চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সাসপেনশনের বিরুদ্ধে আদালতমুখী শুভেন্দু সহ ৬ বিজেপি বিধায়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল, এবার সেটাই বাস্তবায়িত করার ভাবনাচিন্তা শুরু হয়ে গিয়েছে বঙ্গ বিজেপির(BJP) অন্দরে। রাজ্য বিধানসভায়(State Assembly) হাঙ্গামার অভিযোগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির ৬ বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়(Biman Banerjee)। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন ওই ৬ বিধায়ক। যদিও এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আইনজ্ঞের পরামর্শ এবং আলাপ-আলোচনা চলছে বলেই জানা গিয়েছে। শুভেন্দু সহ যে ৬ বিধায়ক আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপি পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা, শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, জয়পুরের বিধায়ক নরহরি মাহাত, ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন, নাটাবাড়ির বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী এবং পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়।

বঙ্গ বিজেপি সূত্রে জানা জ্ঞিয়েছে, বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে হাঙ্গামার অভিযোগ তুলে শুভেন্দু সহ ৪ বিজেপি বিধায়ককে চলতি বছরের সব অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করেছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। একই সঙ্গে রাজ্যপালের বাজেট বক্তৃতার দিন গোলমালের অভিযোগে সাসপেন্ড হওয়া নাটাবাড়ির বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী ও পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়কেও একই শাস্তি দিয়েছে অধ্যক্ষ। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই বিজেপির পরিষদীয় দল এবার আদালতে মামলা দায়ের করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলা দায়েরের ঘটনায় তাঁদের অস্ত্র হতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়। ২০২১ সালের জুলাই মাসে মহারাষ্ট্র বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল ১২ জন বিজেপি বিধায়ককে। ‘অসংসদীয়’ আচরণের অভিযোগে তাঁদের এক বছরের জন্য বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয়। মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) দ্বারস্থ হন শাস্তিপ্রাপ্ত বিধায়করা। চলতি বছর জানুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের সাসপেনশন বাতিল করে দেয়। সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চে বিচারপতি এ এম খান উলকর, বিচারপতির দীনেশ মহেশ্বরী ও বিচারপতি সিটি রবিকুমার ওই রায় দেন।

সেই রায়কে সামনে রেখেই এবার বিজেপি পরিষদীয় দল মামলা দায়ের করার চিন্তাভাবনা করছে। তবে সেই মামলা কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হবে নাকি সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হবে সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গে বিজেপির বিধায়ক মিহির গোস্বামী(Mihir Goswami) জানিয়েছেন, ‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এই ভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করে রাখা যায় না। কারণ, তাঁরা মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিধানসভায় মানুষের কথা বলতে এসেছেন। তাই বিধায়কদের অধিকারের জন্য আমরা লড়াই করব। সেই লড়াই করতে যতদূর পর্যন্ত যেতে হয়, বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে আমরা ততদূর পর্যন্ত যাব।’ উল্লেখ্য ওই ৬ বিধায়ককে শুধু যে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাই নয়, রাজ্য বিধানসভার ভিতরের অলিন্দ বা তাঁর নিজের ঘরেও বিরোধী দলনেতা ঢুকতে পারবেন না বলে তাঁকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের জন্য দৈনিক বরাদ্দ ভাতাও বিরোধী দলনেতা বা সাসপেনশনে-থাকা কোনও বিধায়ক পাবেন না।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

বুলডোজার নীতিতে বিশ্বাসী নই, যোগী আদিত্যনাথের উল্টো সুর শমীকের গলায়

‘বাঙালি’ ওসিদে’র চাকরি খেয়ে নেওয়ার হুমকি ‘অবাঙালি’ মনোজ আগরওয়ালের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ