ফাঁকা মাঠেই গোল দিচ্ছেন সুদীপ-সৌগত, ক্ষোভ চড়ছে পদ্মে

উত্তর কলকাতায় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দমদমে সৌগত রায় চুটিয়ে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। আর সেটা দেখে কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছেন বিজেপির কর্মীরা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রায় ২ সপ্তাহ আগে ব্রিগেডের মাঠ থেকেই রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছিল বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। তারপর থেকেই নিজ নিজ এলাকায় প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন জোড়াফুলের প্রার্থীরা। রাস্তায় নেমে জনসংযোগ করার পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরা প্রচারও করছেন। কলকাতা এমনিতেই তৃণমূলের ঘাঁটি। তারওপর এবার কার্যত ফাঁকা মাঠেই গোল দিতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের প্রার্থীদের। বিশেষ করে উত্তর কলকাতা(North Kolkata Constituency) এবং দমদম লোকসভা কেন্দ্রে(Dumdum Constituency) তা বড্ড বেশি প্রকট হয়ে পড়েছে। কেননা এই দুই কেন্দ্রে এখনও প্রার্থী কে হবেন সেটাই ঠিক করে উঠতে পারেনি পদ্মশিবির। মানে বিজেপি(BJP)। অথচ তাঁরাই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। এই অবস্থায় দেখা যাচ্ছে উত্তর কলকাতায় তৃণমূলের সাংসদ তথা প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়(Sudip Banerjee) এবং দমদমের তৃণমূলের সাংসদ তথা প্রার্থী সৌগত রায়(Sougata Roy) চুটিয়ে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। আর সেটা দেখে কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছেন বিজেপির কর্মীরা।

ক্ষোভ ঠিক কোথায়? বিজেপির কর্মীদের ক্ষোভ দলের রাজ্য নেতৃত্বের ওপরে। তাঁরা কেন ঠিকঠাক নাম দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠাননি? শোনা যাচ্ছে উত্তর কলকাতায় বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন কলকাতা পুরনিগমের দলীয় কাউন্সিলর সজল ঘোষ এবং দমদমে প্রার্থী হতে পারেন সদ্য সদ্য তৃণমূলে ছেড়ে পদ্মে যোগ দেওয়া তাপস রায়। যদিও পাল্টা মত শোনা যাচ্ছে তাপসকে তাঁর বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। সেক্ষেত্রে দমদমের জন্য নতুন মুখ তুলে আনা হতে পারে। আর এখানেই ক্ষোচ চড়ছে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, উত্তর কলকাতায় কোনওদিন পদ্ম না ফুটলেও দমদমে ২-২বার পদ্ম ফুটেছে। এলাকায় বিজেপির সংগঠনও আছে। তার পরেও কেন দলের আদি নেতাদের গুরুত্ব না দিয়ে দলবদলুদেরই প্রার্থী করা হচ্ছে? তার থেকেও বড় কথা, কেন এত দেরীতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হবে? যতি দেরীতে ভোট থাকুক না কেন, প্রার্থী নাম যত তাড়াত্যাড়ি ঘোষিত হবে তত তাড়াতাড়ি প্রচারও শুরু করা যাবে।

কিন্তু এখন এই দুই লোকসভা কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থীর নাম ঘোষিত না হওয়ায় বিজেপির কর্মীরাও কার্যত হাতগুটিয়ে বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। খালি চেয়ে চেয়ে দেখছেন, সুদীপ আর সৌগত ফাঁকা মাঠেই গোল দিয়ে বেড়াচ্ছেন। প্রচারে এগিয়ে থাকলে কিছুটা হলেও যে বাড়তি ভোটপ্রাপ্তির সম্ভাবনা থাকে সেটা কে না জানে। অথচ, সেই সুযোগই জুটছে না দুই লোকসভা কেন্দ্রের পদ্মশিবিরের নেতাকর্মীদের। তাঁরা এখন হা পিত্যেশ করে বসে আছেন এটা দেখতে যে কবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দুই লোকসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করবেন। তারপর তাঁরা দেওয়াল লিখন শুরু করবেন, প্রার্থীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় যাবেন। মানুষের কাছে গিয়ে ভোট চাইবেন। কিন্তু যতদিন না প্রার্থীর নাম ঘোষণা হচ্ছে, ততদিন ঘরের অন্দরে শুয়ে বসে দিন কাটানো ব্যতিত তাঁদের আর কোনও কাজ নেই।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মা-বাবার সমাধিস্থলে চারা রোপণ করলেন মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো

অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ৩০০০ টাকা পেয়ে হতবাক গ্রামীণ চিকিৎসক

তৃণমূলের ডামাডোলে পোয়াবারো কংগ্রেসের, মেখলিগঞ্জ পুরসভার দখল নিল

তৃণমূল বিধায়ককে দেখে ‘চোর-চোর’ শ্লোগান, পুলিশি পাহারায় এলাকা ছেড়ে পালালেন

তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের নিজস্ব ক্লাব ঘর থেকে উদ্ধার সরকারি কৃষি সামগ্রী, ত্রিপল, কম্বল

বিহারে বিজেপির হয়ে বিধান পরিষদের ভোটে লড়ছেন ভোজপুরি নায়ক পবন সিংহ

বিদ্রোহীদের কাছে মাথা নোয়ালেন না মমতা, ফের স্বপদে বহাল অভিষেক

বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে সোমবার হাইকোর্টে যাচ্ছে তৃণমূল

দিল্লিকে চাপে রাখতে এবার ‘ভারত-শত্রু’ তুরস্কের সঙ্গে সামরিক চুক্তি তারেকের

কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ইস্তফা ফিরহাদের

তৃণমূল নেতাদের কোমরে দড়ি পরিয়ে রাস্তায় ঘোরানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, দিল বড় নির্দেশ

স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতারের পর সুরুচি সংঘে ভাঙচুর, মিলল খাট-বিছানা

ভোটের আগে তৈরি হয় রাস্তা ,ফল প্রকাশের পরেই বেরিয়ে পড়েছে কঙ্কালসার চেহারা

‘ব্রিটেনের রাজনীতিতে নাক গলাবেন না’, মাস্ককে হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের