চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হাওড়ার সালকিয়ায় জমা জলে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ার

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র ২২ বছর বয়সেই থেমে গেল জীবন। বাড়ির সামনে জমে থাকা জলে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া শহরের(Howrah City) সালকিয়া(Salkia) এলাকার মালিপাঁচঘড়া থানার(Malipanchghora PS) ভৈরব ঘটক লেনের বাসিন্দা সৌরভী দাসের। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর গোটা এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে খবর। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মালিপাঁচঘড়া থানার পুলিশ। ছাত্রীর মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। এলাকাবাসীর দাবি, CESC’র গাফিলতিতেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাই তাঁদেরকে এই মৃত্যুর(Death of M.Sc. Student) জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও CESC কর্তৃপক্ষ মুখ খোলেনি।

আরও পড়ুন জীবনবিমা আর স্বাস্থ্যবিমায় GST বিতর্কের মাঝেই জুলাইয়ে বাড়ল পণ্য ও পরিষেবা কর আদায়ের পরিমাণ

জানা গিয়েছে, সালকিয়ার বাঁধাঘাট মোড়ের কাছে তাঁতিপাড়ার বাসিন্দা সৌরভী বৃহস্পতিবার রাত ন’টা নাগাদ তার বোনের সঙ্গে একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে তাঁর বাবার দোকান। দোকানের সামনে হঠাৎই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে জলমগ্ন রাস্তায় ছিটকে পড়েন সৌরভী। তাঁর বাবা সেই সময় নিজের দোকানে বসে ব্যবসার কাজ করছিলেন। তিনি দৌড়ে এসে মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়েন। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তাঁকে ও সৌরভীকে গোলাবাড়ি থানা এলাকার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মালিপাঁচঘড়া থানার পুলিশ। CESC কর্তৃপক্ষকেও খবর দেওয়া হয়। তাদের কর্মীরা এসে এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করে দেন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, সৌরভীর বাবার দোকানের সামনেই বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে ঝুলছিল। সেখান থেকেই বিদ্যুৎপৃষ্টের ঘটনাটি ঘটেছে। মালিপাঁচঘরা থানার পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস আপাতত নেই

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, ভৈরব ঘটক লেনে সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে যায়। আর বর্ষা মানেই টানা জমা জলের মধ্যে যাতায়াতের ঝুঁকি। টানা বৃষ্টি হলে তো কোনও কথাই নেই। কার্যত গোটা এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে স্থানীয় এলাকা। প্রায় হাঁটু জল পার করেই চলাচল করতে হয় এলাকার লোকজনকে। এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ঢুকলেও সেই জল পার করেই আসতে হয়। সৌরভী এমএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ভৈরব ঘটক লেনের তাঁর বাড়ির সামনেও হাঁটু জল জমে থাকে। সেই জলেই যে মরণফাঁদ পাতা ছিল, এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না দাস পরিবার। এখনও অবধি যা খবর পাওয়া গিয়েছে তাতে সৌরভীদের বাড়ির সামনে নির্মীয়মাণ বাড়ির বিদ্যুতের তার থেকেই দুর্ঘটনা ঘটে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

শেক্সপিয়ার সরণীর গঙ্গা – যমুনা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে প্রচারে মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

বুলডোজার নীতিতে বিশ্বাসী নই, যোগী আদিত্যনাথের উল্টো সুর শমীকের গলায়

‘বাঙালি’ ওসিদে’র চাকরি খেয়ে নেওয়ার হুমকি ‘অবাঙালি’ মনোজ আগরওয়ালের

সিভিক ভলান্টিয়ার–ভিলেজ পুলিশ–গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নয়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ