চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বর্ধিত হারে পেনশনের জন্য আবেদন প্রায় সাড়ে ১৭ লক্ষ, অথচ পাচ্ছেন মাত্র ৮ হাজারের সামান্য বেশি

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: মোদি(Narendra Modi) জমানায় আরও দীর্ঘ হচ্ছে বঞ্চনার তালিকা। দেশের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বর্ধিত পেনশন(Enhanced Pension) নিয়েই অনীহা এখন চরমে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় সরকারের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, বর্ধিত হারে পেনশনের সুযোগ দিতে হবে পিএফ গ্রাহকদের। সেই নির্দেশ মেনে ২০২২ সালে সেই প্রক্রিয়া শুরুও হয়। কিন্তু শুনলে চমকে উঠবেন গত ২ বছরে বর্ধিত পেনশনের জন্য প্রায় সাড়ে ১৭ লক্ষ আবেদন জমা পড়লেও এখনও পর্যন্ত ৮ হাজারের সামান্য বেশি সংখ্যক প্রবীণ নাগরিক বর্ধিত পেনশনের ওই সুবিধা পেয়েছেন। যার জেরে এখন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নয়া ওভিযোগ উঠেছে যে, ইচ্ছাকৃতভাবে জটিল শর্ত আরোপ করে বর্ধিত পেনশনে রাশ টানা হচ্ছে। গোড়া থেকেই কার্যত এইসব জটিল শর্ত আরোপ করা হয়েছে বেশ পরিকল্পনা মাফিক যাতে বর্ধিত পেনশন কম দিতে হয়।

আরও পড়ুন, রেশন দুর্নীতিতে ফেঁসে সাড়ে ৭ কোটির জরিমানার মুখে বালু ঘনিষ্ঠ ডিলার তথা তৃণমূল নেতা

দেখা যাচ্ছে, বর্ধিত হারে পেনশন পাওয়ার শর্তগুলি অত্যন্ত জটিল। প্রথমত, কর্মদাতা সংস্থার অনুমতি দরকার। বেশিরভাগ আবেদনকারীই সেই অনুমতি জোগাড় করতে পারেননি। যারা সেই No Objection Certificate বা NOC জোগাড় করতে পেরেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আবার টালবাহানা শুরু হয়েছে ফর্মের Scrutiny-তে। তার জেরে দেখা যাচ্ছে, মাসের পর মাস তাঁদের ফর্ম পড়ে থেকেছে। ক্যালেন্ডারের পাতা যত উল্টেছে, ততই শক্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশাসনিক ফাঁস। আর আটকে গিয়েছে লক্ষ লক্ষ আবেদনকারী প্রবীণ নাগরিকের পেনশন। যাদের আবেদন আবার গৃহীত হয়েছে, তাঁদের সমস্যা দু’রকমের। আবেদনকারীদের একাংশের অভিযোগ, যাদের প্রশাসনিক কাজ অনেকটাই শেষের পথে, তাঁদের কাছে Demand Notice গিয়েছে এবং সেই মতো টাকা চাওয়া হয়েছে। বর্ধিত হারে পেনশনের জন্য যারা আবেদন করেছেন এবং কর্মজীবনে তাঁরা সেই অনুপাতে পেনশন ফান্ডে টাকা জমা করেননি, তাঁদের সেই টাকা জমা করার জন্য Demand Notice পাঠানোর কথা। দেখা যাচ্ছে, নোটিস অনুযায়ী টাকা মেটানোর পরও মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে। বর্ধিত হারে পেনশন কিন্তু তাঁরা পাচ্ছেন না।  

আরও পড়ুন, ভোটপ্রচারে নয় বড় বড় জনসভা, পরিবর্তে বাড়ি বাড়ি প্রচার, নয়া রণকৌশল তৃণমূলের

আবার কেউ কেউ এমন আছেন, যাদের টাকা পাওয়ার কথা মে মাস থেকে। অথচ তাঁরা পেতে শুরু করেছেন অক্টোবরে। মাঝের ৫ মাস তাঁরা পুরনো হারেই পেনশন পেয়েছেন। অর্থাৎ, মাঝের এই কয়েক মাস মিলিয়ে বেশ কয়েক হাজার টাকা যে তাঁরা পেলেন না, তার কী হবে? সরকার নিমরাজি হয়ে এরিয়ার দিলেও সুদ কিন্তু দেবে না। আবার এটাও দেখা যাচ্ছে, সব নথিপত্র ‘ক্লিয়ার’ হয়ে গেলেও, Demand Notice পাঠাচ্ছে না পিএফ দফতর। সেই গাফিলতির জন্য আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে আবেদনকারীদের। বহু আবেদনকারী অভিযোগ করছেন, মাসের পর মাস কেটে গেলেও, তাঁরা Demand Notice পাচ্ছেন না। এটা হচ্ছে স্রেফ পিএফ দফতরের গাফিলতির জন্য। অথচ যে ক’মাস পর ওই নোটিস আসবে, সেই ক’মাসের সুদের বোঝা চাপবে আবেদনকারীরই ঘাড়েই। কেননা দেখা যাচ্ছে, কোনও আবেদনকারীকে ৩০ লক্ষ টাকা Demand Notice বাবদ জমা করতে হবে। ৫ মাস পর সেই নোটিস এলে, মাস পিছু ১০ হাজার টাকা করে সুদ বাবদ ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে তাঁকে। এই ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ কে দেবে? কেউ না। মোদি সরকার তো নয়ই। অথচ এখানে অবেদনকারীর কোনও দোষই নেই।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অফিস টাইমে ফের মেট্রো বিভ্রাট, চূড়ান্ত ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ