আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় গুদাম নিয়ে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর! জানালেন মেয়র

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৬ ঘন্টার পরে অবশেষে নিয়ন্ত্রণে এল কলকাতার(Kolkata) ট্যাংরা(Tangra) এলাকার মেহের আলি লেনের বিশাল গুদামে লাগা আগুন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার সময় লাগা আগুন রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপরেই ওই গুদামে ‘কুলিং প্রসেস’ শুরু করেছে দমকল। সেই কাজ শেষ হলেই সেখানে যাবেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা তাঁরা পাঠাবেন পরীক্ষার জন্য। গুদামে ঠিক কী মজুত ছিল এবং কোন কারণে আগুন এতক্ষণ ধরে জ্বলছিল সেটাই খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল ছাড়লেই শুরু হবে ওই গুদামের পাঁচিল ভাঙার কাজ। আর ট্যাংরার এই ঘটনার পরেই রবিবার কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে বিশেষ এক নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)।

রবিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফিরহাদ(Firhad Hakim) জানান, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমাকে একটা বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় এই ধরনের কত গুদাম রয়েছে, সেখানে কোন ধরনের জিনিস মজুত রাখা হচ্ছে আর সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে তিনি উচ্চপর্যায়ের এক কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। দমকলকে মাথায় রেখে পুলিশ ও পুরনিগমকে নিয়ে ওই ফায়ার সেফটি অডিট কমিটি গড়ে তোলা হবে।’ এদিকে ট্যাংরার ঘটনার পর বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। ঘিঞ্জি এলাকায় দাহ্য বস্তু মজুত করে এরকম একটা গুদাম চলছিল কী করে? গুদামে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কী? গুদামের মালিক কোথায়? আগুনই বা লাগল কীভাবে? এই সব প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজে চলেছেন দমকল ও পুলিশের আধিকারিকেরা। এদিন সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল৷ কথা বলেন দমকল কর্মীদের সঙ্গে৷ পরে সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রশ্নের উত্তরে সিপি জানান, ‘আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে ফায়ার ডিপার্টমেন্ট গুদাম মালিকের বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নিতে বলবে তাই নেওয়া হবে৷ তবে কী কারণে আগুন লেগেছে বা গুদামে কী মজুত ছিল তা এখনই বলা সম্ভব নয়। ফরেন্সিক রিপোর্টেই সেতা বোঝা যাবে।’

এদিকে দমকলের আধিকারিকেরা প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছেন, ওই গুদামে মূলত মজুত ছিল রেক্সিনজাত জিনিস। আর সেই রেক্সিনের মধ্যেই থাকা সেলুলোজ নাইট্রেট, ক্যামফর অয়েল আর অ্যালকোহল এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুনকে দীর্ঘক্ষণ ধরে জ্বালিয়ে রেখেছিল। কেননা যতক্ষন এই ৩ রাসায়নিকের উপস্থিত থাকবে আগুন ততক্ষণ জ্বলবে। আর সেই কারণেই গতকাল সন্ধ্যা থেকে আগুন নেভাতে হিমসিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। একই সঙ্গে পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে এদিন ভোরে কারা দমকলকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে ও তা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে। কেননা সেলুলোজ নাইট্রেট আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। যদি সেই রাসায়নিক ওই গুদামে মজুত করে রাখা হয়ে থাকে তাহলে তার পরিমাণ কত ছিল আর কেনই বা তা রাখা হয়েছিল সেটাই এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফিরহাদ হাকিমও এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘রেক্সিন(Rexin) ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে পুড়ে যায়। তাই রেক্সিন থাকলে আগুন ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসত। কিন্তু এতক্ষণ ধরে জ্বলত না। ফরেন্সিক রিপোর্টেই বোঝা যাবে ওখানে ঠিক কী জিনিস মজুত করে রাখা হয়েছিল।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ঠনঠনিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তর কলকাতার রোড শোয়ে ঝড় তুললেন মোদি

পুলিশ আবাসনে বিনাঅনুমতিতে ভোটপ্রচার শুভেন্দুর, কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

বাংলায় নির্বাচনে বিজেপি হারলে নরেন্দ্র মোদিজি কি ইস্তফা দেবেন, প্রশ্ন কেজরিওয়ালের

‘বিজেপির মতো ভেদাভেদের রাজনীতি করি না’, সুর চড়ালেন মমতা

‘দ্বিতীয় দফাতেও ১০০- র বেশি আসনে জিতব’, আত্মপ্রত্যয়ী মমতা

‘ভোটারদের ভয় দেখালে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে,’ সমন্বয় বৈঠকে কড়া বার্তা কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ