দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রেডরোডে স্বাধীনতার সকালে সম্মাণিত পুলিশ থেকে আধিকারিক

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ দেশের ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবস(Independence Day)। সেই উপলক্ষ্যে কলকাতার(Kolkata) রেড রোডে(Red Road) বসেছিল কুচকাওয়াজের আসর। সেই কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে অবশ্য তিনি ট্যুইট করে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা দেন রাজ্যবাসীকে। তিনি লেখেন, ‘’নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি, পিতঃ, ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত। আমার সমস্ত মা, ভাই, বোনকে ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’ এদিন গান্ধিমূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে রেড রোড ধরে পায়ে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর সেখানে পতাকা উত্তোলন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন ২৪’র বইমেলা শুরু ১৮ জানুয়ারি থেকে, চলবে ১৪দিন ধরে

এদিনের অনুষ্ঠান শুরু দিকেই মুখ্যমন্ত্রী ভাল কাজের জন্য কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকদের(IPS Officers) পুরষ্কার দিয়ে সম্মাণিত করেন। সেই সঙ্গে সম্মাণিত করা হয় ১১জন প্রশাসনিক আধিকারিককেও(IAS Officers)। এই প্রথম রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের পুরষ্কার দিয়ে সম্মাণিত করার রীতি চালু করল রাজ্য সরকার। এদিন Chief Ministers Police Medal for Outstanding Service পেলেন পুলিশের Western Zone’র ADG এবং IGP ত্রিপুরারি অথর্ব। Chief Ministers Police Medal পেলেন আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার ওয়াই রাজবংশী, হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার স্বাতী ভাঙ্গালিয়া, পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার এবং হুগলি গ্রামীণের পুলিশ সুপার আমনদীপ। অন্যদিকে যে ১১জন সরকারি প্রশাসনিক আধিকারিক এদিন পুরষ্কৃত হয়েছেন তাঁরা হলেন, ‘বি পি গোপালিকা, বিবেক কুমার, মনোজ পন্থ, প্রভাত মিশ্র, সংঘমিত্রা ঘোষ, নারায়ণস্বরূপ নিগম, শান্তনু বসু, পি বি সেলিম, শরৎকুমার দ্বিবেদী, মুক্তা আর্য ও বিধান রায়।

আরও পড়ুন বিদ্যাসাগর সেতুর সংস্কারের জন্য ১ সপ্তাহের যান নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনা

এই পুরষ্কার প্রদানের পরেই শুরু হয় কুচকাওয়াজ। খোলা জিপে অভিবাদন মঞ্চের দিকে ধীর গতিতে এগিয়ে আসেন প্যারেড কমান্ডার কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার ট্রাফিক জয়েন্ট সিপি ট্রাফিক আইপিএস রূপেশ কুমার। এরপর একে একে আসে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বাহিনী। এ বছরই প্রথম রেড রোডের অনুষ্ঠানে ট্যাবলো নিয়ে মার্চে যোগ দেয় গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডারস ও ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরি। এছাড়াও স্কুল পড়ুয়াদের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয় কোচবিহার জেলা থেকে আসা রাজবংশী শিল্পীরা। জঙ্গলমহলের আদিবাসী শিল্পীরাও ধামসা মাদল নিয়ে যোগ দেন। দার্জিলিং জেলা থেকে খুকরি নৃত্যশিল্পীরাও অংশ নেন এদিনের অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি নজর কাড়ে কলকাতা পুলিশের সেভ ড্রাইভ সেফ লাইফ ট্যাবলো, সম্প্রীতি ও একতার বার্তাঅতুলে ধরা তথ্য সংস্কৃতি বিভাগের ট্যাবলো, কলকাতার দুর্গাপুজো, নারী ও শিশুবিকাশ ও সমাজকল্যাণ দফতরের ট্যাবলো যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে তুলে ধরা হয়। ছিল দুয়ারে রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, সবুজসাথী, খেলা হবে প্রভৃতি বিষয়ের ট্যাবলো।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

‘ছাত্র আন্দোলন কখনও গণতন্ত্রের বিরোধী হতে পারে না’, যাদবপুর নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার

ভোটার নন, তবু ভোটের কাজে! সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বাংলার ৬৫ ভোটকর্মী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ