২৪-এ কী মিলবে ১৯-এর সাফল্য! প্রশ্ন বঙ্গ বিজেপিতে

বঙ্গ বিজেপিতে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে আদৌ উনিশে জেতা ১৮টি আসন ২৪ এর ভোটে কী ধরে রাখা যাবে? নাকি সেখানেই ওয়াশআউট হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র! বাংলা ধাক্কা দিলে মোদি পারবেন তো যোগীর হাত ধরে দিল্লির গদিতে টিকে থাকতে? প্রশ্ন উঠেছে খোদ বঙ্গ বিজেপির অন্দরেই। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজনীতির ময়দানে উত্থান পতন থাকে। কিন্তু বিরোধী হিসাবে বিচরণের সময় শাসকের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে সাফল্যের মুখ দেখ খুব কঠিন। কিন্তু তার থেকেও কঠিন সেই সাফল্যকে ধরে রাখা। সেটাই এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। ২০১৯ সালে বাংলার মাটি থেকে তাঁরা প্রথমবারের জন্য একক শক্তিতে বড়সড় জয়ের মুখ দেখেছিলেন লোকসভার নির্বাচনে। সেই সময় রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসকে টেক্কা দিয়ে তাঁরা রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টি ছিনিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু সেই জয়ই ছিল প্রথম আর শেষ জয়। এর পরে যত নির্বাচন হয়েছে প্রতিটি ক্ষেত্রে তৃণমূলের কাছে চূড়ান্ত ভাবে পর্যদুস্ত হয়েছে গেরুয়া বাহিনী। একুশের বিধানসভা নির্বাচন তো বটেই তারপরে হয়ে যাওয়া ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন ও ৫টি পুরনিগমের নির্বাচনেও হারের মুখ দেখতে হয়েছে বিজেপিকে। শুধু হারই নয়, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসাবে উঠে আসা বিজেপি এখন যে ক্রমশ রাজ্যের প্রান্তিক রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে সেটাই যেন বার বার বলে দিচ্ছে এইসব নির্বাচনের ফলাফল। আর এই অবস্থায় বঙ্গ বিজেপিতে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে আদৌ উনিশে জেতা ১৮টি আসন ২৪ এর ভোটে কী ধরে রাখা যাবে? নাকি সেখানেই ওয়াশআউট হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র!

এই প্রশ্ন ওঠার কারণ বঙ্গ বিজেপির বর্তমান ছন্নছাড়া দশা। দল কার্যত বহু শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে। কোনও শিবিরই বিরোধী শিবিরকে পাত্তা না দিয়ে নিজের মতো করে কাজ করে চলেছে। প্রকাশ্যে রীতিমত ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’ চলছে। বঙ্গ বিজেপির অন্দরের এই কোন্দলে তিতি বিরক্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ থেকে শুরু করে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। এর সঙ্গে গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে, একের পর এক হারের ধাক্কা। শুধু হারের ধাক্কাই বা কেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের যে ১০৮টি পুরসভায় যে নির্বাচন হতে চলেছে সেই নির্বাচনের আগেই একের পদ এক ধাক্কা খাচ্ছে পদ্মশিবির। কোথাও তাঁরা প্রার্থী দিতে পারছে না তো কোথাও প্রার্থী দিয়েও নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছে সেই প্রার্থী। কোথাও আবার পদ্মপ্রার্থী দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছে। কার্যত এই ছবিই বলে দিচ্ছে বিজেপি হাল এখন বাংলাজুড়ে ঠিক কতটা বেহাল। এই ড্যামেজ কন্ট্রোলের কোনও উদ্যোগই দেখা যাচ্ছে না কী বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের তরফে কী দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে। স্বাভাবিক ভাবেই দল ছাড়ার প্রবণতা যেমন তুঙ্গে উঠেছে তার থেকে বেশি দেখা যাচ্ছে দলের কাজকর্ম থেকে হাতগুটিয়ে ঘরে বসে থাকতে দলেরই নীচুতলার নেতাকর্মীদের।

এই কারণেই প্রশ্ন উঠেছে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপি যে সাফল্যের মুখ দেখেছে তা কী আর আদৌ মিলবে ২০২৪ এর ভোটে? যে ১৮ আসন বিজেপির পকেটে ঢুকেছে সেই সব আসন কী আর ধরে রাখা যাবে? যদিও রাজ্যের বিভিন্ন নির্বাচনের ফল আর বিভিন্ন সমীক্ষা কিন্তু অন্য কথাই বলছে। ২০১৯ সালে বিজেপি যে ১৮টি আসন এই রাজ্য থেকে জিতেছিল তার মধ্যে ব্যারাকপুর, হুগলি, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, আসানসোল, বাঁকুড়া, বর্ধমান-দূর্গাপুর, উত্তর মালদা, রায়গঞ্জ ও জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে একুশের বিধানসভার ভোটেই এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, বালুরঘাট, পুরুলিয়া ও বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে একুশের ভোটেও এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তাঁরা এগিয়ে রয়েছে বনগাঁ ও রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রেও। কিন্তু এই ৯টি কেন্দ্রেরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে। যেমন নিশীথ প্রামাণিক জিতেছেন যে কোচবিহার কেন্দ্র থেকে সেই কোচবিহারের দিনহাটা পুরসভায় বিজেপি প্রার্থীই দিতে পারেনি। অথচ দিনহাটা নিশীথের নিজের শহর। বনগাঁ ও রানাঘাট মতুয়া অধ্যুষিত দুই কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মতুয়া সমাজের মাথা তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর কতদিন বিজেপিতে থাকবেন তা প্রশ্নের মুখে। এই যদি অবস্থা হয় তাহলে হাতে থাকবে তো শুধুই শূন্য। বাংলা ধাক্কা দিলে মোদি পারবেন তো যোগীর হাত ধরে দিল্লির গদিতে টিকে থাকতে? তাই প্রশ্ন উঠেছে খোদ বঙ্গ বিজেপির অন্দরেই। 

শেষ রক্ষা হল না, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মা-বাবার সমাধিস্থলে চারা রোপণ করলেন মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো

অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ৩০০০ টাকা পেয়ে হতবাক গ্রামীণ চিকিৎসক

তৃণমূলের ডামাডোলে পোয়াবারো কংগ্রেসের, মেখলিগঞ্জ পুরসভার দখল নিল

তৃণমূল বিধায়ককে দেখে ‘চোর-চোর’ শ্লোগান, পুলিশি পাহারায় এলাকা ছেড়ে পালালেন

তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের নিজস্ব ক্লাব ঘর থেকে উদ্ধার সরকারি কৃষি সামগ্রী, ত্রিপল, কম্বল

বিহারে বিজেপির হয়ে বিধান পরিষদের ভোটে লড়ছেন ভোজপুরি নায়ক পবন সিংহ

বিদ্রোহীদের কাছে মাথা নোয়ালেন না মমতা, ফের স্বপদে বহাল অভিষেক

বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে সোমবার হাইকোর্টে যাচ্ছে তৃণমূল

দিল্লিকে চাপে রাখতে এবার ‘ভারত-শত্রু’ তুরস্কের সঙ্গে সামরিক চুক্তি তারেকের

কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ইস্তফা ফিরহাদের

স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতারের পর সুরুচি সংঘে ভাঙচুর, মিলল খাট-বিছানা

ভোটের আগে তৈরি হয় রাস্তা ,ফল প্রকাশের পরেই বেরিয়ে পড়েছে কঙ্কালসার চেহারা

‘ব্রিটেনের রাজনীতিতে নাক গলাবেন না’, মাস্ককে হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের