আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভাইফোঁটায় ভাইয়ের মৃত্যু কামনা করেন বোনেরা, জানেন কী কোন রাজ্যে এমন অদ্ভুত রীতি ?

নিজস্ব প্রতিনিধি :  বিশ্বের গোটা প্রান্তে নানানবাবে উদযাপিত হয় ভাইফোঁটা। ঐ যে কথা আছে বৈচিত্রে ভরা পৃথিবী। ভারতের মধ্যেও ভিন্ন ভিন্ন বৈচিত্রের রীতিনীতি পালিত হয় বিভিন্ন উৎসব ঘিরে। এই যেমন ধরুন,ভাইফোঁটাকে ঘিরে বিভিন্ন রীতি রয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে। তেমনই নামেও দেখা যায় ভিন্নতা। যেমন ভাইফোঁটাকে কোথাও যমদ্বিতীয়া, কোথাও আবার ভাতৃদ্বিতীয়া কোথাও ভাইবীজও বলা হয়। এই জন্যই বলা হয় বিচিত্র এই ভারতবর্ষ।

তবে প্রত্যেক বোন-দিদিরা ভাইয়ের মঙ্গল চেয়ে তাঁদের কপালে ফোঁটা এঁকে দেয়। ভাই যেন বেঁচে থাকে দীর্ঘদিন, জীবন কাটে সুখ-সমৃদ্ধিতে– এই তার সারকথা। কিন্তু তা বলে ভাইফোঁটার আচারে ভাইয়ের মৃত্যুকামনা! এমন রীতি শুনলে চমকে উঠবেন আপনি।হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন ভাইফোঁটায় ভাইয়ের মৃত্যুকামনা করে বোনেরা।

ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে এমনই প্রথা আছে। যেখানে ভ্রাতৃদ্বিতীয়ায় বোনেরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ভাই বা দাদার মৃত্যুকামনা করে। আবার সেই অভিশাপ দেওয়ার পরে নিজেরা প্রায়শ্চিত্তও করে। অবশ্য রেগে গিয়ে নয়, পুরোটাই রীতি মেনে! এর নেপথ্যে রয়েছে লোকবিশ্বাস। আজ রবিবার,ভাইফোঁটার দিন। আজকের দিনে জেনে নিন এই অদ্ভুত রীতির কথা।

জানেন কী বাঁ হাতের কড়ে আঙুল দিয়েই বোনেরা ফোঁটা দেয় কেন ?

ভারতের ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, বিহার ও উত্তর প্রদেশের কিছু এলাকার স্থানীয় রীতি রয়েছে ছত্তিশগড়ের যশপুর জেলার একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকেরা এই ঐতিহ্য মেনে চলে। এই এলাকাগুলির মানুষেরা মনে করেন, এক বার যমরাজ ঠিক করেছিলেন তিনি এমন এক ব্যক্তির প্রাণ নিতে যাবেন যার বোন তাঁর ভাইকে কখনো অভিশাপ দেয় নি। তাঁর বোন সর্বদা ভালবাসেন তাঁর ভাইকে, এমন এক ব্যক্তির প্রাণ হরণ করবেন যমরাজ। তবে এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। কেননা প্রত্যেক বোন তাঁর দাদার মঙ্গল কামনা করে। অমঙ্গল কামনা করে এমন সংখ্যা খুবই কম। এতে যমরাজের বেশ খানিকটা সুবিধা হল। এমন এক ব্যক্তিকে খুঁজে বেরও করে ফেললেন যমরাজ। মনে মনে স্থির করলেন ঐ ব্যক্তির আত্মা নিজের সঙ্গে নিয়ে যাবেন।

যেমন ভাবা তেমন কাজ। এরপর ঐ ব্যক্তির বাড়িতে এসে হাজির হলেন যমরাজ। এদিকে যেই ব্যক্তির প্রাণ নিতে এসেছে যমরাজ, তাঁর বোন ঐ ব্যক্তিকে খুব ভালবাসত। যমরাজ যে তাঁর ভাইকে মারতে চায় তা কোনভাবেই জানতে পেরে যায় ঐ বোন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ভাইকে যমরাজের থেকে বাঁচাতে নিজের ভাইয়ের অমঙ্গল চেয়ে বসে। অভিশাপ দিয়ে বসে তাঁর ভাইকে। এতে যমরাজও আর তার জীবন কেড়ে নিয়ে যেতে পারে নি। শেষ পর্যন্ত ঐ গৃহ ত্যাগ করেন যমরাজ। এখানকার স্থানীয়দের বিশ্বাস, এমনটা করলে নাকি যমের দুয়ারে সত্যি সত্যি কাঁটা দেওয়া যায়! যখন তখন যমরাজ তাঁদের ভাইয়ের প্রাণ নিতে পারবে না। তাই এই রীতি চলে আসছে যুগ যুগ ধরে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

১০০ বছরের পুরনো মহাকাল মন্দিরে,চারিদিকে সবুজের সমাহার,নেই শহরের কর্মব্যস্ততা

নিরামিষ নাকি আমিষ! কোন খাবার দিয়ে দিন শুরু হয় গুগলের CEO সুন্দর পিচাইয়ের?

৭১ বছর বয়সে নেট দুনিয়ার হিরো বনগাঁর আবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, নেটিজেনদের মন জয় ‘গান দাদু’র

সমুদ্রে ডাইভ করার সময় খেলেন কচ্ছপের ‘থাপ্পড়’! ভাইরাল ভিডিও দেখে হেসে লুটোপুটি নেটনাগরিকরা

একসময় ছিলেন NDA-র শিক্ষক, এখন মন্দিরে দিনযাপন! সময় বদলের নির্মম গল্প ভাইরাল

প্ল্যাটফর্মে ঘুমন্ত যাত্রীর পকেট থেকে চুপিসারে মোবাইল নিয়ে চম্পট, ক্যামেরায় ধরা পড়ল চোর!

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ