আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জানেন কী কার ভক্তদের ভুলেও কষ্ট দেন না শনিদেব ? জানা আছে কী সেই কাহিনী

courtesy google

নিজস্ব প্রতিনিধি : শনিদেব হলেন ন্যায়ের দেবতা। তাঁর নাম শুনলে ত্রিলোক কেঁপে ওঠে। কেননা তিনি খুব কঠোর। কেউ অন্যায় করলে তাঁর প্রতি নির্মম হতেও পিছু পা হন না ন্যায়ের দেবতা। তাঁর রোষ থেকে কেউ ছাড় পায় না। বলা হয় শনিদেবের হাত থেকে রেহাই পায় নি রাবণরাজও। শনির বক্র দৃষ্টি, সাড়েসাতি ও আড়াইয়ের প্রভাবে নাজেহাল হতে হয় প্রায় সকলকেই। তবে আপনি কী জানেন এমন একজন আছেন যার ভক্তদের কক্ষনো কষ্ট দেন না শনিদেব। জানেন কী কে সে ? আর কেনই বা তাঁর ভক্তদের ছায়া থেকে দূরে থাকেন বড়ঠাকুর ? তবে জেনে নিন এর পেছনে রহস্য।

শনিদেবকে শান্ত করার বিভিন্ন উপায়ও রয়েছে। মনে করা হয়, বজরংবলীর পুজো করলে শনির প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা যায়।বজরংবলীর ভক্তদের কক্ষনো কষ্ট দেন না শনিদেব। এর কারণ হিসেবে বেশ কিছু পৌরাণিক কাহিনির উল্লেখ পাওয়া যায়। একটি কাহিনি মতে,শনিদেব বজরংবলীর ওপর প্রসন্ন হয়ে তাঁকে আশীর্বাদ দেন। আবার কোনও কোনও প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী বজরংবলী শনির দর্প চূর্ণ করেছিলেন ও ভক্তদের ছায়া থেকে সরার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

একটি কাহিনী অনুযায়ী, রাবণ এতটাই পরাক্রমশালী ছিলেন যে সমস্ত গ্রহকেই নিজের বশে রেখেছিলেন। কিন্তু রাবণের ওপর যখন শনির দশা শুরু হয়, তথন রাবণ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। নিজেকে রক্ষার জন্য শনির ওপর আক্রমণ হানেন রাবণ। শিবের কাছ থেকে প্রাপ্ত ত্রিশূল দিয়ে শনিকে আহত করে নিজের কারাগৃহে উলটো ঝুলিয়ে রেখে দেন।

এদিকে সীতাকে উদ্ধার করতে বজরংবলী লঙ্কা পৌঁছোন। সেখানে গিয়ে দেখেন কারাগৃহে বন্দি আছেন শনিদেব। তখন বজরংবলী তাঁকে উদ্ধার করেন। এরপর তিনি হনুমানজিকে বর দেন, তিনি(শনিদেব)কখনো বজরংবলী ও তাঁর ভক্তদের কষ্ট দেবেন না।

অন্য একটি কাহিনী অনুসারে, একদা বজরংবলী রাম ভক্তিতে ডুবে ছিলেন। তখনই সেই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন শনি। নিজের শক্তির ওপর শনির প্রচণ্ড অহংকার ছিল, কারণ তিনি যে কোনও ব্যক্তির জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারতেন। শনিদেব বজরংবলীর ওপর বক্র দৃষ্টি দিয়ে তাঁর ধ্যানভঙ্গ করার চেষ্টা করেছিলেন। বহুক্ষণ ধরে বজরংবলীর ধ্যান ভঙ্গ করার চেষ্টা করেন শনি, কিন্তু বিফল হন। তার পর পুনরায় শনি বলেন, ‘বাঁদর চোখ খোল, দ্যাখ আমি তোর সুখ-শান্তি নষ্ট করতে এসেছি। এই সংসারে এমন দ্বিতীয় কেউ নেই যে আমার মোকাবিলা করতে পারে।’ শনিদেব ভেবেছিলেন এতে বজরংবলী ভয় পেয়ে যাবেন ও তাঁর কাছে ক্ষমা চাইবেন। শনিদেবের জ্বালায় বজরংবলী কিছুতেই ধ্যান করতে পারছিলেন না। অবশেষে বজরংবলী রেগে গিয়ে তাঁর লেজের মধ্য বেঁধে ফেলন শনিদেবকে। এরপর আছাড় মারতে থাকেন। এতে শনিদেব গুরুতর আহত হন। অবশেষে তিনি বলেন, ‘দয়া কর বানররাজ। ভবিষ্যতে আমি আপনার ছায়া থেকে দূরে থাকব।’ এর পর বজরংবলী বলেন, ‘আমার ছায়াই নয়, আমার ভক্তদের ছায়া থেকেও দূরে থাকবে।’ সেই থেকে শনিদেব বজরংবলীর ভক্তদের কক্ষনো কষ্ট দেন না।

আরও পড়ুন : বজরঙ্গবলীর প্রিয় দিনে জেনে নিন কীভাবে বুঝবেন আপনার উপর হনুমান জির আশীর্বাদ রয়েছে

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ঘনঘন হাত-পা ঝিনঝিন করছে? শরীরে কোন ভিটামিন কম, জানুন কি খাবেন….

গরমে অফিস লুক নিয়ে দুশ্চিন্তা? স্মার্ট ও প্রফেশনাল লুক পেতে মানুন এই সহজ টিপসগুলি

একসময় ছিল শ্মশানভূমি, এখন ভিড়ে ঠাসা পর্যটনকেন্দ্র! গুজরাটের এই বিচে কী এমন রহস্য লুকিয়ে?

সকাল না সন্ধ্যা, কখন ব্যায়াম করলে বেশি উপকার? জানালেন ফিটনেস বিশেষজ্ঞ

রাম মন্দিরে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়, মুসলিম মহিলাদের হাতে তৈরি সেই ‘প্যাড়া’ এখন বিশ্বখ্যাত

ভাইরাল এগ কফি নিয়ে সতর্কবার্তা, নিয়মিত খেলেই বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ