চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মৌসম দলবদল করতেই ব্যাপক ভাঙন হাত শিবিরে, মালদাতেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নূর। মৌসম তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। আর সেই পদে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসে ফেরেন। পুরনো দলে ফিরেই মৌসম বার্তা দেন, কংগ্রেসকে শক্তিশালী করবেন। কিন্তু তার দু’‌সপ্তাহ কাটেনি খোদ মালদহে ভাঙন ধরল কংগ্রেসে। আর তাঁরা যোগ দিলেন তৃণমূলে। সুতরাং কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল। নতুন বছরে তৃণমূলকে বড় ধাক্কা দিয়েছে বলে মনে করে কংগ্রেস। কিন্তু অবশেষে দেখা গেল জোর ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল।

এদিকে খোদ মালদহের বৈষ্ণবনগর এলাকায় কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। কংগ্রেসে ফিরলেও মৌসমের ক্যারিশ্মা যে কাজ করল না সেটা এই ভাঙনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মৌসম বেনজির নূর, যিনি উত্তর মালদার সাংসদ, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি একদিকে দলকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করেছেন, অপরদিকে নিজের রাজনৈতিক পরিচিতিও বাড়িয়েছেন। কিন্তু এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি কংগ্রেসে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেটা কতটা সাফল্য পাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে মৌসমের কংগ্রেসে ফেরার সিদ্ধান্তকে অনেকেই রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে কংগ্রেসে ফেরার পর মালদহের বৈষ্ণবনগরে কংগ্রেসের ভিতরে বড়সড় ভাঙন ধরেছে। যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিস্তর সাড়া ফেলে দিয়েছে। মৌসম বেনজির নূর কংগ্রেসে ফিরতেই তাঁর কর্মী–সমর্থকরা এবং কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিতে শুরু করেছেন। বৈষ্ণবনগরে কংগ্রেসের মধ্যে বড় ভাঙন ধরেছে। প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মতিউর রহমান তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। বৈষ্ণবনগরের বিধায়ক চন্দনা সরকারের উপস্থিতিতে তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। আর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ৭০০ জন কর্মীও।

এছাড়া মৌসম বেনজির নূরের কংগ্রেসে ফিরে যাওয়ার ঘটনাটি তৃণমূলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, তিনি শুধু এক রাজনৈতিক নেত্রী নন, একটি বড় নির্বাচনী অঞ্চলের সাংসদ। তাঁর এই পদক্ষেপের ফলে কংগ্রেসের ভিতরে এক নতুন শক্তির উত্থান হতে পারে বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটা বাস্তবে মিলল না। তবে কংগ্রেসের মধ্যে এমন ভাঙন দেখা দেওয়ায় তাদের সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যখন একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী হয়ে উঠছে অপরদিকে কংগ্রেসের মধ্যে যদি এমন ধরনের ভাঙন অব্যাহত থাকে তাহলে রাজ্যের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বড় প্রভাব ফেলবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘বিজেপি প্রার্থীকে দলের কর্মীরাই মানছে না’, সবংয়ে মানস-অমলের তফাৎ বোঝালেন অভিষেক

মালদায় ভোটারদের নজর কাড়ার মরিয়া চেষ্টা ইংরেজ বাজারের সিপিএম প্রার্থীর

‘গণতন্ত্রে বুলেট নয়, ব্যালট চলে’, কোচবিহার থেকে কড়া বার্তা মমতার

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ