এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




‘অন্য অনেকের থেকে জঙ্গলমহল আমি অনেক ভাল বুঝি’, দাবি মমতার

Courtesy - Facebook and Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: সংশয় যত না ছিল, তার থেকেও বেশি ছিল প্রশ্ন। আদৌ শান্ত হবে তো জঙ্গলমহল? আবারও শান্ত স্বাভাবিক হবে তো শাল-মহুয়ার বন? আবারও হাসি মুখে জঙ্গল-পাহাড়ে ঘুরতে আসতে পারবেন তো শহরেরবাবুরা? সব প্রশ্নের উত্তর আজ পেয়ে গিয়েছে জঙ্গলমহল(Jungalmahal)। পরিবর্তনের ১৩ বছর বাদে আজ হাসছেন জঙ্গলের জনতা। সেই জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম জেলার(Jhargram District) গোপীবল্লভপুরে(Gopiballavpur) শুক্রবার দুপুরে সভা করতে গিয়ে বাংলার অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বুঝিয়ে দিলেন, সত্যিই অন্য অনেকের থেকে জঙ্গলমহলকে তিনি অনেক ভাল বোঝেন, চেনেন, জানেন। তাই গোটা ভূ-ভারতে তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি মাওবাদীদের অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূলস্রোতে ফেরার আহ্বান জানিয়ে তার চূড়ান্ত সফল বাস্তবায়ন ঘটাতে পেরেছেন। বাংলাকে, জঙ্গলমহলকে, মাওবাদীদের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিএতে পেরেছেন। বন্ধ করতে পেরেছেন রক্তাক্ত খুনোখুনি।

এদিন গোপীবল্লভপুরের সভা থেকে মমতা অতীতের স্মৃতিতে ডুব দিয়ে বলেন, ‘লালগড়ে ছিতামনি মুর্মুর কান কেটে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় গুলিতে তিনজন মারা গিয়েছিল। তখন থেকেই আমার জঙ্গলমহলে আসা। সেটা ২০০৮ সাল। বাম জমানা। তখন ভয়ে কেউ জঙ্গলমহলে আসত না, তখন কিন্তু আমি এসেছি। জঙ্গলমহলে যার হাত ধরে ঢুকি, তার নাম ছত্রধর মাহাতো। ছত্রধর মাহাতোর হাত ধরে আমি প্রথম জঙ্গলমহলে ঢুকছিলাম। পিড়াকাটা, ভাদুতলায় আমাকে বহুবার আটকানো হয়েছে। তবু আমি থামিনি। বোমা-গুলি বারুদের গন্ধে ভারী হয়ে থাকত জঙ্গলমহলের বাতাস। দিনে রাতে পড়ত লাশ। পিঁপড়ের ঝোল খেয়ে মানুষ বেঁচে থাকত। আমি গিয়েছিলাম বেলপাহাড়ির জো গ্রামে। লুকিয়ে একটা স্কুটারে করে গিয়ে দেখেছিলাম, মানুষ কত কষ্টে জীবন নির্বাহ করেন। তাই অন্য অনেকের থেকে জঙ্গলমহল আমি অনেক ভাল বুঝি। তাই সরকার গড়ার পর প্রথম মিটিংটাও এই জঙ্গলমহলে করেছিলাম। ওই মঞ্চ থেকেই মাওবাদীদের অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূলস্রোতে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলাম। আগে পড়াশোনায় পিছিয়ে ছিল জঙ্গলমহল। আজ এখানে ছেলেমেয়েরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে, বড় বড় অফিসার হচ্ছে। এটা আমার গর্ব। সাঁওতালি ভাষাকে কেউ গুরুত্ব দিত না। আমরা এসে প্রথম এই ভাষাকে গুরুত্ব দিই। আমি সাঁওতালি আস্তে আস্তে শিখে নেব। অলিচিকিটা একটু শক্ত আছে। আমি চেষ্টা করেও ছিলাম। আস্তে আস্তে শিখে নেব।’

এরপরেই মমতা জোর দেন, কেন বিজেপির(BJP) বদলে তৃণমূলকে(TMC) ভোট দিতে হবে সেটা তুলে ধরার ওপরে। তিনি বলেন, ‘লোককে এসে বলছে বিনা পয়সায় চাল দিচ্ছি। শুধু মিথ্যা কথা। আমরা দিচ্ছি। টাকা নিয়ে নাটক তৈরি করে দেখাচ্ছে। বিজ্ঞাপনে বলছে বিনা পয়সায় গ্যাস পাবেন। কেউ কী পেয়েছেন? আজ এক হাজার টাকার উপর গ্যাসের দাম। এক হাজার টাকার গ্যাসে ফুটছে বিনা পয়সার চাল। বাহ নন্দলাল। No Guaranty। Only 420। ওরা একশোদিনের কাজে গরিব লোকেদের টাকা দেয় না। বাড়ি তৈরির টাকা দেয় না। সেই টাকা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে। লজ্জাও করে না। আমরা একশোদিনের টাকা দিয়েছি। একশোদিনের জব কার্ড হোল্ডাররা যাতে টাকা পায় তার জন্য আমরা একটা প্রকল্প চালু করেছি। আমাদের চোর বলছে, কিন্তু সবথেকে বড় চোর তো বিজেপি। দেশটাকে বেচে দিয়েছে। সব টাকা পকেটে ভরেছে। ভীষণভাবে মিথ্যা কথা বলে চেষ্টা করছে ভোট জেতার। ভোটে জিতলেই এনআরসি করে সবার ধর্ম বাতিল করে দেবে। ইউনিফর্ম সিভিল কোড করে সবার ধর্ম বাতিল করে দেবে। আদিবাসীদের অস্বিত্ব থাকবে না, কুড়মিদের অস্বিত্ব থাকবে না, হিন্দুদের থাকবে না, সংখ্যালঘুদের থাকবে। আর ইলেকশন করতে দেবে না। এটাই শেষ নির্বাচন হয়ে যাবে। যদি এনআরসি, সিএএ না চান, বিজেপিকে ভোট দেবেন না। বিজেপির মতো এত বড় চোর, ডাকাত কোথাও নেই। বিজেপির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। একসময যারা সিপিএমের হার্মাদ ছিল, তারাই এখন বিজেপি। জঙ্গলমহলে ওদের ঢুকতে দেবেন না। ওরা এলে আবার মা-বোনেদের কাঁদাবে। আবার গুলি ছুটবে। সব কিছু অশান্ত করে দেবে। যতদিন আমি রয়েছি ততদিন আদিবাসীদের কোনও অধিকার কেড়ে নিতে দেব না। জঙ্গলমহলের শান্তিও কাউকে নষ্ট করতে দেব না।’




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

১৩৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হওয়া দ্বিতীয় ঈশ্বরগুপ্ত সেতুই হবে রাজ্যের দীর্ঘতম

মুখ্যমন্ত্রীর ট্যুইট বার্তায় স্বস্তিতে বাংলাদেশ ফেরত পড়ুয়ারা

জেলায় এসেছিল ৩৪৭ কোটি, পড়ে আছে ২৪৭.০৮ কোটিরও বেশি

মালদার মহদীপুর আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরের সীমান্ত দিয়ে আমদানি – রপ্তানি বন্ধ

শিব পূজোয় মাতবেন বীরভূমের বক্রেশ্বর ধামের বাসিন্দারা

গোপনে নাবালিকা মেয়ের বিয়ে,বাড়ির সামনে ধর্না অবস্থান কন্যাশ্রী ক্লাবের

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর