আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বামেদের ডাকা বন্‌ধে স্বাভাবিক কলকাতার জনজীবন

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির বিরুদ্ধে সোম ও মঙ্গলবার দেশব্যাপী বন্‌ধের(Strike) ডাক দিয়েছে ইউনাইটেড ফ্রন্ট অফ সেন্ট্রাল ট্রেড ইউনিয়ন। ওই ফ্রন্টে রয়েছে আইএনটিইউসি, এআইটিইউসি, এইচএমএম, সিটু, এআইইউটিইউসি, টিইউসিসি, এআইসিসিটিইউ, এলএফপি এবং ইউটিইউসি-সহ একাধিক বাম শ্রমিক সংগঠন(Left Unions)। তাঁদের ডাকা বন্‌ধের জেরে এই দুইদিন ব্যাহত হতে চলেছে ব্যাঙ্ক ও পরিবহণ ক্ষেত্র। কেননা এই বন্‌ধকে যেমন সমর্থন জানিয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, তেমনি সমর্থন জানিয়েছে রেল এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের কর্মী সংগঠনগুলিও। বন্‌ধের সমর্থনে সরব হয়েছে বিমা-সহ আর্থিক ক্ষেত্রের বিভিন্ন সংগঠন। কয়লা, লোহা, টেলিকম, তেল, ডাক, আয়কর, তামা ক্ষেত্রের শ্রমিক সংগঠনগুলিও এই দুই দিনের ধর্মঘটে যোগ দিয়েছে। তবে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ডাকা এই বন্‌ধকে সমর্থন জানায়নি বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার এবং মঙ্গলবার সরকারি কর্মীদের অফিসে যেতেই হবে।

এদিন সকাল থেকেই অবশ্য কলকাতা(Kolkata) জুড়ে পিকেটিং, অবরোধ, মিছিল করার চেষ্টা করেন বামপন্থীরা। কিন্তু কথাও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। গোলপার্ক এলাকায় গার্ডরেল ভাঙেন বন্‌ধ সমর্থনকারীরা। ধর্মঘটীদের সঙ্গে সেখানে পুলিশের বচসা বাঁধে। পুলিশেরই গার্ডরেল ব্যবহার করে, টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা আটকানোর চেষ্টা করেন ধর্মঘটীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ(Police) এলে বচসা শুরু হয়। পরে অবশ্য ধর্মঘটীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে বন্‌ধ সমর্থনকারীদের বচসা বাধে লেকটাউন কালিন্দি এলাকায়। সেখানে যশোর রোডে জোর করে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করেন বন্‌ধ সমর্থনকারীরা। তার জেরে সেখানে বেশ কয়েকজনকে আটকায় পুলিশ। দমদম মেট্রো স্টেশনে বন্‌ধের সমর্থনে বিক্ষোভ নামেন বাম কর্মী সমর্থকরা। যদিও প্রচুর পুলিশ সেখানে মোতায়েন করা রাখায় ধর্মঘটীরা বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারেনি। তাঁরা শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন। দিচ্ছেন শ্লোগান। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষকে ধর্মঘটের কারণ বোঝানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। তবে স্বাভাবিক রয়েছে ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা।

যাদবপুর এইট-বি বাস স্ট্যান্ড থেকে সুলেখা মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন বাম সমর্থকেরা। সেই মিছিল থেকেই কেউ কেউ সুকান্ত সেতু অবরোধ করার চেষ্টা করে কিছু যুবক। তবে পুলিশি তৎপরতায় তা বানচাল হয়। বাগুইআটি এলাকায় ৪৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের সামনে ভিআইপি রোডে শুয়ে পড়ে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করেন ধর্মঘটীরা। শিয়ালদা ও যাদবপুর স্টেশনে এদিন ট্রেন(Train) অবরোধের ঘটনা ঘটে। তবে সেখানেও রেল পুলিশের তৎপরতায় অবরোধ তুলে নিতে বাধ্য হন ধর্মঘটীরা। তবে এইসবের মাঝেই কিন্তু কলকাতাজুড়ে জনজীবন স্বাভাবিকই রয়েছে বলে ছবি ধরা পড়েছে। যদিও রাস্তায় বাসের পরিমাণ বেশ কম। শহরে খোলা রয়েছে প্রায় সব দোকানবাজার, শপিং মল, সরকারি ও বেসরকারি অফিস। কার্যত শহরের অনেক মানুষই জানেন না পর পর দুই দিন বনধ ডেকেছে বামেরা। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কলকাতায় দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে রাস্তায় নামছে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

হাতে মাত্র আর ২ ঘণ্টা, মদের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন সুরাপ্রেমীদের

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিন বঙ্গের ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সর্তকতা জারি

বিজেপির হয়ে কলকাতায় প্রচারে আসছেন রাঘব চাড্ডা, হতে পারেন কেজরিওয়ালের মুখোমুখি

সল্টলেকের গোপন ডেরায় বিজেপির ভিন রাজ্যের লোকজন, সুজিত বসুর অভিযোগে অ্যাকশন

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ