আগাম আলোর রোশনাই! পুজোর আগেই চোখ ধাঁধাচ্ছে চন্দননগর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হুগলি নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা চন্দননগর শুধু ‘আলোর শহর’ হিসেবেই পরিচিত নয়, বাংলার ইতিহাসে ফরাসি ঐতিহ্যেরও এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। ফরাসি আমলের স্থাপত্য, স্ট্র্যান্ড, ক্লক টাওয়ার, ডুপ্লে কলেজ থেকে চার্চ, শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে ঔপনিবেশিক ইতিহাসের নানা নিদর্শন। এবার পুজোর আগেই সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে নতুন সাজে সেজে উঠছে  প্রাক্তন ফরাসডাঙা। শুরু হতে চলেছে তিন দিনের বিশেষ উৎসব। 

চন্দননগর স্ট্র্যান্ড রোডের পাশেই রয়েছে ফরাসি আমলের পুরনো রেজিস্ট্রি অফিস। একসময় এই ভবনেই আদালতের কাজ চলত। বর্তমানে মহকুমা অফিসের উল্টো দিকে থাকা ঐতিহাসিক ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেটিকে সংস্কার করে পুরনো ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের আদলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে। আগের সরকারের আমলে এই সংস্কারের জন্য মউ স্বাক্ষরিত হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ইতিমধ্যেই চন্দননগরের বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ, হুগলির অতিরিক্ত জেলাশাসক অনুজ প্রতাপ সিং এবং মহকুমা শাসক আশুতোষ কুমার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন। আগামী ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর তিন দিন ধরে চলবে এই উৎসব। স্ট্র্যান্ড রোড সাজিয়ে তোলা হচ্ছে আলোর মালায়। তৈরি হচ্ছে সাংস্কৃতিক মঞ্চ। হুগলি নদীর বুকে হবে বিশেষ আরতির আয়োজন। ১১ সেপ্টেম্বর উৎসবের সূচনায় উপস্থিত থাকার কথা রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের। পাশাপাশি ফরাসি রাষ্ট্রদূত এবং ফরাসি সরকারের প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ঐতিহাসিক হেরিটেজ রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কারকাজের শুভ সূচনাও করবেন পর্যটনমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: মাটি খুঁড়তেই মিলেছিল ক্ষুদ্র দেবীমূর্তি, নবদ্বীপে ২৭৩ বছর ধরে চলছে অভয় মা’য়ের পুজো

চন্দননগরের বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহের কথায়, শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং স্থাপত্যকে সংরক্ষণ করাই এখন অন্যতম লক্ষ্য। একসময় চন্দননগর বিপ্লবীদের আত্মগোপনের জায়গা হিসেবেও পরিচিত ছিল। ফ্রান্সের সঙ্গে শহরের যে দীর্ঘদিনের আত্মিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগ শুধু একটি উৎসবেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। চন্দননগরকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর পর্যটন পরিকল্পনার কথাও ভাবা হচ্ছে। হুগলিতে থাকা ইউরোপীয় ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলিকে একসঙ্গে নিয়ে তৈরি হতে পারে একটি ‘ইউরোপিয়ান সার্কিট’। ব্যান্ডেলে পর্তুগিজ, চুঁচুড়ায় ওলন্দাজ, চন্দননগরে ফরাসি এবং শ্রীরামপুরে ডেনিশ ঐতিহ্যের নিদর্শনগুলিকে যুক্ত করে হুগলি নদীকে কেন্দ্র করে রিভার ট্যুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, ব্যান্ডেল থেকে শ্রীরামপুর হয়ে ব্যারাকপুর পর্যন্ত আধুনিক ক্রুজ চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং নদীভিত্তিক পর্যটন সব মিলিয়ে চন্দননগরকে নতুন করে পর্যটনের মানচিত্রে তুলে ধরার প্রস্তুতি চলছে।

 

স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়! বানিয়ে ফেলুন কলকাতার বিখ্যাত ভেজিটেবল চপ

অনুব্রতদের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, শুভেন্দুর দরবারে পূর্ণদাস বাউল

দিল্লির ওখলায় অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত ১, আহত ৪

বিরিয়ানি নয়, গরম ভাতের সঙ্গেও জমবে চিংড়ির রায়তা! রইল সহজ রেসিপি

ব্যাঙ্কের সিন্দুকে রাখা ১৮ কোটির জাল নোট! PNB ম্যানেজারকে গ্রেফতার করল NIA

বাগবাজার সার্বজনীনের পুজো হবে? কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় উদ্যোক্তারা

অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে সাউথ সিটি সহ একাধিক শপিং মলে অভিযান দমকলের

সহজ রান্না, দুর্দান্ত স্বাদ! বানিয়ে নিন নিরামিষ বাঁধাকপির ঝোল

৫ ট্যাঙ্কার ধ্বংসের পরেই অত্যাধুনিক মার্কিন সাবমেরিন দখলের দাবি ইরানের, যা জানাল আমেরিকা…

আজ গোলপার্ক থেকে যাদবপুর ‘গেরুয়া সম্মান যাত্রায়’ হাঁটবেন মুখ্যমন্ত্রী

ভাদ্রের তৃতীয় সপ্তাহেও বর্ষার রেশ! আজ ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়

যাদবপুর কাণ্ডের জের সরিয়ে দেওয়া হল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ফাইন্যান্স অফিসারকে

আগাম আলোর রোশনাই! পুজোর আগেই চোখ ধাঁধাচ্ছে চন্দননগর

বেকারদের বায়োডাটা চেয়ে বিজেপি বিধায়কদের ফোন করছেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার! চাঞ্চল্য