চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত Gold Hub হচ্ছে দাসপুরে, খুশি স্বর্ণশিল্পীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিনি যে কথা দেন, সেই কথা তিনি রাখেন। একবার নয়, বার বার সেই প্রমাণ পেয়েছেন বাংলার মানুষ। আরও একবার সেই কথা রাখার ঘটনার সাক্ষী থাকলেন বাংলার মানুষ। ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) পশ্চিম মেদিনীপুর(Paschim Midnapur) জেলা সফরে এসে ঘাটাল(Ghatal) মহকুমার স্বর্ণশিল্পীদের জন্য একটি Gold Hub তৈরির কথা ঘোষণা করেন। সেই ঘোষণার মাত্র তিনদিন পর ৯ অক্টোবর প্রায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্য থেকে বেশ কয়েক জন আধিকারিক ঘাটাল মহকুমায় Gold Hub তৈরির জায়গা দেখতে আসেন। বেশ কয়েকটি জায়গাও তাঁরা দেখে যান। শেষে দাসপুর(Daspur)-২ ব্লকের ফরিদপু্রে(Faridpur) থাকা একটি সরকারি জমি চূড়ান্ত হয়। এবার সেই জমিতে হাব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় Work Order ইস্যু করে দিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা শাসক খুরশেদ আলি কাদরি। প্রাথমিক ভাবে ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই হান নির্মাণের জন্য।

আরও পড়ুন কালিয়াগঞ্জের ঘটনায় হাইকোর্টের SIT’র বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রাজ্য

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মহকুমার ৫টি ব্লক ও ৫টি পুরসভার লক্ষাধিক যুবক সোনার কাজে রাজ্য ও দেশের বাইরে যান। এই ৫টি ব্লক হল দাসপুর ১ ও ২, চন্দ্রকোণা ১ ও ২ এবং ঘাটাল। অপরদিকে ৫টি পুরসভা হল ঘাটাল, ক্ষীরপাই, খড়ার, রামজীবনপুর ও চন্দ্রকোণা। এখানকার প্রায় ঘরে ঘরে স্বর্ণশিল্পীরা রয়েছেন যারা মুম্বই, গুজরাত, দিল্লি, গুঁরগাঁও এবং হয়দরাবাদে কাজ করেন। কাজের জন্য তাঁদের মাসের পর পাস পরিবার ছেড়ে দূরে পড়ে থাকতে হয়। এই সমস্যার সমাধানের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি Gold Hub তৈরির কথা ঘোষণা করেন। এবার সেই হাব তৈরির কাজ শুরু হতে চলেছে। অত্যাধুনিক এই হাবটিতে কনফারেন্স হল, ব্যাঙ্ক ব্রাঞ্চ, স্বর্ণশিল্পীদের প্রশিক্ষণ সেন্টার সহ একাধিক সুবিধা মিলবে। একই ছাদের তলায় সমস্তরকম সোনার গয়না তৈরি হবে। ওখানেই দেশ বিদেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা কাঁচামাল সরবরাহ করে উন্নত প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি গয়না নিয়ে যেতে পারবেন।  

আরও পড়ুন কোচবিহারে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ১০০৬ কোটি টাকার ঋণ টার্গেট

কার্যত মুখ্যমন্ত্রী যখন এই Gold Hub তৈরির কথা ঘোষণা করেন তখনই খুশির ঢেউ ওঠে দাসপুর-১ এবং দাসপুর-২ দুই ব্লকে। কারণ এই দুটি ব্লকেই সব থেকে বেশি স্বর্ণশিল্পীরা থাকেন। Gold Hub হলে তাঁরা অনেকেই বাড়ির কাছাকাছি থেকে কাজ করতে পারবেন। তাঁদের আর দিল্লি, গুজরাত, মুম্বইতে থাকতে হবে না। ওই হাবে গিয়েই তাঁরা কাজ করতে পারবেন। এই প্রকল্পটি নিয়ে বেশ আশাবাদী জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও। তাঁদের বক্তব্য, ফরিদপুরে যে ২ একর জমির ওপর এই হাব গড়ে উঠতে চলেছে সেই জমিটি রাজ্য সরকারের। তাই এই হাব গড়তে জমি নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। পাশাপাশি এই হাব গড়ে উঠলে তা স্থানীয় স্তরে সোনার গয়নার উৎপাদন এবং বাজার দুয়েরই পরিকাঠামো গড়ে উঠবে। সেখানে স্থানীয় দক্ষ শিল্পীদের কাজের সুযোগ বাড়বে। বিনিয়োগ বাড়বে। প্রচুর কাজের সুযোগ তৈরি হবে। এখানকার শিল্পীদের তখন আর বাইরের উপর নির্ভর করতে হবে না। স্থানীয় বাজারে কাজের সুযোগ তৈরি হলে বহু বেকার ছেলেদের স্বর্ণ শিল্পে কাজ করার প্রবণতা তৈরি হবে। মিটবে বেকার সমস্যাও।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ