাই তিনি কৃষ্ণ ও বলরামের সঙ্গে সুভদ্রাকে রথযাত্রায় পাঠিয়ে দেন। সে সময় নারদ তিন ভাই-বোনকে একসঙ্গে দেখে অত্যন্ত প্রসন্ন হয়ে পড়েছিলেন এবং আশির্বাদ করেছিলেন প্রত্যেক বছর এভাবেই তাঁরা যেন একসঙ্গে বের হন।

কৃষ্ণের শবদেহ নিয়ে সমুদ্রে ঝাপিয়ে পড়েন দাদা বোন : কৃষ্ণের মৃত্যুর পর তাঁর শব দ্বারকা নগরী নিয়ে আসা হলে ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়েছিলেন বলরাম ও সুভদ্রা। তাঁর মৃতদেহ নিয়ে সমুদ্রে ঝাপিয়ে পড়েন। এই দেখে সুভদ্রাও সমুদ্রে ঝাপ দেন। এই সময়ে পুরীর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন স্বপ্ন দেখেন যে, কৃষ্ণের শরীর সমুদ্রে ভাসছে। পুরীর স্বপ্নাদেশ কৃষ্ণের সঙ্গে সঙ্গে বলরাম, সুভদ্রার কাঠের মূর্তি তৈরির স্বপ্ন পান তিনি। এভাবেই শুরু হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার কাঠের মূর্তি তৈরির কাজ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গরমে শরীর রাখুন সুরক্ষিত! বদলান শুধু এই কয়েকটি অভ্যাস

গরমে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে নাজেহাল? হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে বাড়ি ফিরে করুন এই কাজগুলি

বাংলার এই সীমান্ত শহর থেকেই ভিসা ছাড়াই চলে যান ভুটানে

কীভাবে চক্র ধ্যান আপনার জীবনকে আরও শান্ত, স্থির ও নিয়ন্ত্রিত করতে পারে

দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা? ভোটের লাইনে শরীর চাঙ্গা রাখতে চুমুক দিন বেলের শরবতে

সার্কাস প্রদর্শনী থেকে লাফ দিয়ে দর্শকদের কাছে ছুটে গেল বাঘ, তারপর….

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ