আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শান্তনুকে শান্ত করতে তৎপর দিলীপ! হতে পারে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি: তৃণমূলের ডাকে তৎপর হতেই হল বিজেপিকে, থুড়ি দিলীপ ঘোষকে। মাঠে নামতে হচ্ছে তাঁকে দলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে দলে ধরে রাখার জন্য। হেভিওয়েট নেতার মান ভাঙাতে করতে হতে পারে বৈঠকও। সেই রকমই ইঙ্গিত দিলেন দিলীপ ঘোষ নিজেই। নেপথ্যে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা মতুয়া সমাজের অন্যতম শীর্ষ নেতা শান্তনু ঠাকুরের ক্ষোভ। সম্প্রতি বঙ্গ বিজেপিতে সব কমিটিই নতুন করে গঠিত হয়েছে। আর সেখানেই ঘটেছে বিপত্তি। বিজেপির একাংশের অভিযোগ সেই কমিটিতে গুরুত্বই দেওয়া হয়নি মতুয়া নেতাদের। তার জেরে ইতিমধ্যেই বিজেপির ৫ মতুয়া বিধায়ক দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন। দলের সব সভা ও কর্মসূচীতেও যাওয়া বন্ধ করেছেন তাঁরা। এই অবস্থায় শান্তনু সহ ওই বিজেপি বিধায়কদের তৃণমূলে যোগ দিতে ডাক দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মঙ্গলবার তিনি সেই আহ্বাণ জানিয়েছেন আর মঙ্গল রাতেই দলের ওইসব বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন শান্তনু। তারপরে পরেই বুধ সকালে বিশেষ বার্তা দিলেন দিলীপ।

মতুয়া সমাজের বিজেপি নেতা থেকে জনপ্রতিনিধিদের মূল ক্ষোভ দলের রাজ্য কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতাকে স্থান দেওয়া হয়নি। আবার মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁ, রানাঘাট, কল্যাণী, নবদ্বীপ প্রভৃতি এলাকায় দলের কমিটিগুলিতেও মতুয়া নেতাদের গুরত্ব দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে গুরুত্ব পেয়েছেন দলের সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ নেতারা। এই ক্ষোভের জেরেই বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেড়িয়ে গিয়েছেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক পঙ্কজ কুমার মণ্ডল, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর ও কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায়। তারপরেও মতুয়াদের গুরুত্ব না দেওয়ায় চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ হন শান্তনু। তিনি শুধু দলের সাংসদ বা কেন্দ্রের প্রতিমন্ত্রীই নন, মতুয়া ধর্মসমাজের মূল স্তম্ভ ঠাকুরবাড়ির পরিবারের সদস্যও। তিনি মঙ্গলবার রাতে দলের সেই ক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন।

তার আগেই রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে জানিয়ে দেন, শান্তনু সহ বিক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়কেরা তৃণমূলে যোগ দিতে চাইলে দল তা অবশ্যই খতিয়ে দেখবে। আর সেই বার্তার পরে পরেই রাতে শান্তনুর ওই বিধায়কদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক বঙ্গ বিজেপির অন্দরে রীতিমত অস্বস্তি ছড়িয়ে দিয়েছে। তবে বুধবার সকালে দিলীপ ঘোষ জানান, ‘কোনও সমস্যা হলে সমাধানের জন্য লোকজন আছে। তাঁরাই দেখবেন। শান্তনু ঠাকুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ভাল কাজ করছেন। উনি যে বৈঠক করেছেন তাতে তো আমাকে ডেকে পাঠাননি। যারা গিয়েছিল তারাই বলতে পারবে ঠিক কী বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়েছে। মিটিং হতেই পারে। আমার মতো সবাই তো আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে মিটিং করে না। কেউ কাউকে বাড়িতে ডাকতেই পারেন। ডাকলে নিশ্চয় যাব।’ আর এই জায়গা থেকেই মনে করা হচ্ছে শান্তনুর ক্ষোভ প্রশমণে দ্রুত বৈঠক হতে পারে তাঁর ও দিলীপ ঘোষের মধ্যে। কেননা শান্তনু বা বিক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়কেরা তৃণমূলে চলে যান এমনটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইবেন না। সেই জায়গা থেকেই শান্তনুর ক্ষোভ প্রশমণে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে পদক্ষেপ করতে বলতে পারে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবে শান্তনু ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে দলের সাংগঠনিক পদে রদবদল না হলে পরিস্থিতি বিজেপির অনুকূলে থাকবে না।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কালীঘাট থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন

ভবানীপুরে শুভেন্দুর সভার মাইকের আওয়াজে নির্বাচনী জনসভা না করে ফিরে গেলেন ক্ষুব্ধ মমতা

বেলুড় বয়েজ হাই স্কুলের ডিসি সেন্টারে তুমুল উত্তেজনা, বিজেপি – তৃণমূল সংঘর্ষ

‘আইপ্যাকের লোকদের দেখলেই বেঁধে রাখুন’, কংগ্রেস কর্মীদের নিদান অধীরের

টার্গেট অভিষেক! দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই তিন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

রাজ্যে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯৩.১৯ শতাংশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ